পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে রগ কাটার অভিযোগ

পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে রগ কাটার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আবুল কালাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে শাহাদাত ও এমদাদুল নামে স্থানীয় দুই মাদক কারবারিকে পুলিশে ধরিয়ে দেন আবুল কালাম। এ ঘটনার পর মাদক কারবারি শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল বেশ কয়েক দিন ধরে আবুল কালামকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল ফোন করে আবুল কালামকে বাড়ির কাছের একটি নির্জন স্থানে ডেকে নেন। সেখানে শাহজালালসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে তার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয় এবং পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
আবুল কালামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, আহত আবুল কালাম বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত। ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসে তিনি হামলার শিকার হন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মাদক কারবার-সংশ্লিষ্ট কোনও বিষয়ে প্রতিবাদ করা কিংবা কাউকে ধরিয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হতে পারে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আবুল কালাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে শাহাদাত ও এমদাদুল নামে স্থানীয় দুই মাদক কারবারিকে পুলিশে ধরিয়ে দেন আবুল কালাম। এ ঘটনার পর মাদক কারবারি শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল বেশ কয়েক দিন ধরে আবুল কালামকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল ফোন করে আবুল কালামকে বাড়ির কাছের একটি নির্জন স্থানে ডেকে নেন। সেখানে শাহজালালসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে তার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয় এবং পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
আবুল কালামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, আহত আবুল কালাম বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত। ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসে তিনি হামলার শিকার হন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মাদক কারবার-সংশ্লিষ্ট কোনও বিষয়ে প্রতিবাদ করা কিংবা কাউকে ধরিয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হতে পারে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে রগ কাটার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আবুল কালাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে শাহাদাত ও এমদাদুল নামে স্থানীয় দুই মাদক কারবারিকে পুলিশে ধরিয়ে দেন আবুল কালাম। এ ঘটনার পর মাদক কারবারি শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল বেশ কয়েক দিন ধরে আবুল কালামকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল ফোন করে আবুল কালামকে বাড়ির কাছের একটি নির্জন স্থানে ডেকে নেন। সেখানে শাহজালালসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে তার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয় এবং পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
আবুল কালামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, আহত আবুল কালাম বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত। ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসে তিনি হামলার শিকার হন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মাদক কারবার-সংশ্লিষ্ট কোনও বিষয়ে প্রতিবাদ করা কিংবা কাউকে ধরিয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হতে পারে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খুলনায় বাড়ছে খুন-গুলির ঘটনা, ১২ দিনে প্রাণ গেল ৭ জনের







