ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী মাচাদো

ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী মাচাদো
সিটিজেন ডেস্ক

প্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর অপ্রত্যাশিতভাবে ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এ প্রত্যাবর্তন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) কারাকাসে প্রবেশের সময় তার গাড়ি বহরকে ঘিরে উল্লাসে মাতেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। মহাসড়ক ও শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা জনতা ভেনেজুয়েলার পতাকা নেড়ে স্বাধীনতা! বলে স্লোগান দেয়। নিজের চেনা রূপেই সাদা টি-শার্ট ও নীল জিন্সে গাড়ির সানরুফ দিয়ে হাত নেড়ে সমর্থকদের অভিনন্দন জানান ৫৯ বছর বয়সী এ নেত্রী। সমর্থকদের ভিড় থেকে এক মহিলা চিৎকার করে বলে ওঠেন, মারিয়া, তুমি ফিরে এলে আমার মেয়েকেও ফিরতে হবে! এর আগে সান্তা রোজা গির্জায় সমর্থকেরা ভিভা মারিয়া কোরিনা! স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে গত ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিতে তিনি গোপনে দেশ ছেড়েছিলেন। তার এ প্রত্যাবর্তন এমন এক সময়ে হলো, যখন ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। নয় মাস আগে এক মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত হন নিকোলাস মাদুরো। তবে গণতান্ত্রিক বিরোধীদের আশাহত করে মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
মাচাদোর ফেরা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন মহল। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাচাদোর ফেরার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, আমি মনে করি তিনি খুব ভালো একজন মহিলা। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ওয়াশিংটন-সমর্থিত আলোচনার ফলেই এ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে। তিনি সব পক্ষকে এ প্রক্রিয়া সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন। রুবিও বলেন, আমরা আশা করি সকল রাজনৈতিক পক্ষ এ আলোচনাকে সমর্থন করবে।
মাচাদোর দল ভেন্তে ভেনেজুয়েলা চাওয়া ২০২৭ সালে নির্বাচন হোক এবং সেখানে মাচাদোকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হোক।
সূত্র: বিবিসি

প্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর অপ্রত্যাশিতভাবে ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এ প্রত্যাবর্তন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) কারাকাসে প্রবেশের সময় তার গাড়ি বহরকে ঘিরে উল্লাসে মাতেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। মহাসড়ক ও শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা জনতা ভেনেজুয়েলার পতাকা নেড়ে স্বাধীনতা! বলে স্লোগান দেয়। নিজের চেনা রূপেই সাদা টি-শার্ট ও নীল জিন্সে গাড়ির সানরুফ দিয়ে হাত নেড়ে সমর্থকদের অভিনন্দন জানান ৫৯ বছর বয়সী এ নেত্রী। সমর্থকদের ভিড় থেকে এক মহিলা চিৎকার করে বলে ওঠেন, মারিয়া, তুমি ফিরে এলে আমার মেয়েকেও ফিরতে হবে! এর আগে সান্তা রোজা গির্জায় সমর্থকেরা ভিভা মারিয়া কোরিনা! স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে গত ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিতে তিনি গোপনে দেশ ছেড়েছিলেন। তার এ প্রত্যাবর্তন এমন এক সময়ে হলো, যখন ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। নয় মাস আগে এক মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত হন নিকোলাস মাদুরো। তবে গণতান্ত্রিক বিরোধীদের আশাহত করে মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
মাচাদোর ফেরা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন মহল। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাচাদোর ফেরার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, আমি মনে করি তিনি খুব ভালো একজন মহিলা। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ওয়াশিংটন-সমর্থিত আলোচনার ফলেই এ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে। তিনি সব পক্ষকে এ প্রক্রিয়া সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন। রুবিও বলেন, আমরা আশা করি সকল রাজনৈতিক পক্ষ এ আলোচনাকে সমর্থন করবে।
মাচাদোর দল ভেন্তে ভেনেজুয়েলা চাওয়া ২০২৭ সালে নির্বাচন হোক এবং সেখানে মাচাদোকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হোক।
সূত্র: বিবিসি

ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী মাচাদো
সিটিজেন ডেস্ক

প্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর অপ্রত্যাশিতভাবে ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এ প্রত্যাবর্তন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) কারাকাসে প্রবেশের সময় তার গাড়ি বহরকে ঘিরে উল্লাসে মাতেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। মহাসড়ক ও শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা জনতা ভেনেজুয়েলার পতাকা নেড়ে স্বাধীনতা! বলে স্লোগান দেয়। নিজের চেনা রূপেই সাদা টি-শার্ট ও নীল জিন্সে গাড়ির সানরুফ দিয়ে হাত নেড়ে সমর্থকদের অভিনন্দন জানান ৫৯ বছর বয়সী এ নেত্রী। সমর্থকদের ভিড় থেকে এক মহিলা চিৎকার করে বলে ওঠেন, মারিয়া, তুমি ফিরে এলে আমার মেয়েকেও ফিরতে হবে! এর আগে সান্তা রোজা গির্জায় সমর্থকেরা ভিভা মারিয়া কোরিনা! স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে গত ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিতে তিনি গোপনে দেশ ছেড়েছিলেন। তার এ প্রত্যাবর্তন এমন এক সময়ে হলো, যখন ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। নয় মাস আগে এক মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত হন নিকোলাস মাদুরো। তবে গণতান্ত্রিক বিরোধীদের আশাহত করে মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
মাচাদোর ফেরা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন মহল। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাচাদোর ফেরার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, আমি মনে করি তিনি খুব ভালো একজন মহিলা। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ওয়াশিংটন-সমর্থিত আলোচনার ফলেই এ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে। তিনি সব পক্ষকে এ প্রক্রিয়া সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন। রুবিও বলেন, আমরা আশা করি সকল রাজনৈতিক পক্ষ এ আলোচনাকে সমর্থন করবে।
মাচাদোর দল ভেন্তে ভেনেজুয়েলা চাওয়া ২০২৭ সালে নির্বাচন হোক এবং সেখানে মাচাদোকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হোক।
সূত্র: বিবিসি

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ মঙ্গলবার







