মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস পোপ লিও’র

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস পোপ লিও’র
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডাকযোগে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো পোপ হিসেবে মার্কিন কোনো নির্বাচনে এবং সম্ভবত যেকোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়ে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভ্যাটিকান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইতিহাস গড়া প্রথম আমেরিকান পোপ তার শিকাগোর ঠিকানায় ডাকযোগে ব্যালট জমা দিয়েছেন। পোপদের ইতিহাস নিয়ে একাধিক বইয়ের লেখক ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ মাইকেল ওয়ালশ ঘটনাটিকে নজিরবিহীন উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এর আগে কখনো কোনো পোপ গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
ভ্যাটিকানের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে, শিকাগোতে জন্ম নেওয়া এ পোপ তার বাপ্তিস্মের নাম ‘রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট’ হিসেবে নিউ লেনক্সের শিকাগো শহরতলিতে ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত রয়েছেন। তিনি যেহেতু জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তাই দেশের যেকোনো নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই। ২০২৫ সালের মে মাসে ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষকে নিজেদের নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। বেশ কয়েকটি ইস্যুতে বিশ্ব রাজনীতিতেও তাকে মতামত দিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের নীতি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তৈরি হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, পোপের পাঠানো ডাকব্যালটে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের সিনেটর, গভর্নর এবং প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনের ভোট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর আগে ধর্মীয় জীবনযাত্রার অংশ হিসেবে তিনি ২০১১ সালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড প্রথা বাতিলের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন গভর্নরকে ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
সূত্র: সিএনএন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডাকযোগে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো পোপ হিসেবে মার্কিন কোনো নির্বাচনে এবং সম্ভবত যেকোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়ে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভ্যাটিকান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইতিহাস গড়া প্রথম আমেরিকান পোপ তার শিকাগোর ঠিকানায় ডাকযোগে ব্যালট জমা দিয়েছেন। পোপদের ইতিহাস নিয়ে একাধিক বইয়ের লেখক ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ মাইকেল ওয়ালশ ঘটনাটিকে নজিরবিহীন উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এর আগে কখনো কোনো পোপ গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
ভ্যাটিকানের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে, শিকাগোতে জন্ম নেওয়া এ পোপ তার বাপ্তিস্মের নাম ‘রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট’ হিসেবে নিউ লেনক্সের শিকাগো শহরতলিতে ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত রয়েছেন। তিনি যেহেতু জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তাই দেশের যেকোনো নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই। ২০২৫ সালের মে মাসে ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষকে নিজেদের নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। বেশ কয়েকটি ইস্যুতে বিশ্ব রাজনীতিতেও তাকে মতামত দিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের নীতি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তৈরি হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, পোপের পাঠানো ডাকব্যালটে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের সিনেটর, গভর্নর এবং প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনের ভোট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর আগে ধর্মীয় জীবনযাত্রার অংশ হিসেবে তিনি ২০১১ সালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড প্রথা বাতিলের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন গভর্নরকে ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
সূত্র: সিএনএন

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস পোপ লিও’র
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডাকযোগে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো পোপ হিসেবে মার্কিন কোনো নির্বাচনে এবং সম্ভবত যেকোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়ে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভ্যাটিকান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইতিহাস গড়া প্রথম আমেরিকান পোপ তার শিকাগোর ঠিকানায় ডাকযোগে ব্যালট জমা দিয়েছেন। পোপদের ইতিহাস নিয়ে একাধিক বইয়ের লেখক ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ মাইকেল ওয়ালশ ঘটনাটিকে নজিরবিহীন উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এর আগে কখনো কোনো পোপ গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
ভ্যাটিকানের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে, শিকাগোতে জন্ম নেওয়া এ পোপ তার বাপ্তিস্মের নাম ‘রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট’ হিসেবে নিউ লেনক্সের শিকাগো শহরতলিতে ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত রয়েছেন। তিনি যেহেতু জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তাই দেশের যেকোনো নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই। ২০২৫ সালের মে মাসে ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষকে নিজেদের নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। বেশ কয়েকটি ইস্যুতে বিশ্ব রাজনীতিতেও তাকে মতামত দিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের নীতি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তৈরি হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, পোপের পাঠানো ডাকব্যালটে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের সিনেটর, গভর্নর এবং প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনের ভোট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর আগে ধর্মীয় জীবনযাত্রার অংশ হিসেবে তিনি ২০১১ সালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড প্রথা বাতিলের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন গভর্নরকে ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিভি লটারি’ স্থগিত






