শিশুসহ ১৯১ জনের প্রাণহানি: কেনিয়ার ধর্মীয় নেতাকে ২০০ বছরের কারাদণ্ড

শিশুসহ ১৯১ জনের প্রাণহানি: কেনিয়ার ধর্মীয় নেতাকে ২০০ বছরের কারাদণ্ড
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ধর্মের নামে চরম অন্ধত্ব আর অনাহারে শিশুসহ ১৯১ জন অনুসারীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার মাশুল গুনতে হচ্ছে কেনিয়ার বিতর্কিত ধর্মীয় নেতা পল ম্যাকেঞ্জিকে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটির উপকূলীয় শহর মোম্বাসার হাইকোর্ট শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে মোট ২০০ বছরের কারাদণ্ড। তিনি গুড নিউজ ইন্টারন্যাশনাল চার্চের প্রাক্তন ধর্মপ্রচারক।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি ডায়ানা কাভেডজা মোচাচি জানান, দণ্ডগুলো ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে, যার ফলে দোষী সাব্যস্ত ম্যাকেঞ্জির মোট কারাদণ্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০০ বছর। আদালতের রায় অনুযায়ী, ১৯০ জন শিশুর মৃত্যুর দায়ভার নিশ্চিত হওয়ায় তাকে ১০০ বছর এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় আরও ১০০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব কেনিয়ার গহিন শাকাহোলা জঙ্গলে চরম উপবাসের নামে সংঘটিত এ গণহত্যা কেনিয়াসহ পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ম্যাকেঞ্জি তার অনুসারীদের মধ্যে এক চরম বিভ্রান্তিকর বিশ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছিলেন- খাদ্য ত্যাগ করে নিজেদের ও সন্তানদের অনাহারে রাখলেই নাকি পৌঁছানো যাবে যিশু খ্রিস্টের কাছাকাছি। আর সেই প্রলোভনে পড়ে অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দেয় অনেকে।
নৃশংস এ কাহিনীর শুরু ২০২৩ সালের এপ্রিলে। স্থানীয়দের সন্দেহের জের ধরে দূরবর্তী শাকাহোলা জঙ্গলের অগভীর কবরগুলো থেকে একের পর এক মরদেহ উত্তোলন শুরু করে কেনীয় কর্তৃপক্ষ। নিহতদের একটি বড় অংশই শিশু- এ তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই কেনিয়ার সমাজ নড়েচড়ে বসে।
কেনিয়ার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী এ ধর্মীয় ট্র্যাজেডি পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনা সামনে নিয়ে এসেছে ধর্মীয় চরমপন্থা, অনিয়ন্ত্রিত ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কার্যক্রম এবং পূর্ব সতর্কতা পাওয়ার পরও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যর্থতার মতো গুরুতর প্রশ্নগুলোকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ধর্মের নামে চরম অন্ধত্ব আর অনাহারে শিশুসহ ১৯১ জন অনুসারীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার মাশুল গুনতে হচ্ছে কেনিয়ার বিতর্কিত ধর্মীয় নেতা পল ম্যাকেঞ্জিকে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটির উপকূলীয় শহর মোম্বাসার হাইকোর্ট শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে মোট ২০০ বছরের কারাদণ্ড। তিনি গুড নিউজ ইন্টারন্যাশনাল চার্চের প্রাক্তন ধর্মপ্রচারক।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি ডায়ানা কাভেডজা মোচাচি জানান, দণ্ডগুলো ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে, যার ফলে দোষী সাব্যস্ত ম্যাকেঞ্জির মোট কারাদণ্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০০ বছর। আদালতের রায় অনুযায়ী, ১৯০ জন শিশুর মৃত্যুর দায়ভার নিশ্চিত হওয়ায় তাকে ১০০ বছর এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় আরও ১০০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব কেনিয়ার গহিন শাকাহোলা জঙ্গলে চরম উপবাসের নামে সংঘটিত এ গণহত্যা কেনিয়াসহ পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ম্যাকেঞ্জি তার অনুসারীদের মধ্যে এক চরম বিভ্রান্তিকর বিশ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছিলেন- খাদ্য ত্যাগ করে নিজেদের ও সন্তানদের অনাহারে রাখলেই নাকি পৌঁছানো যাবে যিশু খ্রিস্টের কাছাকাছি। আর সেই প্রলোভনে পড়ে অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দেয় অনেকে।
নৃশংস এ কাহিনীর শুরু ২০২৩ সালের এপ্রিলে। স্থানীয়দের সন্দেহের জের ধরে দূরবর্তী শাকাহোলা জঙ্গলের অগভীর কবরগুলো থেকে একের পর এক মরদেহ উত্তোলন শুরু করে কেনীয় কর্তৃপক্ষ। নিহতদের একটি বড় অংশই শিশু- এ তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই কেনিয়ার সমাজ নড়েচড়ে বসে।
কেনিয়ার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী এ ধর্মীয় ট্র্যাজেডি পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনা সামনে নিয়ে এসেছে ধর্মীয় চরমপন্থা, অনিয়ন্ত্রিত ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কার্যক্রম এবং পূর্ব সতর্কতা পাওয়ার পরও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যর্থতার মতো গুরুতর প্রশ্নগুলোকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

শিশুসহ ১৯১ জনের প্রাণহানি: কেনিয়ার ধর্মীয় নেতাকে ২০০ বছরের কারাদণ্ড
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ধর্মের নামে চরম অন্ধত্ব আর অনাহারে শিশুসহ ১৯১ জন অনুসারীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার মাশুল গুনতে হচ্ছে কেনিয়ার বিতর্কিত ধর্মীয় নেতা পল ম্যাকেঞ্জিকে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটির উপকূলীয় শহর মোম্বাসার হাইকোর্ট শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে মোট ২০০ বছরের কারাদণ্ড। তিনি গুড নিউজ ইন্টারন্যাশনাল চার্চের প্রাক্তন ধর্মপ্রচারক।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি ডায়ানা কাভেডজা মোচাচি জানান, দণ্ডগুলো ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে, যার ফলে দোষী সাব্যস্ত ম্যাকেঞ্জির মোট কারাদণ্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০০ বছর। আদালতের রায় অনুযায়ী, ১৯০ জন শিশুর মৃত্যুর দায়ভার নিশ্চিত হওয়ায় তাকে ১০০ বছর এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় আরও ১০০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব কেনিয়ার গহিন শাকাহোলা জঙ্গলে চরম উপবাসের নামে সংঘটিত এ গণহত্যা কেনিয়াসহ পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ম্যাকেঞ্জি তার অনুসারীদের মধ্যে এক চরম বিভ্রান্তিকর বিশ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছিলেন- খাদ্য ত্যাগ করে নিজেদের ও সন্তানদের অনাহারে রাখলেই নাকি পৌঁছানো যাবে যিশু খ্রিস্টের কাছাকাছি। আর সেই প্রলোভনে পড়ে অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দেয় অনেকে।
নৃশংস এ কাহিনীর শুরু ২০২৩ সালের এপ্রিলে। স্থানীয়দের সন্দেহের জের ধরে দূরবর্তী শাকাহোলা জঙ্গলের অগভীর কবরগুলো থেকে একের পর এক মরদেহ উত্তোলন শুরু করে কেনীয় কর্তৃপক্ষ। নিহতদের একটি বড় অংশই শিশু- এ তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই কেনিয়ার সমাজ নড়েচড়ে বসে।
কেনিয়ার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী এ ধর্মীয় ট্র্যাজেডি পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনা সামনে নিয়ে এসেছে ধর্মীয় চরমপন্থা, অনিয়ন্ত্রিত ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কার্যক্রম এবং পূর্ব সতর্কতা পাওয়ার পরও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যর্থতার মতো গুরুতর প্রশ্নগুলোকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেনিয়ায় হারানো ছাগল খুঁজতে গিয়ে মিললো স্বর্ণের খনি







