ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও হরমুজ না খোলার ঘোষণা ইরানের

ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও হরমুজ না খোলার ঘোষণা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

ওমানের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে ইরান, যার মূল লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা। তবে তেহরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে তাদের চুক্তি মানেই হরমুজ প্রণালি রাতারাতি সবার জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া নয়। এই আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে জাহাজের বাধা মুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বেশ কিছু কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি তেহরানের দাবিগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটনকে আগের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ভুল শুধরে তাদের সব ধরনের বৈরী পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো- ইরানের বিভিন্ন বাণিজ্যিক বন্দরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপানো নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি, যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর তেল খাতের ওপর পুনর্বহাল করা নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করা এবং ওয়াশিংটনের কাছে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে, জুন মাসের চুক্তিতে লেবাননে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দ্রুত সমাধান দাবি করেছে তেহরান।
জুন মাসের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ৫ নম্বর ধারা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, জুনের চুক্তিটি মাত্র ৬০ দিনের জন্য নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার কিছু প্রাথমিক দিকনির্দেশনা ছিল। এটি কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা ছিল না। অন্যদিকে, ওমানের সঙ্গে ইরানের এ নতুন চুক্তিটি হবে একেবারেই ভিন্ন একটি মডেলে। চুক্তিটি প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ভেঙে বর্তমানের নিরাপত্তা বাস্তবতাকে তুলে ধরবে।
নতুন এ ব্যবস্থার ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের রুট বা মূল নৌপথও বদলে যাবে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের একটি বড় অংশ এখন ইরানের নিজস্ব জলসীমা ব্যবহার করে চলাচল করবে, আর বাকি অংশ যাবে ওমানের জলসীমা দিয়ে। এটি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘কার্যকর সার্বভৌম কর্তৃত্ব’ প্রতিষ্ঠারই এক নতুন কৌশল। তবে কাজেম গরিবাবাদি বলেন, শান্তিকালীন সময়ে অহেতুক এ জলপথ বন্ধ রাখা ইরানের নিয়মিত নীতির অংশ নয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের এ অবস্থান এটি স্পষ্ট করে যে ইরান হরমুজ প্রণালিকে কেবল একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ হিসেবে দেখছে না। তারা এটিকে নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষির সবচেয়ে বড় কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। ফলে ওমানের সঙ্গে নতুন সমঝোতা চুক্তি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ না গললে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আগের মতো পুরোদমে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম।
সূত্র: সিএনএন

ওমানের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে ইরান, যার মূল লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা। তবে তেহরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে তাদের চুক্তি মানেই হরমুজ প্রণালি রাতারাতি সবার জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া নয়। এই আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে জাহাজের বাধা মুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বেশ কিছু কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি তেহরানের দাবিগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটনকে আগের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ভুল শুধরে তাদের সব ধরনের বৈরী পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো- ইরানের বিভিন্ন বাণিজ্যিক বন্দরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপানো নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি, যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর তেল খাতের ওপর পুনর্বহাল করা নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করা এবং ওয়াশিংটনের কাছে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে, জুন মাসের চুক্তিতে লেবাননে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দ্রুত সমাধান দাবি করেছে তেহরান।
জুন মাসের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ৫ নম্বর ধারা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, জুনের চুক্তিটি মাত্র ৬০ দিনের জন্য নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার কিছু প্রাথমিক দিকনির্দেশনা ছিল। এটি কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা ছিল না। অন্যদিকে, ওমানের সঙ্গে ইরানের এ নতুন চুক্তিটি হবে একেবারেই ভিন্ন একটি মডেলে। চুক্তিটি প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ভেঙে বর্তমানের নিরাপত্তা বাস্তবতাকে তুলে ধরবে।
নতুন এ ব্যবস্থার ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের রুট বা মূল নৌপথও বদলে যাবে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের একটি বড় অংশ এখন ইরানের নিজস্ব জলসীমা ব্যবহার করে চলাচল করবে, আর বাকি অংশ যাবে ওমানের জলসীমা দিয়ে। এটি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘কার্যকর সার্বভৌম কর্তৃত্ব’ প্রতিষ্ঠারই এক নতুন কৌশল। তবে কাজেম গরিবাবাদি বলেন, শান্তিকালীন সময়ে অহেতুক এ জলপথ বন্ধ রাখা ইরানের নিয়মিত নীতির অংশ নয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের এ অবস্থান এটি স্পষ্ট করে যে ইরান হরমুজ প্রণালিকে কেবল একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ হিসেবে দেখছে না। তারা এটিকে নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষির সবচেয়ে বড় কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। ফলে ওমানের সঙ্গে নতুন সমঝোতা চুক্তি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ না গললে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আগের মতো পুরোদমে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম।
সূত্র: সিএনএন

ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও হরমুজ না খোলার ঘোষণা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

ওমানের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে ইরান, যার মূল লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা। তবে তেহরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে তাদের চুক্তি মানেই হরমুজ প্রণালি রাতারাতি সবার জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া নয়। এই আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে জাহাজের বাধা মুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বেশ কিছু কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি তেহরানের দাবিগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটনকে আগের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ভুল শুধরে তাদের সব ধরনের বৈরী পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো- ইরানের বিভিন্ন বাণিজ্যিক বন্দরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপানো নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি, যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর তেল খাতের ওপর পুনর্বহাল করা নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করা এবং ওয়াশিংটনের কাছে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে, জুন মাসের চুক্তিতে লেবাননে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দ্রুত সমাধান দাবি করেছে তেহরান।
জুন মাসের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ৫ নম্বর ধারা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, জুনের চুক্তিটি মাত্র ৬০ দিনের জন্য নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার কিছু প্রাথমিক দিকনির্দেশনা ছিল। এটি কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা ছিল না। অন্যদিকে, ওমানের সঙ্গে ইরানের এ নতুন চুক্তিটি হবে একেবারেই ভিন্ন একটি মডেলে। চুক্তিটি প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ভেঙে বর্তমানের নিরাপত্তা বাস্তবতাকে তুলে ধরবে।
নতুন এ ব্যবস্থার ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের রুট বা মূল নৌপথও বদলে যাবে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের একটি বড় অংশ এখন ইরানের নিজস্ব জলসীমা ব্যবহার করে চলাচল করবে, আর বাকি অংশ যাবে ওমানের জলসীমা দিয়ে। এটি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘কার্যকর সার্বভৌম কর্তৃত্ব’ প্রতিষ্ঠারই এক নতুন কৌশল। তবে কাজেম গরিবাবাদি বলেন, শান্তিকালীন সময়ে অহেতুক এ জলপথ বন্ধ রাখা ইরানের নিয়মিত নীতির অংশ নয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের এ অবস্থান এটি স্পষ্ট করে যে ইরান হরমুজ প্রণালিকে কেবল একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ হিসেবে দেখছে না। তারা এটিকে নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষির সবচেয়ে বড় কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। ফলে ওমানের সঙ্গে নতুন সমঝোতা চুক্তি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ না গললে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আগের মতো পুরোদমে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম।
সূত্র: সিএনএন

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণ
হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ: ইরান







