পেরুর ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি

পেরুর ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন ৫১ বছর বয়সী রক্ষণশীল নেত্রী কেইকো ফুজিমোরি। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নেওয়া নতুন এই প্রেসিডেন্ট পদভার গ্রহণের পরই দেশে অপরাধ দমনে কঠোর নিরাপত্তা নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।
রাজধানী লিমার আইনসভা ভবনের সামনে আয়োজিত অভিষেক ভাষণে নতুন প্রেসিডেন্ট সংগঠিত অপরাধ, মাদক পাচার এবং অবৈধ খনন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তীব্র যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, যেসব অঞ্চলে অপরাধী চক্রের প্রভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেসব স্থানে জরুরি অবস্থা জারি করে সাময়িকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে জনশৃঙ্খলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। এ কাজে জাতীয় পুলিশ বাহিনীকে পূর্ণ সহায়তা করবে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক সমর্থন, নতুন সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দেশের চলমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জীবনযাত্রার লাগামহীন ব্যয় কমানোকেও নিজের প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ফুজিমোরি। সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে জাতীয় ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন তিনি। এর ফলে দেশটির বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১,১৩০ সোল (৩৩২ ডলার) থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১,৩০০ সোলে (৩৮২ ডলার)। একই সঙ্গে তিনি পেরুর বিদ্যমান মুক্তবাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এ শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা গেছে। কেইকো ফুজিমোরির ভাষণ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বিরোধী জোটের কয়েকজন সংসদ সদস্য কালো পোশাক ও শোকের ফিতা পরে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। তারা ‘ভুক্তভোগীদের জন্য বিচার চাই’ স্লোগান দেন এবং ফুজিমোরির বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির শাসনামলে (১৯৯০-২০০০) নিহত ব্যক্তিদের ছবি প্রদর্শন করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হয়ে আলবার্তো ফুজিমোরি দীর্ঘদিন কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন।
রাজনৈতিক এ টানাপোড়েনের মাঝেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া, বলিভিয়ার রদ্রিগো পাজ এবং চিলির হোসে আন্তোনিও কাস্ত। অনুষ্ঠান শেষে ফুজিমোরি ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনসহ কৌশলগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেইকো ফুজিমোরির এ জয় লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থি রাজনীতির পুনরুত্থানেরই স্পষ্ট প্রতিফলন। মূলত অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং অপরাধের হার বাড়তে থাকায় অঞ্চলের সাধারণ ভোটাররা এখন তুলনামূলক কঠোর ও রক্ষণশীল নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন ৫১ বছর বয়সী রক্ষণশীল নেত্রী কেইকো ফুজিমোরি। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নেওয়া নতুন এই প্রেসিডেন্ট পদভার গ্রহণের পরই দেশে অপরাধ দমনে কঠোর নিরাপত্তা নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।
রাজধানী লিমার আইনসভা ভবনের সামনে আয়োজিত অভিষেক ভাষণে নতুন প্রেসিডেন্ট সংগঠিত অপরাধ, মাদক পাচার এবং অবৈধ খনন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তীব্র যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, যেসব অঞ্চলে অপরাধী চক্রের প্রভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেসব স্থানে জরুরি অবস্থা জারি করে সাময়িকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে জনশৃঙ্খলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। এ কাজে জাতীয় পুলিশ বাহিনীকে পূর্ণ সহায়তা করবে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক সমর্থন, নতুন সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দেশের চলমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জীবনযাত্রার লাগামহীন ব্যয় কমানোকেও নিজের প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ফুজিমোরি। সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে জাতীয় ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন তিনি। এর ফলে দেশটির বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১,১৩০ সোল (৩৩২ ডলার) থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১,৩০০ সোলে (৩৮২ ডলার)। একই সঙ্গে তিনি পেরুর বিদ্যমান মুক্তবাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এ শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা গেছে। কেইকো ফুজিমোরির ভাষণ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বিরোধী জোটের কয়েকজন সংসদ সদস্য কালো পোশাক ও শোকের ফিতা পরে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। তারা ‘ভুক্তভোগীদের জন্য বিচার চাই’ স্লোগান দেন এবং ফুজিমোরির বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির শাসনামলে (১৯৯০-২০০০) নিহত ব্যক্তিদের ছবি প্রদর্শন করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হয়ে আলবার্তো ফুজিমোরি দীর্ঘদিন কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন।
রাজনৈতিক এ টানাপোড়েনের মাঝেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া, বলিভিয়ার রদ্রিগো পাজ এবং চিলির হোসে আন্তোনিও কাস্ত। অনুষ্ঠান শেষে ফুজিমোরি ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনসহ কৌশলগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেইকো ফুজিমোরির এ জয় লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থি রাজনীতির পুনরুত্থানেরই স্পষ্ট প্রতিফলন। মূলত অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং অপরাধের হার বাড়তে থাকায় অঞ্চলের সাধারণ ভোটাররা এখন তুলনামূলক কঠোর ও রক্ষণশীল নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পেরুর ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন ৫১ বছর বয়সী রক্ষণশীল নেত্রী কেইকো ফুজিমোরি। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নেওয়া নতুন এই প্রেসিডেন্ট পদভার গ্রহণের পরই দেশে অপরাধ দমনে কঠোর নিরাপত্তা নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।
রাজধানী লিমার আইনসভা ভবনের সামনে আয়োজিত অভিষেক ভাষণে নতুন প্রেসিডেন্ট সংগঠিত অপরাধ, মাদক পাচার এবং অবৈধ খনন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তীব্র যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, যেসব অঞ্চলে অপরাধী চক্রের প্রভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেসব স্থানে জরুরি অবস্থা জারি করে সাময়িকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে জনশৃঙ্খলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। এ কাজে জাতীয় পুলিশ বাহিনীকে পূর্ণ সহায়তা করবে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক সমর্থন, নতুন সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দেশের চলমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জীবনযাত্রার লাগামহীন ব্যয় কমানোকেও নিজের প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ফুজিমোরি। সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে জাতীয় ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন তিনি। এর ফলে দেশটির বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১,১৩০ সোল (৩৩২ ডলার) থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১,৩০০ সোলে (৩৮২ ডলার)। একই সঙ্গে তিনি পেরুর বিদ্যমান মুক্তবাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এ শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা গেছে। কেইকো ফুজিমোরির ভাষণ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বিরোধী জোটের কয়েকজন সংসদ সদস্য কালো পোশাক ও শোকের ফিতা পরে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। তারা ‘ভুক্তভোগীদের জন্য বিচার চাই’ স্লোগান দেন এবং ফুজিমোরির বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির শাসনামলে (১৯৯০-২০০০) নিহত ব্যক্তিদের ছবি প্রদর্শন করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হয়ে আলবার্তো ফুজিমোরি দীর্ঘদিন কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন।
রাজনৈতিক এ টানাপোড়েনের মাঝেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া, বলিভিয়ার রদ্রিগো পাজ এবং চিলির হোসে আন্তোনিও কাস্ত। অনুষ্ঠান শেষে ফুজিমোরি ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনসহ কৌশলগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেইকো ফুজিমোরির এ জয় লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থি রাজনীতির পুনরুত্থানেরই স্পষ্ট প্রতিফলন। মূলত অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং অপরাধের হার বাড়তে থাকায় অঞ্চলের সাধারণ ভোটাররা এখন তুলনামূলক কঠোর ও রক্ষণশীল নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন সেনাদের কাছে থাকা মোবাইলের সুবিধা নিচ্ছে ইরান
ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকের পরেই রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা








