ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়ালো দ্বিতীয় রাউন্ডে, পিছিয়ে লুলা

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়ালো দ্বিতীয় রাউন্ডে, পিছিয়ে লুলা
সিজেডএন ডেস্ক

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াচ্ছে। প্রথম দফার ভোটের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। স্থানীয় সময় রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকালের পর ফল আসতে শুরু করে। নির্বাচনে বামপন্থি ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ৮০ বছর বয়সী লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার লড়াইয়ে নেমে পিছিয়ে পড়েছেন।
এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বামপন্থী লুলা দা সিলভা ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যেই।
৯৯.৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ফ্লাভিও পেয়েছেন ৫৬.১ মিলিয়ন বা ৪৭ শতাংশ ভোট। আর লুলা পেয়েছেন ৫৩.৮ মিলিয়ন বা ৪৫.১ শতাংশ।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াবে। কারণ কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো ক্ষমতাসীন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে পরাজিত করলেও রানঅফ এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি।
ব্রাজিলের সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হয়। ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বোলসোনারো দ্বিতীয় রাউন্ডে শক্তিশালী ফেভারিট হিসেবেই নামবেন। নির্বাচনের অন্যান্য ডানপন্থী প্রার্থীদের ভোট তার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের মধ্যে রোনাল্ডো কাইয়াদো (যিনি ২.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন) এবং রেনান সান্তোস (তিনি পেয়েছেন ২.২ শতাংশ ভোট)।
ব্রাজিলের কট্টর ডানপন্থীরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে। নির্বাচনী প্রচারে দুর্নীতি, অর্থনীতি ও অপরাধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং পরিবারগুলোর ঋণের চাপ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। সেইসঙ্গে রাস্তায় অপরাধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতাও উদ্বেগও বিবেচনায় নিয়েছেন ভোটাররা।
লুলার সরকারে আমলে বৈষম্য ও বেকারত্ব কমলেও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
ফ্লাভিও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগকে কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে লুলা অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক সহায়তা বাড়িয়েছেন। পরিবারের ঋণের বোঝা কমানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে শেষ রক্ষা হলো না।
সূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াচ্ছে। প্রথম দফার ভোটের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। স্থানীয় সময় রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকালের পর ফল আসতে শুরু করে। নির্বাচনে বামপন্থি ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ৮০ বছর বয়সী লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার লড়াইয়ে নেমে পিছিয়ে পড়েছেন।
এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বামপন্থী লুলা দা সিলভা ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যেই।
৯৯.৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ফ্লাভিও পেয়েছেন ৫৬.১ মিলিয়ন বা ৪৭ শতাংশ ভোট। আর লুলা পেয়েছেন ৫৩.৮ মিলিয়ন বা ৪৫.১ শতাংশ।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াবে। কারণ কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো ক্ষমতাসীন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে পরাজিত করলেও রানঅফ এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি।
ব্রাজিলের সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হয়। ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বোলসোনারো দ্বিতীয় রাউন্ডে শক্তিশালী ফেভারিট হিসেবেই নামবেন। নির্বাচনের অন্যান্য ডানপন্থী প্রার্থীদের ভোট তার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের মধ্যে রোনাল্ডো কাইয়াদো (যিনি ২.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন) এবং রেনান সান্তোস (তিনি পেয়েছেন ২.২ শতাংশ ভোট)।
ব্রাজিলের কট্টর ডানপন্থীরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে। নির্বাচনী প্রচারে দুর্নীতি, অর্থনীতি ও অপরাধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং পরিবারগুলোর ঋণের চাপ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। সেইসঙ্গে রাস্তায় অপরাধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতাও উদ্বেগও বিবেচনায় নিয়েছেন ভোটাররা।
লুলার সরকারে আমলে বৈষম্য ও বেকারত্ব কমলেও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
ফ্লাভিও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগকে কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে লুলা অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক সহায়তা বাড়িয়েছেন। পরিবারের ঋণের বোঝা কমানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে শেষ রক্ষা হলো না।
সূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়ালো দ্বিতীয় রাউন্ডে, পিছিয়ে লুলা
সিজেডএন ডেস্ক

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াচ্ছে। প্রথম দফার ভোটের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। স্থানীয় সময় রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকালের পর ফল আসতে শুরু করে। নির্বাচনে বামপন্থি ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ৮০ বছর বয়সী লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার লড়াইয়ে নেমে পিছিয়ে পড়েছেন।
এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বামপন্থী লুলা দা সিলভা ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যেই।
৯৯.৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ফ্লাভিও পেয়েছেন ৫৬.১ মিলিয়ন বা ৪৭ শতাংশ ভোট। আর লুলা পেয়েছেন ৫৩.৮ মিলিয়ন বা ৪৫.১ শতাংশ।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াবে। কারণ কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো ক্ষমতাসীন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে পরাজিত করলেও রানঅফ এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি।
ব্রাজিলের সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হয়। ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বোলসোনারো দ্বিতীয় রাউন্ডে শক্তিশালী ফেভারিট হিসেবেই নামবেন। নির্বাচনের অন্যান্য ডানপন্থী প্রার্থীদের ভোট তার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের মধ্যে রোনাল্ডো কাইয়াদো (যিনি ২.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন) এবং রেনান সান্তোস (তিনি পেয়েছেন ২.২ শতাংশ ভোট)।
ব্রাজিলের কট্টর ডানপন্থীরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে। নির্বাচনী প্রচারে দুর্নীতি, অর্থনীতি ও অপরাধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং পরিবারগুলোর ঋণের চাপ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। সেইসঙ্গে রাস্তায় অপরাধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতাও উদ্বেগও বিবেচনায় নিয়েছেন ভোটাররা।
লুলার সরকারে আমলে বৈষম্য ও বেকারত্ব কমলেও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
ফ্লাভিও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগকে কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে লুলা অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক সহায়তা বাড়িয়েছেন। পরিবারের ঋণের বোঝা কমানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে শেষ রক্ষা হলো না।
সূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

ব্রাজিলের পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের







