অভিবাসী ঠেকাতে এবার ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে স্পেন

অভিবাসী ঠেকাতে এবার ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে স্পেন
সিজেডএন ডেস্ক

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় সাগরপথে আসা অভিবাসীর ঢল ঠেকাতে ভাসমান প্রতিবন্ধক (ফ্লোটিং ব্যারিয়ার) স্থাপন করা হচ্ছে। মরক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী স্থানে সাগরে এই প্রতিবন্ধক বসছে বলে জানিয়েছে স্পেনের কর্তৃপক্ষ।
উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ছিটমহল হিসেবে পরিচিত সেউতা থেকে অধিকাংশ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পর শনিবার (১ আগস্ট) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দি।
তবে যারা এখনো সেউতায় রয়ে গেছেন এবং পুলিশ ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতার চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে আনুমানিক ৫০-৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও শত শত অভিবাসী সারা রাত ধরে ছিটমহলটি ছেড়ে চলে যান।
সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে নিযুক্ত স্পেন সরকারের একজন গণমাধ্যম কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
সেউতার এ সংকটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০টির বেশি সদস্যদেশ ইউরোপীয় কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানায়। একই সময় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও কমিশনকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি তার সরকারের অভিবাসন নীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের ‘স্বার্থপর’ বলে আখ্যায়িত করেন।
এ পর্যন্ত স্পেন সরকার মূলত মরক্কোর সঙ্গে সেউতার সীমান্ত আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দিয়েছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, সমুদ্রে ভাসমান বয়া বসিয়ে সীমান্তে অন্তত দৃশ্যমান একটি প্রতিবন্ধক তৈরি করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কাঠামোটি ৫০০ মিটার (প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট) দীর্ঘ এবং বাতাস দিয়ে ফোলানো যায় এমন একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক। এটি পানির নিচে সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর বাইরে স্পেনের নৌবাহিনী নোঙর করা বয়ার আরেকটি সারি বসিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকারবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা জুডিথ সান্ডারল্যান্ড বলেন, স্পেনের এ পরিকল্পনা উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে। প্রতিবন্ধকটি সাঁতরে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ কীভাবে লোকজনকে থামাবে, তা কল্পনা করা কঠিন।
তিনি ২০১৪ সালের একটি ঘটনার কথাও মনে করিয়ে দেন। তখন সেউতায় সাগরপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করা একদল অভিবাসীর দিকে স্পেনের সিভিল গার্ড রাবারের গুলি ছোড়ে। ওই ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় সাগরপথে আসা অভিবাসীর ঢল ঠেকাতে ভাসমান প্রতিবন্ধক (ফ্লোটিং ব্যারিয়ার) স্থাপন করা হচ্ছে। মরক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী স্থানে সাগরে এই প্রতিবন্ধক বসছে বলে জানিয়েছে স্পেনের কর্তৃপক্ষ।
উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ছিটমহল হিসেবে পরিচিত সেউতা থেকে অধিকাংশ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পর শনিবার (১ আগস্ট) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দি।
তবে যারা এখনো সেউতায় রয়ে গেছেন এবং পুলিশ ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতার চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে আনুমানিক ৫০-৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও শত শত অভিবাসী সারা রাত ধরে ছিটমহলটি ছেড়ে চলে যান।
সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে নিযুক্ত স্পেন সরকারের একজন গণমাধ্যম কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
সেউতার এ সংকটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০টির বেশি সদস্যদেশ ইউরোপীয় কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানায়। একই সময় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও কমিশনকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি তার সরকারের অভিবাসন নীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের ‘স্বার্থপর’ বলে আখ্যায়িত করেন।
এ পর্যন্ত স্পেন সরকার মূলত মরক্কোর সঙ্গে সেউতার সীমান্ত আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দিয়েছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, সমুদ্রে ভাসমান বয়া বসিয়ে সীমান্তে অন্তত দৃশ্যমান একটি প্রতিবন্ধক তৈরি করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কাঠামোটি ৫০০ মিটার (প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট) দীর্ঘ এবং বাতাস দিয়ে ফোলানো যায় এমন একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক। এটি পানির নিচে সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর বাইরে স্পেনের নৌবাহিনী নোঙর করা বয়ার আরেকটি সারি বসিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকারবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা জুডিথ সান্ডারল্যান্ড বলেন, স্পেনের এ পরিকল্পনা উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে। প্রতিবন্ধকটি সাঁতরে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ কীভাবে লোকজনকে থামাবে, তা কল্পনা করা কঠিন।
তিনি ২০১৪ সালের একটি ঘটনার কথাও মনে করিয়ে দেন। তখন সেউতায় সাগরপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করা একদল অভিবাসীর দিকে স্পেনের সিভিল গার্ড রাবারের গুলি ছোড়ে। ওই ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

অভিবাসী ঠেকাতে এবার ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে স্পেন
সিজেডএন ডেস্ক

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় সাগরপথে আসা অভিবাসীর ঢল ঠেকাতে ভাসমান প্রতিবন্ধক (ফ্লোটিং ব্যারিয়ার) স্থাপন করা হচ্ছে। মরক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী স্থানে সাগরে এই প্রতিবন্ধক বসছে বলে জানিয়েছে স্পেনের কর্তৃপক্ষ।
উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ছিটমহল হিসেবে পরিচিত সেউতা থেকে অধিকাংশ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পর শনিবার (১ আগস্ট) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দি।
তবে যারা এখনো সেউতায় রয়ে গেছেন এবং পুলিশ ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতার চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে আনুমানিক ৫০-৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও শত শত অভিবাসী সারা রাত ধরে ছিটমহলটি ছেড়ে চলে যান।
সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে নিযুক্ত স্পেন সরকারের একজন গণমাধ্যম কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
সেউতার এ সংকটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০টির বেশি সদস্যদেশ ইউরোপীয় কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানায়। একই সময় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও কমিশনকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি তার সরকারের অভিবাসন নীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের ‘স্বার্থপর’ বলে আখ্যায়িত করেন।
এ পর্যন্ত স্পেন সরকার মূলত মরক্কোর সঙ্গে সেউতার সীমান্ত আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দিয়েছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, সমুদ্রে ভাসমান বয়া বসিয়ে সীমান্তে অন্তত দৃশ্যমান একটি প্রতিবন্ধক তৈরি করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কাঠামোটি ৫০০ মিটার (প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট) দীর্ঘ এবং বাতাস দিয়ে ফোলানো যায় এমন একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক। এটি পানির নিচে সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর বাইরে স্পেনের নৌবাহিনী নোঙর করা বয়ার আরেকটি সারি বসিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকারবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা জুডিথ সান্ডারল্যান্ড বলেন, স্পেনের এ পরিকল্পনা উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে। প্রতিবন্ধকটি সাঁতরে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ কীভাবে লোকজনকে থামাবে, তা কল্পনা করা কঠিন।
তিনি ২০১৪ সালের একটি ঘটনার কথাও মনে করিয়ে দেন। তখন সেউতায় সাগরপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করা একদল অভিবাসীর দিকে স্পেনের সিভিল গার্ড রাবারের গুলি ছোড়ে। ওই ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

স্পেন থেকে মরক্কো ফিরে যাচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা







