মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ, তারপরও বেঁচে আছেন নারী

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ, তারপরও বেঁচে আছেন নারী
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে এক রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারীর শরীরে দুটি বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করা হলেও অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে আছেন। দ্রুতই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে নিজের এক সহপাঠীকে হত্যার দায়ে দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে কাটানোর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
ক্রিস্টিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পুরো বিষয়টি বিশ্বজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি বিষাক্ত ইনজেকশনের বদলে ফায়ারিং স্কোয়াডে অর্থাৎ গুলি করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে সে আবেদনে সাড়া না দিয়ে কর্তৃপক্ষ বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমেই দণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে দেশটির ষষ্ঠ আপিল বিভাগ এ কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্ট সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে দিলে তার শরীরে ইনজেকশন পুশ করা হয়। নাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রিস্টিনার শরীরে দুই সিরিঞ্জ বিষ প্রয়োগ করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রত্যক্ষ করার জন্য সেখানে বেশ কয়েকজন সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু প্রক্রিয়া চলাকালীন ক্রিস্টিনা যখন তীব্র ব্যথায় ছটফট করছিলেন ও গোঙাচ্ছিলেন, তখন প্রত্যক্ষদর্শীদের দ্রুত সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়।
ইনজেকশন পুশ করার পরও তার হার্ট সচল থাকে। ফলে আইনজীবীরা একটি জরুরি মোশন দাখিল করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ জানান। ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা জানান, পেনটোবারটিলা নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পর ক্রিস্টিয়া জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তার হার্ট সচল ছিল এবং তার গোঙানির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এ পরিস্থিতির পরেই তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় এবং বর্তমানে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে এক রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারীর শরীরে দুটি বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করা হলেও অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে আছেন। দ্রুতই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে নিজের এক সহপাঠীকে হত্যার দায়ে দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে কাটানোর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
ক্রিস্টিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পুরো বিষয়টি বিশ্বজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি বিষাক্ত ইনজেকশনের বদলে ফায়ারিং স্কোয়াডে অর্থাৎ গুলি করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে সে আবেদনে সাড়া না দিয়ে কর্তৃপক্ষ বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমেই দণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে দেশটির ষষ্ঠ আপিল বিভাগ এ কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্ট সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে দিলে তার শরীরে ইনজেকশন পুশ করা হয়। নাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রিস্টিনার শরীরে দুই সিরিঞ্জ বিষ প্রয়োগ করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রত্যক্ষ করার জন্য সেখানে বেশ কয়েকজন সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু প্রক্রিয়া চলাকালীন ক্রিস্টিনা যখন তীব্র ব্যথায় ছটফট করছিলেন ও গোঙাচ্ছিলেন, তখন প্রত্যক্ষদর্শীদের দ্রুত সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়।
ইনজেকশন পুশ করার পরও তার হার্ট সচল থাকে। ফলে আইনজীবীরা একটি জরুরি মোশন দাখিল করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ জানান। ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা জানান, পেনটোবারটিলা নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পর ক্রিস্টিয়া জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তার হার্ট সচল ছিল এবং তার গোঙানির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এ পরিস্থিতির পরেই তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় এবং বর্তমানে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ, তারপরও বেঁচে আছেন নারী
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে এক রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারীর শরীরে দুটি বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করা হলেও অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে আছেন। দ্রুতই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে নিজের এক সহপাঠীকে হত্যার দায়ে দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে কাটানোর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
ক্রিস্টিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পুরো বিষয়টি বিশ্বজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি বিষাক্ত ইনজেকশনের বদলে ফায়ারিং স্কোয়াডে অর্থাৎ গুলি করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে সে আবেদনে সাড়া না দিয়ে কর্তৃপক্ষ বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমেই দণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে দেশটির ষষ্ঠ আপিল বিভাগ এ কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্ট সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে দিলে তার শরীরে ইনজেকশন পুশ করা হয়। নাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রিস্টিনার শরীরে দুই সিরিঞ্জ বিষ প্রয়োগ করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রত্যক্ষ করার জন্য সেখানে বেশ কয়েকজন সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু প্রক্রিয়া চলাকালীন ক্রিস্টিনা যখন তীব্র ব্যথায় ছটফট করছিলেন ও গোঙাচ্ছিলেন, তখন প্রত্যক্ষদর্শীদের দ্রুত সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়।
ইনজেকশন পুশ করার পরও তার হার্ট সচল থাকে। ফলে আইনজীবীরা একটি জরুরি মোশন দাখিল করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ জানান। ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা জানান, পেনটোবারটিলা নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পর ক্রিস্টিয়া জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তার হার্ট সচল ছিল এবং তার গোঙানির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এ পরিস্থিতির পরেই তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় এবং বর্তমানে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

এআই ঝুঁকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র







