ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, নিহত ৭

ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, নিহত ৭

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজ্যের ছাতরা জেলার সিমারিয়া গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। ঝাড়খণ্ড সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, ফ্লাইটটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ছাতরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কীর্তিশ্রী জি বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)-কে বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে থাকা সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির পথে ছিল।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনাধীন বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। প্রায় ২০ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানান রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার।
পরে সিমারিয়ার কাছে গভীর বনাঞ্চলঘেরা বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) শুভম খান্ডেলওয়াল জানান, সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী অনন্ত সিং জানান, লাতেহার জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমার (৪১) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লি নেওয়ার উদ্দেশ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সড়কপথে যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা আকাশপথ বেছে নিয়েছিলেন। তবে দুর্ঘটনাস্থলের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের সময় এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল।
খারাপ আবহাওয়া দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজ্যের ছাতরা জেলার সিমারিয়া গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। ঝাড়খণ্ড সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, ফ্লাইটটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ছাতরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কীর্তিশ্রী জি বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)-কে বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে থাকা সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির পথে ছিল।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনাধীন বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। প্রায় ২০ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানান রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার।
পরে সিমারিয়ার কাছে গভীর বনাঞ্চলঘেরা বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) শুভম খান্ডেলওয়াল জানান, সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী অনন্ত সিং জানান, লাতেহার জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমার (৪১) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লি নেওয়ার উদ্দেশ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সড়কপথে যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা আকাশপথ বেছে নিয়েছিলেন। তবে দুর্ঘটনাস্থলের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের সময় এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল।
খারাপ আবহাওয়া দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, নিহত ৭

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজ্যের ছাতরা জেলার সিমারিয়া গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। ঝাড়খণ্ড সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, ফ্লাইটটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ছাতরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কীর্তিশ্রী জি বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)-কে বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে থাকা সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির পথে ছিল।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনাধীন বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। প্রায় ২০ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানান রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার।
পরে সিমারিয়ার কাছে গভীর বনাঞ্চলঘেরা বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) শুভম খান্ডেলওয়াল জানান, সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী অনন্ত সিং জানান, লাতেহার জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমার (৪১) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লি নেওয়ার উদ্দেশ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সড়কপথে যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা আকাশপথ বেছে নিয়েছিলেন। তবে দুর্ঘটনাস্থলের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের সময় এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল।
খারাপ আবহাওয়া দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।




