মার্কিন শুল্কের হুমকি উড়িয়ে রুশ তেল কেনা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলো ভারত

মার্কিন শুল্কের হুমকি উড়িয়ে রুশ তেল কেনা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলো ভারত
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল আমদানি অব্যাহত রাখলে ভারতীয় পণ্যের ওপর শতভাগ বা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হওয়ার পরই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের এ চোখ রাঙানিকে পাত্তাই দিচ্ছে না ভারত। বরং জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যখন যেখান থেকে প্রয়োজন, তেল কেনা চালিয়ে যাবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ কেনা অব্যাহত রাখবে ভারত।’
মার্কিন কংগ্রেসে এ বিল পাস হওয়ার খবর আসার আগেই তা নিয়ে ওয়াশিংটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। মার্কিন প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল বা গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে তা কেবল দুই দেশের সম্পর্কেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, বরং গোটা বিশ্বেই জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
শুল্কের ভয় দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন যদি দরকষাকষির পথে হাঁটে, তবে তাতে যে ভারত একচুলও নড়বে না, তা মন্ত্রণালয়ের কথাতেই পরিষ্কার। মার্কিন চাপে ভারতীয় অর্থনীতি বা বাণিজ্যে কোনো আঁচ লাগলে তা সামাল দিতেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘নতুন মার্কিন আইনের কারণে দেশটির রপ্তানি বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশীয় বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য ও শিল্প খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে সরকার।’
যুক্তরাষ্ট্রের মূল অভিযোগ হলো, তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়া। মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে যারা রুশ তেল কিনছে, তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা বা শুল্কে আরোপ করতে চাইছে ওয়াশিংটন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রাশিয়া তুলনামূলক কম দামে তেল বিক্রি শুরু করে। এ সুযোগ লুফে নিয়ে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো বিপুল পরিমাণে রুশ তেল আমদানি করতে শুরু করে।
তেলবাহী জাহাজের চলাচল পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা কেপলারের তথ্য বলছে, আগস্ট মাসেই ভারত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২১ লাখ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে। শুধু তাই নয়, ভারতের মোট আমদানির প্রায় ৪৫ শতাংশই এখন আসছে রাশিয়া থেকে, যা গত দুই মাসে বেড়ে প্রায় ৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। সবমিলিয়ে, মার্কিন রাজনৈতিক চাপ বা শুল্কের ভয় দেখিয়ে ভারতের জ্বালানি নীতি বদলানো যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লির অবস্থান।
সূত্র: আনন্দ বাজার

রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল আমদানি অব্যাহত রাখলে ভারতীয় পণ্যের ওপর শতভাগ বা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হওয়ার পরই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের এ চোখ রাঙানিকে পাত্তাই দিচ্ছে না ভারত। বরং জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যখন যেখান থেকে প্রয়োজন, তেল কেনা চালিয়ে যাবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ কেনা অব্যাহত রাখবে ভারত।’
মার্কিন কংগ্রেসে এ বিল পাস হওয়ার খবর আসার আগেই তা নিয়ে ওয়াশিংটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। মার্কিন প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল বা গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে তা কেবল দুই দেশের সম্পর্কেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, বরং গোটা বিশ্বেই জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
শুল্কের ভয় দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন যদি দরকষাকষির পথে হাঁটে, তবে তাতে যে ভারত একচুলও নড়বে না, তা মন্ত্রণালয়ের কথাতেই পরিষ্কার। মার্কিন চাপে ভারতীয় অর্থনীতি বা বাণিজ্যে কোনো আঁচ লাগলে তা সামাল দিতেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘নতুন মার্কিন আইনের কারণে দেশটির রপ্তানি বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশীয় বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য ও শিল্প খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে সরকার।’
যুক্তরাষ্ট্রের মূল অভিযোগ হলো, তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়া। মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে যারা রুশ তেল কিনছে, তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা বা শুল্কে আরোপ করতে চাইছে ওয়াশিংটন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রাশিয়া তুলনামূলক কম দামে তেল বিক্রি শুরু করে। এ সুযোগ লুফে নিয়ে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো বিপুল পরিমাণে রুশ তেল আমদানি করতে শুরু করে।
তেলবাহী জাহাজের চলাচল পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা কেপলারের তথ্য বলছে, আগস্ট মাসেই ভারত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২১ লাখ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে। শুধু তাই নয়, ভারতের মোট আমদানির প্রায় ৪৫ শতাংশই এখন আসছে রাশিয়া থেকে, যা গত দুই মাসে বেড়ে প্রায় ৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। সবমিলিয়ে, মার্কিন রাজনৈতিক চাপ বা শুল্কের ভয় দেখিয়ে ভারতের জ্বালানি নীতি বদলানো যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লির অবস্থান।
সূত্র: আনন্দ বাজার

মার্কিন শুল্কের হুমকি উড়িয়ে রুশ তেল কেনা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলো ভারত
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল আমদানি অব্যাহত রাখলে ভারতীয় পণ্যের ওপর শতভাগ বা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হওয়ার পরই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের এ চোখ রাঙানিকে পাত্তাই দিচ্ছে না ভারত। বরং জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যখন যেখান থেকে প্রয়োজন, তেল কেনা চালিয়ে যাবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ কেনা অব্যাহত রাখবে ভারত।’
মার্কিন কংগ্রেসে এ বিল পাস হওয়ার খবর আসার আগেই তা নিয়ে ওয়াশিংটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। মার্কিন প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল বা গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে তা কেবল দুই দেশের সম্পর্কেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, বরং গোটা বিশ্বেই জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
শুল্কের ভয় দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন যদি দরকষাকষির পথে হাঁটে, তবে তাতে যে ভারত একচুলও নড়বে না, তা মন্ত্রণালয়ের কথাতেই পরিষ্কার। মার্কিন চাপে ভারতীয় অর্থনীতি বা বাণিজ্যে কোনো আঁচ লাগলে তা সামাল দিতেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘নতুন মার্কিন আইনের কারণে দেশটির রপ্তানি বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশীয় বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য ও শিল্প খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে সরকার।’
যুক্তরাষ্ট্রের মূল অভিযোগ হলো, তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়া। মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে যারা রুশ তেল কিনছে, তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা বা শুল্কে আরোপ করতে চাইছে ওয়াশিংটন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রাশিয়া তুলনামূলক কম দামে তেল বিক্রি শুরু করে। এ সুযোগ লুফে নিয়ে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো বিপুল পরিমাণে রুশ তেল আমদানি করতে শুরু করে।
তেলবাহী জাহাজের চলাচল পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা কেপলারের তথ্য বলছে, আগস্ট মাসেই ভারত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২১ লাখ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে। শুধু তাই নয়, ভারতের মোট আমদানির প্রায় ৪৫ শতাংশই এখন আসছে রাশিয়া থেকে, যা গত দুই মাসে বেড়ে প্রায় ৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। সবমিলিয়ে, মার্কিন রাজনৈতিক চাপ বা শুল্কের ভয় দেখিয়ে ভারতের জ্বালানি নীতি বদলানো যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লির অবস্থান।
সূত্র: আনন্দ বাজার

পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ভারতের







