মিলি সেকেন্ডের ত্রুটিতে যুক্তরাজ্যে হাজারো ফ্লাইট বাতিল

মিলি সেকেন্ডের ত্রুটিতে যুক্তরাজ্যে হাজারো ফ্লাইট বাতিল
সিজেডএন ডেস্ক

এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময়ের ছোট্ট একটি সফটওয়্যার ত্রুটি কীভাবে পুরো একটি দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে স্থবির করে দিতে পারে, তার এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখল বিশ্ব। ব্রিটিশ ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেসের (ন্যাটস) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কোডিংয়ে লুকিয়ে থাকা অতি ক্ষুদ্র এক ভুলের কারণেই সৃষ্টি হয়েছিল এ বিশাল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিপর্যয়।
এই কারিগরি ত্রুটির জেরে বাধ্য হয়ে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিমান পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোকে। মাত্র কয়েক মিলি-সেকেন্ডের এ টেকনিক্যাল গোলযোগের কারণে ব্রিটেনের আকাশসীমায় টানা ছয় ঘণ্টা কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রাখতে হয়, আর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সময় লেগে যায় দুই দিনেরও বেশি। শুধু অভ্যন্তরীণ যোগাযোগই নয়, এর জেরে সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় বিমান চলাচলেও তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচলের মূল নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ন্যাশনাল এয়ারস্পেস সিস্টেমে একটি সাধারণ কাজের মাধ্যমে। যখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্মীরা ম্যানুয়ালি একটি বিমানের আইডেন্টিফিকেশন কোডের জন্য অনুরোধ পাঠাচ্ছিলেন, ঠিক সে সময়ই সিস্টেমে তার চেয়েও বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া অন্য একটি জরুরি বার্তা এসে পৌঁছায়। এর ফলে কোড চাওয়ার সাধারণ কাজটি সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
কিন্তু সেই জরুরি কাজ শেষ হওয়ার পর আগের স্থগিত কাজটি নিয়ম অনুযায়ী আবার চালু হওয়ার কথা থাকলেও সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণে তা আর সঠিকভাবে শুরু হতে পারেনি। এর ফলে তথ্যে বৈষম্য দেখা দেয় এবং পরবর্তী ফ্লাইট সম্পর্কিত ডেটাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনাটি ঘটতে এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময় লাগলেও এর পরিণতি ছিল মারাত্মক। বিমানে যেকোনো ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে ন্যাটস সঙ্গে সঙ্গে আকাশসীমায় কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করে এবং সিস্টেম রিলোড দিয়ে পুনরায় চালু করতে বাধ্য হয়।
নিরাপত্তা রক্ষায় নেওয়া এ সাময়িক কড়াকড়ির নেতিবাচক প্রভাব মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাজ্যের পুরো বিমান নেটওয়ার্কে। বিমান চলাচল নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য বলছে, সংকটের প্রথম দিনেই আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলে ১ হাজার ৭৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল। পরের দিনও এই অচলাবস্থার রেশ কাটেনি, বরং আরও ৩৯৯টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ১৪৫টিতে। বিমান পরিবহন খাতের প্রধান সংস্থা এয়ারলাইন্স ইউকে জানিয়েছে, এ আকস্মিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
এদের মধ্যে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি যাত্রী ফ্লাইট বাতিলের ভোগান্তিতে পড়েন এবং বাকি ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি যাত্রী বিমানবন্দরের টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছেন দীর্ঘ বিলম্বের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে।
এ ঘটনায় শুধু ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকেই প্রায় সাড়ে চারশ ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল, যার জেরে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন তাদের প্রায় ৮৫ হাজার নিয়মিত যাত্রী। যদিও ছয় ঘণ্টা পর সিস্টেম পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছিল, তবুও বিমানের অবস্থান এলোমেলো হয়ে যাওয়া এবং ক্রু সদস্যদের সঠিক স্থানে না থাকায় পরবর্তী দুই দিন পুরো শিডিউল ঠিক রাখতে এয়ারলাইন্সগুলোকে চরম বেগ পেতে হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময়ের ছোট্ট একটি সফটওয়্যার ত্রুটি কীভাবে পুরো একটি দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে স্থবির করে দিতে পারে, তার এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখল বিশ্ব। ব্রিটিশ ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেসের (ন্যাটস) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কোডিংয়ে লুকিয়ে থাকা অতি ক্ষুদ্র এক ভুলের কারণেই সৃষ্টি হয়েছিল এ বিশাল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিপর্যয়।
এই কারিগরি ত্রুটির জেরে বাধ্য হয়ে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিমান পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোকে। মাত্র কয়েক মিলি-সেকেন্ডের এ টেকনিক্যাল গোলযোগের কারণে ব্রিটেনের আকাশসীমায় টানা ছয় ঘণ্টা কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রাখতে হয়, আর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সময় লেগে যায় দুই দিনেরও বেশি। শুধু অভ্যন্তরীণ যোগাযোগই নয়, এর জেরে সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় বিমান চলাচলেও তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচলের মূল নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ন্যাশনাল এয়ারস্পেস সিস্টেমে একটি সাধারণ কাজের মাধ্যমে। যখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্মীরা ম্যানুয়ালি একটি বিমানের আইডেন্টিফিকেশন কোডের জন্য অনুরোধ পাঠাচ্ছিলেন, ঠিক সে সময়ই সিস্টেমে তার চেয়েও বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া অন্য একটি জরুরি বার্তা এসে পৌঁছায়। এর ফলে কোড চাওয়ার সাধারণ কাজটি সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
কিন্তু সেই জরুরি কাজ শেষ হওয়ার পর আগের স্থগিত কাজটি নিয়ম অনুযায়ী আবার চালু হওয়ার কথা থাকলেও সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণে তা আর সঠিকভাবে শুরু হতে পারেনি। এর ফলে তথ্যে বৈষম্য দেখা দেয় এবং পরবর্তী ফ্লাইট সম্পর্কিত ডেটাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনাটি ঘটতে এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময় লাগলেও এর পরিণতি ছিল মারাত্মক। বিমানে যেকোনো ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে ন্যাটস সঙ্গে সঙ্গে আকাশসীমায় কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করে এবং সিস্টেম রিলোড দিয়ে পুনরায় চালু করতে বাধ্য হয়।
নিরাপত্তা রক্ষায় নেওয়া এ সাময়িক কড়াকড়ির নেতিবাচক প্রভাব মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাজ্যের পুরো বিমান নেটওয়ার্কে। বিমান চলাচল নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য বলছে, সংকটের প্রথম দিনেই আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলে ১ হাজার ৭৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল। পরের দিনও এই অচলাবস্থার রেশ কাটেনি, বরং আরও ৩৯৯টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ১৪৫টিতে। বিমান পরিবহন খাতের প্রধান সংস্থা এয়ারলাইন্স ইউকে জানিয়েছে, এ আকস্মিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
এদের মধ্যে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি যাত্রী ফ্লাইট বাতিলের ভোগান্তিতে পড়েন এবং বাকি ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি যাত্রী বিমানবন্দরের টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছেন দীর্ঘ বিলম্বের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে।
এ ঘটনায় শুধু ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকেই প্রায় সাড়ে চারশ ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল, যার জেরে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন তাদের প্রায় ৮৫ হাজার নিয়মিত যাত্রী। যদিও ছয় ঘণ্টা পর সিস্টেম পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছিল, তবুও বিমানের অবস্থান এলোমেলো হয়ে যাওয়া এবং ক্রু সদস্যদের সঠিক স্থানে না থাকায় পরবর্তী দুই দিন পুরো শিডিউল ঠিক রাখতে এয়ারলাইন্সগুলোকে চরম বেগ পেতে হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

মিলি সেকেন্ডের ত্রুটিতে যুক্তরাজ্যে হাজারো ফ্লাইট বাতিল
সিজেডএন ডেস্ক

এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময়ের ছোট্ট একটি সফটওয়্যার ত্রুটি কীভাবে পুরো একটি দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে স্থবির করে দিতে পারে, তার এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখল বিশ্ব। ব্রিটিশ ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেসের (ন্যাটস) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কোডিংয়ে লুকিয়ে থাকা অতি ক্ষুদ্র এক ভুলের কারণেই সৃষ্টি হয়েছিল এ বিশাল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিপর্যয়।
এই কারিগরি ত্রুটির জেরে বাধ্য হয়ে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিমান পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোকে। মাত্র কয়েক মিলি-সেকেন্ডের এ টেকনিক্যাল গোলযোগের কারণে ব্রিটেনের আকাশসীমায় টানা ছয় ঘণ্টা কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রাখতে হয়, আর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সময় লেগে যায় দুই দিনেরও বেশি। শুধু অভ্যন্তরীণ যোগাযোগই নয়, এর জেরে সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় বিমান চলাচলেও তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচলের মূল নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ন্যাশনাল এয়ারস্পেস সিস্টেমে একটি সাধারণ কাজের মাধ্যমে। যখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্মীরা ম্যানুয়ালি একটি বিমানের আইডেন্টিফিকেশন কোডের জন্য অনুরোধ পাঠাচ্ছিলেন, ঠিক সে সময়ই সিস্টেমে তার চেয়েও বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া অন্য একটি জরুরি বার্তা এসে পৌঁছায়। এর ফলে কোড চাওয়ার সাধারণ কাজটি সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
কিন্তু সেই জরুরি কাজ শেষ হওয়ার পর আগের স্থগিত কাজটি নিয়ম অনুযায়ী আবার চালু হওয়ার কথা থাকলেও সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণে তা আর সঠিকভাবে শুরু হতে পারেনি। এর ফলে তথ্যে বৈষম্য দেখা দেয় এবং পরবর্তী ফ্লাইট সম্পর্কিত ডেটাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনাটি ঘটতে এক মিলি-সেকেন্ডেরও কম সময় লাগলেও এর পরিণতি ছিল মারাত্মক। বিমানে যেকোনো ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে ন্যাটস সঙ্গে সঙ্গে আকাশসীমায় কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করে এবং সিস্টেম রিলোড দিয়ে পুনরায় চালু করতে বাধ্য হয়।
নিরাপত্তা রক্ষায় নেওয়া এ সাময়িক কড়াকড়ির নেতিবাচক প্রভাব মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাজ্যের পুরো বিমান নেটওয়ার্কে। বিমান চলাচল নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য বলছে, সংকটের প্রথম দিনেই আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলে ১ হাজার ৭৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল। পরের দিনও এই অচলাবস্থার রেশ কাটেনি, বরং আরও ৩৯৯টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ১৪৫টিতে। বিমান পরিবহন খাতের প্রধান সংস্থা এয়ারলাইন্স ইউকে জানিয়েছে, এ আকস্মিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
এদের মধ্যে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি যাত্রী ফ্লাইট বাতিলের ভোগান্তিতে পড়েন এবং বাকি ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি যাত্রী বিমানবন্দরের টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছেন দীর্ঘ বিলম্বের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে।
এ ঘটনায় শুধু ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকেই প্রায় সাড়ে চারশ ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল, যার জেরে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন তাদের প্রায় ৮৫ হাজার নিয়মিত যাত্রী। যদিও ছয় ঘণ্টা পর সিস্টেম পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছিল, তবুও বিমানের অবস্থান এলোমেলো হয়ে যাওয়া এবং ক্রু সদস্যদের সঠিক স্থানে না থাকায় পরবর্তী দুই দিন পুরো শিডিউল ঠিক রাখতে এয়ারলাইন্সগুলোকে চরম বেগ পেতে হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যে আটকে থাকা ভেনেজুয়েলার ৪ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ 







