সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে পিয়ংইয়ংকে আলোচনার প্রস্তাব সিউলের

সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে পিয়ংইয়ংকে আলোচনার প্রস্তাব সিউলের
সিজেডএন ডেস্ক

সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার দিকে শান্তির হাত বাড়িয়ে দিলো দক্ষিণ কোরিয়া। অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত এড়াতে এবং অচল হয়ে পড়া সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা আবার চালুর লক্ষ্যে পিয়ংইয়ংকে সামরিক পর্যায়ের আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে সিউল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের কথা প্রকাশ করা হয়। দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির উপমন্ত্রী কিম হং-চোয়েল বলেন, আলোচনায় স্থলভিত্তিক সামরিক সীমারেখার সঠিক অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঝুঁকি কমানোর বিষয়েও আলোচনা করতে চায় সিউল।
তবে সিউলের এ আহ্বানে কিম জং-উনের প্রশাসন আদৌ সাড়া দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় থেকে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অত্যন্ত কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন পিয়ংইয়ংয়ের শাসক। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব ধরণের যৌথ কার্যক্রম ও কূটনৈতিক সংলাপ।
অন্যদিকে সীমান্তজুড়ে পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক তৎপরতা এখন চরমে। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনের বোন কিম ইয়ো-জং বুধবার (২১ অক্টোবর) জানিয়েছেন, নতুন সামরিক ইউনিটগুলোকে সীমান্তের কাছাকাছি গোলাবর্ষণের অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চলমান উত্তেজনা প্রশমনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মায়ুং উত্তর কোরিয়াকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে সেই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পরিবর্তে প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছেন কিম ইয়ো-জং। তিনি একে ‘চূড়ান্ত নাটকবাজি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার দিকে শান্তির হাত বাড়িয়ে দিলো দক্ষিণ কোরিয়া। অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত এড়াতে এবং অচল হয়ে পড়া সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা আবার চালুর লক্ষ্যে পিয়ংইয়ংকে সামরিক পর্যায়ের আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে সিউল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের কথা প্রকাশ করা হয়। দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির উপমন্ত্রী কিম হং-চোয়েল বলেন, আলোচনায় স্থলভিত্তিক সামরিক সীমারেখার সঠিক অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঝুঁকি কমানোর বিষয়েও আলোচনা করতে চায় সিউল।
তবে সিউলের এ আহ্বানে কিম জং-উনের প্রশাসন আদৌ সাড়া দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় থেকে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অত্যন্ত কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন পিয়ংইয়ংয়ের শাসক। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব ধরণের যৌথ কার্যক্রম ও কূটনৈতিক সংলাপ।
অন্যদিকে সীমান্তজুড়ে পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক তৎপরতা এখন চরমে। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনের বোন কিম ইয়ো-জং বুধবার (২১ অক্টোবর) জানিয়েছেন, নতুন সামরিক ইউনিটগুলোকে সীমান্তের কাছাকাছি গোলাবর্ষণের অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চলমান উত্তেজনা প্রশমনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মায়ুং উত্তর কোরিয়াকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে সেই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পরিবর্তে প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছেন কিম ইয়ো-জং। তিনি একে ‘চূড়ান্ত নাটকবাজি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে পিয়ংইয়ংকে আলোচনার প্রস্তাব সিউলের
সিজেডএন ডেস্ক

সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার দিকে শান্তির হাত বাড়িয়ে দিলো দক্ষিণ কোরিয়া। অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত এড়াতে এবং অচল হয়ে পড়া সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা আবার চালুর লক্ষ্যে পিয়ংইয়ংকে সামরিক পর্যায়ের আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে সিউল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের কথা প্রকাশ করা হয়। দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির উপমন্ত্রী কিম হং-চোয়েল বলেন, আলোচনায় স্থলভিত্তিক সামরিক সীমারেখার সঠিক অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঝুঁকি কমানোর বিষয়েও আলোচনা করতে চায় সিউল।
তবে সিউলের এ আহ্বানে কিম জং-উনের প্রশাসন আদৌ সাড়া দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় থেকে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অত্যন্ত কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন পিয়ংইয়ংয়ের শাসক। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব ধরণের যৌথ কার্যক্রম ও কূটনৈতিক সংলাপ।
অন্যদিকে সীমান্তজুড়ে পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক তৎপরতা এখন চরমে। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনের বোন কিম ইয়ো-জং বুধবার (২১ অক্টোবর) জানিয়েছেন, নতুন সামরিক ইউনিটগুলোকে সীমান্তের কাছাকাছি গোলাবর্ষণের অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চলমান উত্তেজনা প্রশমনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মায়ুং উত্তর কোরিয়াকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে সেই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পরিবর্তে প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছেন কিম ইয়ো-জং। তিনি একে ‘চূড়ান্ত নাটকবাজি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া







