ইরান যুদ্ধ: নিউইয়র্কে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ: নিউইয়র্কে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তিনটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পরিকল্পনা বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পাবে। বর্তমানে ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ পরিকল্পনাটি নিয়ে কাজ করছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনের পর এটি পুরোপুরি চূড়ান্ত করা হবে।
অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতা কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বৈঠকের প্রাথমিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। এ আয়োজনে অন্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষনেতাদেরও যুক্ত করা হতে পারে বলে একটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। ইসরায়েলি একটি সূত্র জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে এ ধরনের কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি।
গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। সে সময় তিনি গাজা যুদ্ধের অবসানে তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার খসড়া সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন, যার ঠিক এক সপ্তাহ পর সেটি প্রকাশ করা হয় এবং অল্পদিনের মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বর্তমান বৈঠকের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনীতির বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় সংঘাতের জেরে তারা ইরানের বড় ধরনের হামলার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
বুধবার ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, ‘আশা করছি, আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে রয়েছি।’ সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান একটি চুক্তি করতে চাইছে এবং এ বিষয়ে তেহরানের কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে পুরো বিষয়টিতে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তিনটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পরিকল্পনা বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পাবে। বর্তমানে ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ পরিকল্পনাটি নিয়ে কাজ করছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনের পর এটি পুরোপুরি চূড়ান্ত করা হবে।
অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতা কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বৈঠকের প্রাথমিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। এ আয়োজনে অন্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষনেতাদেরও যুক্ত করা হতে পারে বলে একটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। ইসরায়েলি একটি সূত্র জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে এ ধরনের কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি।
গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। সে সময় তিনি গাজা যুদ্ধের অবসানে তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার খসড়া সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন, যার ঠিক এক সপ্তাহ পর সেটি প্রকাশ করা হয় এবং অল্পদিনের মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বর্তমান বৈঠকের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনীতির বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় সংঘাতের জেরে তারা ইরানের বড় ধরনের হামলার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
বুধবার ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, ‘আশা করছি, আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে রয়েছি।’ সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান একটি চুক্তি করতে চাইছে এবং এ বিষয়ে তেহরানের কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে পুরো বিষয়টিতে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

ইরান যুদ্ধ: নিউইয়র্কে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তিনটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পরিকল্পনা বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পাবে। বর্তমানে ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ পরিকল্পনাটি নিয়ে কাজ করছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনের পর এটি পুরোপুরি চূড়ান্ত করা হবে।
অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতা কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বৈঠকের প্রাথমিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। এ আয়োজনে অন্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষনেতাদেরও যুক্ত করা হতে পারে বলে একটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। ইসরায়েলি একটি সূত্র জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে এ ধরনের কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি।
গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। সে সময় তিনি গাজা যুদ্ধের অবসানে তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার খসড়া সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন, যার ঠিক এক সপ্তাহ পর সেটি প্রকাশ করা হয় এবং অল্পদিনের মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বর্তমান বৈঠকের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনীতির বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় সংঘাতের জেরে তারা ইরানের বড় ধরনের হামলার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
বুধবার ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, ‘আশা করছি, আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে রয়েছি।’ সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান একটি চুক্তি করতে চাইছে এবং এ বিষয়ে তেহরানের কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে পুরো বিষয়টিতে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ভিডিও প্রকাশ হুতিদের







