দীপাবলির আগেই বিষাক্ত দিল্লির বাতাস, আতশবাজিতে নিষেধাজ্ঞা

দীপাবলির আগেই বিষাক্ত দিল্লির বাতাস, আতশবাজিতে নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গেই দিল্লির আকাশে ফিরে এসেছে সেই চেনা বিষাক্ত ধোঁয়াশা। দিন দিন দ্রুত অবনতি ঘটছে শহরটির বায়ু মানের। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম কণা পিএম২.৫-এর মাত্রা একলাফে বেড়ে ৩০০ অতিক্রম করে ‘অত্যন্ত খারাপ’ শ্রেণিতে পৌঁছেছে। ফলে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কোটি কোটি বাসিন্দা।
দীর্ঘ সময় এ দূষিত বাতাসে শ্বাস নিলে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও প্রবীণরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধূলিকণা ও গাড়ির ধোঁয়া কমাতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (GRAP)-এর দ্বিতীয় পর্যায় জারি করেছে প্রশাসন। রাস্তা নিবিড়ভাবে পরিষ্কার করা, ব্যক্তিগত গাড়ি কমানোর লক্ষ্যে পার্কিং ফি বাড়ানো এবং মেট্রোর দৈনিক যাত্রা সংখ্যা বাড়ানোর মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যানজট কমাতে সরকারি অফিসের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামনেই ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব দীপাবলি। আলো আর প্রদীপের এ উৎসবে আতশবাজির ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনিতে গাড়ির ধোঁয়া, কারখানার বর্জ্য, তাপমাত্রা হ্রাস এবং প্রতিবেশী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ধোঁয়ায় অক্টোবরের পরিষ্কার আকাশ উধাও হয়ে গেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে দিল্লির বায়ু গুণমান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ৩৭৭। যেখানে ৪০০-এর উপরে গেলেই পরিস্থিতি ‘মারাত্মক’ বলে ধরা হয়।
আইনি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রতি বছর উৎসবের পর দিন বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় পুরো শহর। এবারও দীপাবলির ঠিক মুখে পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে এসেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত কেবল নির্দিষ্ট শর্তে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ’ আতশবাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, দীপাবলির সপ্তাহান্তে ৭ ও ৮ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে সীমিত সময়ের জন্য পরিবেশবান্ধব আতশবাজি ফোটানো যাবে। তবে হাসপাতাল, পরিচর্যা কেন্দ্র ও স্কুলের ৩০০ মিটারের মধ্যে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সবুজ আতশবাজিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক কম থাকে এবং এটি ধোঁয়াও কম ছড়ায়। আসল পরিবেশবান্ধব কি না, তা যাচাই করতে প্রতিটিতে কিউআর কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশকে অবৈধ বাজি জব্দ করতে এবং আকস্মিক পরিদর্শন চালানোর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দূষণের এ প্রভাব কেবল দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ নেই। কয়েক দিন আগে মুম্বাইয়ের একিউআই-ও ৩২২-এ পৌঁছেছিল। তবে উপকূলীয় বাতাসের কারণে বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে একিউআই ৮৯-এ নেমে এসেছে। কিন্তু দিল্লির সামনে এখন আসল পরীক্ষা।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গেই দিল্লির আকাশে ফিরে এসেছে সেই চেনা বিষাক্ত ধোঁয়াশা। দিন দিন দ্রুত অবনতি ঘটছে শহরটির বায়ু মানের। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম কণা পিএম২.৫-এর মাত্রা একলাফে বেড়ে ৩০০ অতিক্রম করে ‘অত্যন্ত খারাপ’ শ্রেণিতে পৌঁছেছে। ফলে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কোটি কোটি বাসিন্দা।
দীর্ঘ সময় এ দূষিত বাতাসে শ্বাস নিলে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও প্রবীণরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধূলিকণা ও গাড়ির ধোঁয়া কমাতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (GRAP)-এর দ্বিতীয় পর্যায় জারি করেছে প্রশাসন। রাস্তা নিবিড়ভাবে পরিষ্কার করা, ব্যক্তিগত গাড়ি কমানোর লক্ষ্যে পার্কিং ফি বাড়ানো এবং মেট্রোর দৈনিক যাত্রা সংখ্যা বাড়ানোর মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যানজট কমাতে সরকারি অফিসের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামনেই ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব দীপাবলি। আলো আর প্রদীপের এ উৎসবে আতশবাজির ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনিতে গাড়ির ধোঁয়া, কারখানার বর্জ্য, তাপমাত্রা হ্রাস এবং প্রতিবেশী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ধোঁয়ায় অক্টোবরের পরিষ্কার আকাশ উধাও হয়ে গেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে দিল্লির বায়ু গুণমান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ৩৭৭। যেখানে ৪০০-এর উপরে গেলেই পরিস্থিতি ‘মারাত্মক’ বলে ধরা হয়।
আইনি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রতি বছর উৎসবের পর দিন বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় পুরো শহর। এবারও দীপাবলির ঠিক মুখে পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে এসেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত কেবল নির্দিষ্ট শর্তে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ’ আতশবাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, দীপাবলির সপ্তাহান্তে ৭ ও ৮ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে সীমিত সময়ের জন্য পরিবেশবান্ধব আতশবাজি ফোটানো যাবে। তবে হাসপাতাল, পরিচর্যা কেন্দ্র ও স্কুলের ৩০০ মিটারের মধ্যে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সবুজ আতশবাজিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক কম থাকে এবং এটি ধোঁয়াও কম ছড়ায়। আসল পরিবেশবান্ধব কি না, তা যাচাই করতে প্রতিটিতে কিউআর কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশকে অবৈধ বাজি জব্দ করতে এবং আকস্মিক পরিদর্শন চালানোর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দূষণের এ প্রভাব কেবল দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ নেই। কয়েক দিন আগে মুম্বাইয়ের একিউআই-ও ৩২২-এ পৌঁছেছিল। তবে উপকূলীয় বাতাসের কারণে বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে একিউআই ৮৯-এ নেমে এসেছে। কিন্তু দিল্লির সামনে এখন আসল পরীক্ষা।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

দীপাবলির আগেই বিষাক্ত দিল্লির বাতাস, আতশবাজিতে নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গেই দিল্লির আকাশে ফিরে এসেছে সেই চেনা বিষাক্ত ধোঁয়াশা। দিন দিন দ্রুত অবনতি ঘটছে শহরটির বায়ু মানের। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম কণা পিএম২.৫-এর মাত্রা একলাফে বেড়ে ৩০০ অতিক্রম করে ‘অত্যন্ত খারাপ’ শ্রেণিতে পৌঁছেছে। ফলে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কোটি কোটি বাসিন্দা।
দীর্ঘ সময় এ দূষিত বাতাসে শ্বাস নিলে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও প্রবীণরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধূলিকণা ও গাড়ির ধোঁয়া কমাতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (GRAP)-এর দ্বিতীয় পর্যায় জারি করেছে প্রশাসন। রাস্তা নিবিড়ভাবে পরিষ্কার করা, ব্যক্তিগত গাড়ি কমানোর লক্ষ্যে পার্কিং ফি বাড়ানো এবং মেট্রোর দৈনিক যাত্রা সংখ্যা বাড়ানোর মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যানজট কমাতে সরকারি অফিসের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামনেই ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব দীপাবলি। আলো আর প্রদীপের এ উৎসবে আতশবাজির ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনিতে গাড়ির ধোঁয়া, কারখানার বর্জ্য, তাপমাত্রা হ্রাস এবং প্রতিবেশী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ধোঁয়ায় অক্টোবরের পরিষ্কার আকাশ উধাও হয়ে গেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে দিল্লির বায়ু গুণমান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ৩৭৭। যেখানে ৪০০-এর উপরে গেলেই পরিস্থিতি ‘মারাত্মক’ বলে ধরা হয়।
আইনি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রতি বছর উৎসবের পর দিন বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় পুরো শহর। এবারও দীপাবলির ঠিক মুখে পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে এসেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত কেবল নির্দিষ্ট শর্তে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ’ আতশবাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, দীপাবলির সপ্তাহান্তে ৭ ও ৮ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে সীমিত সময়ের জন্য পরিবেশবান্ধব আতশবাজি ফোটানো যাবে। তবে হাসপাতাল, পরিচর্যা কেন্দ্র ও স্কুলের ৩০০ মিটারের মধ্যে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সবুজ আতশবাজিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক কম থাকে এবং এটি ধোঁয়াও কম ছড়ায়। আসল পরিবেশবান্ধব কি না, তা যাচাই করতে প্রতিটিতে কিউআর কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশকে অবৈধ বাজি জব্দ করতে এবং আকস্মিক পরিদর্শন চালানোর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দূষণের এ প্রভাব কেবল দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ নেই। কয়েক দিন আগে মুম্বাইয়ের একিউআই-ও ৩২২-এ পৌঁছেছিল। তবে উপকূলীয় বাতাসের কারণে বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে একিউআই ৮৯-এ নেমে এসেছে। কিন্তু দিল্লির সামনে এখন আসল পরীক্ষা।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

বাংলাদেশে শ্রমিক আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল







