মাল্টা চাষে সচ্ছলতার স্বপ্ন

মাল্টা চাষে সচ্ছলতার স্বপ্ন
মোহাম্মদ শাহীনুর রহমান, পাবনা

ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। স্বাদে-মানেও কমতি নেই বিদেশি মাল্টার চেয়ে। পাবনায় দুই বিঘা জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা শারমিন খাতুন। তিনি এ বছর মাল্টা বিক্রি করে ৪ লাখ টাকার আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।
শারমিন খাতুনের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের হোগলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. আব্দুল খালেকের স্ত্রী।
শারমিন খাতুনের বাগানের মাল্টা সবুজ বর্ণের। তবে অস্ট্রেলিয়ার হলুদ বর্ণের মাল্টাও চাষ করেছেন তিনি। তার উৎপাদিত মাল্টা স্থানীয় বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে।
১৯ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী। নিজের সম্বল বলতে শুধু বসতভিটা। নেই আবাদি জমি। সংসারের কাজের পাশাপাশি ইচ্ছা ছিল তার কিছু করার। এছাড়া, স্বামী বিদেশে থাকেন। সেখান থেকে দেশে এসে কী করবেন, সেই ভাবনা থেকে জমি লিজ নিয়ে মাল্টার আবাদ করেছেন। আর তাতেই শারমিন পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য।
শুরুর গল্পটা ২০২০ সালের দিকে। করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে শারমিন খাতুন কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। নতুন এক চ্যালেঞ্জ নেন। তিনি জানান, গতানুগতিক কিছু করতে চাইনি। মূলত মাল্টার চাষাবাদ করতে চেয়েছিলাম, যেন বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। সেই চিন্তা থেকেই মাল্টা চাষের পরিকল্পনা করি।
আলাপকালে জানান, আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। তিনি যেন দেশে এসে বেকার না থাকেন, সেই চিন্তা থেকেই মাল্টার বাগান করি। লিজ নেওয়া ২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলি ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান। ২০২৩ সালে প্রথম ফলন আসা শুরু হয়। সেই বছর বিক্রি করতে পারিনি। তবে ২০২৫ সাল থেকে ভরপুর ফলন আসছে। সব খরচ বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ সালে লাভ হয় ২ লাখ টাকার বেশি।
শারমিন খাতুনের মাল্টা বাগান দেখতে মানুষ ভিড় করেন দলে দলে। কেউ জানছেন চাষ পদ্ধতি, কেউ শুনছেন লাভের হিসাব। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, শুরুর দিকে মাল্টার বাগান করা নিয়ে আশপাশের অনেকেই কটাক্ষ করেছে। তারপরও থেমে যাইনি। বরং স্বপ্ন ছিল সফল হওয়ার। তার মতে, মাল্টা সবুজ বর্ণের হওয়ায় কিছুটা দাম কম। সেইজন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলুদ জাতের নতুন মাল্টার বাগান করেছি।
সমতলে মাল্টা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে জানিয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ জানান, চাটমোহর উপজেলায় বেশ কেয়েকটি মাল্টার বাগান গড়ে উটেছে। তবে শারমিন খাতুন যে সফলতা পেয়েছেন তা অনন্য। মূলত ভিয়েতনামী জাতের মাল্টা সারা বছরই ফলন দেয়। রস ও মিষ্টতাও অন্য জাতের তুলনায় বেশি।
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ বলেন, শারমিন খাতুনকে মাল্টা চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ফল মেলায় মাল্টা প্রদর্শন করার পর অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আশা করছি, উপজেলায় দিন দিন মালটা চাষ সম্পসারিত হবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চাটমোহর উপজেলায় ১৫ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাল্টা চাষে সফলতা পেয়েছেন ২৩ থেকে ২৪ জন কৃষক।

ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। স্বাদে-মানেও কমতি নেই বিদেশি মাল্টার চেয়ে। পাবনায় দুই বিঘা জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা শারমিন খাতুন। তিনি এ বছর মাল্টা বিক্রি করে ৪ লাখ টাকার আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।
শারমিন খাতুনের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের হোগলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. আব্দুল খালেকের স্ত্রী।
শারমিন খাতুনের বাগানের মাল্টা সবুজ বর্ণের। তবে অস্ট্রেলিয়ার হলুদ বর্ণের মাল্টাও চাষ করেছেন তিনি। তার উৎপাদিত মাল্টা স্থানীয় বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে।
১৯ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী। নিজের সম্বল বলতে শুধু বসতভিটা। নেই আবাদি জমি। সংসারের কাজের পাশাপাশি ইচ্ছা ছিল তার কিছু করার। এছাড়া, স্বামী বিদেশে থাকেন। সেখান থেকে দেশে এসে কী করবেন, সেই ভাবনা থেকে জমি লিজ নিয়ে মাল্টার আবাদ করেছেন। আর তাতেই শারমিন পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য।
শুরুর গল্পটা ২০২০ সালের দিকে। করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে শারমিন খাতুন কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। নতুন এক চ্যালেঞ্জ নেন। তিনি জানান, গতানুগতিক কিছু করতে চাইনি। মূলত মাল্টার চাষাবাদ করতে চেয়েছিলাম, যেন বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। সেই চিন্তা থেকেই মাল্টা চাষের পরিকল্পনা করি।
আলাপকালে জানান, আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। তিনি যেন দেশে এসে বেকার না থাকেন, সেই চিন্তা থেকেই মাল্টার বাগান করি। লিজ নেওয়া ২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলি ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান। ২০২৩ সালে প্রথম ফলন আসা শুরু হয়। সেই বছর বিক্রি করতে পারিনি। তবে ২০২৫ সাল থেকে ভরপুর ফলন আসছে। সব খরচ বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ সালে লাভ হয় ২ লাখ টাকার বেশি।
শারমিন খাতুনের মাল্টা বাগান দেখতে মানুষ ভিড় করেন দলে দলে। কেউ জানছেন চাষ পদ্ধতি, কেউ শুনছেন লাভের হিসাব। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, শুরুর দিকে মাল্টার বাগান করা নিয়ে আশপাশের অনেকেই কটাক্ষ করেছে। তারপরও থেমে যাইনি। বরং স্বপ্ন ছিল সফল হওয়ার। তার মতে, মাল্টা সবুজ বর্ণের হওয়ায় কিছুটা দাম কম। সেইজন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলুদ জাতের নতুন মাল্টার বাগান করেছি।
সমতলে মাল্টা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে জানিয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ জানান, চাটমোহর উপজেলায় বেশ কেয়েকটি মাল্টার বাগান গড়ে উটেছে। তবে শারমিন খাতুন যে সফলতা পেয়েছেন তা অনন্য। মূলত ভিয়েতনামী জাতের মাল্টা সারা বছরই ফলন দেয়। রস ও মিষ্টতাও অন্য জাতের তুলনায় বেশি।
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ বলেন, শারমিন খাতুনকে মাল্টা চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ফল মেলায় মাল্টা প্রদর্শন করার পর অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আশা করছি, উপজেলায় দিন দিন মালটা চাষ সম্পসারিত হবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চাটমোহর উপজেলায় ১৫ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাল্টা চাষে সফলতা পেয়েছেন ২৩ থেকে ২৪ জন কৃষক।

মাল্টা চাষে সচ্ছলতার স্বপ্ন
মোহাম্মদ শাহীনুর রহমান, পাবনা

ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। স্বাদে-মানেও কমতি নেই বিদেশি মাল্টার চেয়ে। পাবনায় দুই বিঘা জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা শারমিন খাতুন। তিনি এ বছর মাল্টা বিক্রি করে ৪ লাখ টাকার আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।
শারমিন খাতুনের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের হোগলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. আব্দুল খালেকের স্ত্রী।
শারমিন খাতুনের বাগানের মাল্টা সবুজ বর্ণের। তবে অস্ট্রেলিয়ার হলুদ বর্ণের মাল্টাও চাষ করেছেন তিনি। তার উৎপাদিত মাল্টা স্থানীয় বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে।
১৯ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী। নিজের সম্বল বলতে শুধু বসতভিটা। নেই আবাদি জমি। সংসারের কাজের পাশাপাশি ইচ্ছা ছিল তার কিছু করার। এছাড়া, স্বামী বিদেশে থাকেন। সেখান থেকে দেশে এসে কী করবেন, সেই ভাবনা থেকে জমি লিজ নিয়ে মাল্টার আবাদ করেছেন। আর তাতেই শারমিন পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য।
শুরুর গল্পটা ২০২০ সালের দিকে। করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে শারমিন খাতুন কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। নতুন এক চ্যালেঞ্জ নেন। তিনি জানান, গতানুগতিক কিছু করতে চাইনি। মূলত মাল্টার চাষাবাদ করতে চেয়েছিলাম, যেন বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। সেই চিন্তা থেকেই মাল্টা চাষের পরিকল্পনা করি।
আলাপকালে জানান, আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। তিনি যেন দেশে এসে বেকার না থাকেন, সেই চিন্তা থেকেই মাল্টার বাগান করি। লিজ নেওয়া ২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলি ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান। ২০২৩ সালে প্রথম ফলন আসা শুরু হয়। সেই বছর বিক্রি করতে পারিনি। তবে ২০২৫ সাল থেকে ভরপুর ফলন আসছে। সব খরচ বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ সালে লাভ হয় ২ লাখ টাকার বেশি।
শারমিন খাতুনের মাল্টা বাগান দেখতে মানুষ ভিড় করেন দলে দলে। কেউ জানছেন চাষ পদ্ধতি, কেউ শুনছেন লাভের হিসাব। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, শুরুর দিকে মাল্টার বাগান করা নিয়ে আশপাশের অনেকেই কটাক্ষ করেছে। তারপরও থেমে যাইনি। বরং স্বপ্ন ছিল সফল হওয়ার। তার মতে, মাল্টা সবুজ বর্ণের হওয়ায় কিছুটা দাম কম। সেইজন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলুদ জাতের নতুন মাল্টার বাগান করেছি।
সমতলে মাল্টা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে জানিয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ জানান, চাটমোহর উপজেলায় বেশ কেয়েকটি মাল্টার বাগান গড়ে উটেছে। তবে শারমিন খাতুন যে সফলতা পেয়েছেন তা অনন্য। মূলত ভিয়েতনামী জাতের মাল্টা সারা বছরই ফলন দেয়। রস ও মিষ্টতাও অন্য জাতের তুলনায় বেশি।
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ বলেন, শারমিন খাতুনকে মাল্টা চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ফল মেলায় মাল্টা প্রদর্শন করার পর অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আশা করছি, উপজেলায় দিন দিন মালটা চাষ সম্পসারিত হবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চাটমোহর উপজেলায় ১৫ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাল্টা চাষে সফলতা পেয়েছেন ২৩ থেকে ২৪ জন কৃষক।









