বিশ্বজুড়ে উত্তেজনার মধ্যে জি-২০ জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু

বিশ্বজুড়ে উত্তেজনার মধ্যে জি-২০ জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জরুরি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছেন বিশ্ব অর্থনীতিতে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে দুই দিনব্যাপী জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জর্জিয়ার আটলান্টায় এ সমাবেশের আয়োজন করছেন। বৈঠকটিতে প্রধানত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতার ওপর জোর দেওয়া হবে। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানকে ঘিরে চলতে থাকা উত্তেজনার মতো আন্তর্জাতিক সংঘাতগুলো যখন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখনই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গাজা উপত্যকার সংকটময় পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা এবং কৌশলগত সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন তিনি।
অন্যদিকে রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান সের্গেই লাভরভ জি-২০ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সমতাভিত্তিক সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেবেন। একই সঙ্গে জি-২০ প্রক্রিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাদ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে মস্কো এবং জোহানেসবার্গের সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। মূলত জোহানেসবার্গ শীর্ষ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্র বর্জন করার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জরুরি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছেন বিশ্ব অর্থনীতিতে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে দুই দিনব্যাপী জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জর্জিয়ার আটলান্টায় এ সমাবেশের আয়োজন করছেন। বৈঠকটিতে প্রধানত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতার ওপর জোর দেওয়া হবে। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানকে ঘিরে চলতে থাকা উত্তেজনার মতো আন্তর্জাতিক সংঘাতগুলো যখন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখনই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গাজা উপত্যকার সংকটময় পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা এবং কৌশলগত সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন তিনি।
অন্যদিকে রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান সের্গেই লাভরভ জি-২০ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সমতাভিত্তিক সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেবেন। একই সঙ্গে জি-২০ প্রক্রিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাদ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে মস্কো এবং জোহানেসবার্গের সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। মূলত জোহানেসবার্গ শীর্ষ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্র বর্জন করার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

বিশ্বজুড়ে উত্তেজনার মধ্যে জি-২০ জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জরুরি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছেন বিশ্ব অর্থনীতিতে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে দুই দিনব্যাপী জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জর্জিয়ার আটলান্টায় এ সমাবেশের আয়োজন করছেন। বৈঠকটিতে প্রধানত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতার ওপর জোর দেওয়া হবে। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানকে ঘিরে চলতে থাকা উত্তেজনার মতো আন্তর্জাতিক সংঘাতগুলো যখন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখনই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গাজা উপত্যকার সংকটময় পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা এবং কৌশলগত সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন তিনি।
অন্যদিকে রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান সের্গেই লাভরভ জি-২০ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সমতাভিত্তিক সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেবেন। একই সঙ্গে জি-২০ প্রক্রিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাদ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে মস্কো এবং জোহানেসবার্গের সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। মূলত জোহানেসবার্গ শীর্ষ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্র বর্জন করার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিজেকে ব্রাজিলের ‘বৈধ নেতা’ দাবি বোলসোনারোর







