স্মৃতি বাড়াতে চান? ব্যায়ামেই মিলতে পারে সহজ সমাধান

স্মৃতি বাড়াতে চান? ব্যায়ামেই মিলতে পারে সহজ সমাধান
সিটিজেন ডেস্ক

বারবার কিছু ভুলে যাচ্ছেন? দৈনন্দিন ব্যস্ততায় এটি এখন অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। তবে নতুন গবেষণা বলছে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাড়তি চাপ নয় উল্টো অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই হতে পারে কার্যকর উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যারোবিক ব্যায়াম– যেমন ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইক্লিং বা হালকা দৌড় মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এমনকি স্বল্প সময়ের ব্যায়ামের পরই মস্তিষ্কের সেই অংশ বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শেখা ও মনে রাখার সঙ্গে জড়িত।
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের পর মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিপোক্যাম্পাসে স্নায়বিক কার্যকলাপ বেড়ে যায়। এই অংশটি নতুন স্মৃতি গঠন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, শরীর সচল রাখলে মস্তিষ্কও তথ্য ধরে রাখতে আরও প্রস্তুত থাকে।

তবে সব ধরনের ব্যায়াম সমানভাবে কার্যকর নয়। গবেষকেরা বলছেন, স্মৃতিশক্তির জন্য সবচেয়ে উপকারী মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক বা কার্ডিও ব্যায়াম। অর্থাৎ, দীর্ঘ সময় জিমে কাটানোর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই যথেষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া ব্যায়ামের আরও কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি ঘুমের মান উন্নত করে, মনোযোগ বাড়ায়, মানসিক চাপ কমায় এবং মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই সবকিছু মিলেই স্মৃতিশক্তি উন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।
তাই স্মৃতি বাড়াতে শর্টকাট খোঁজার চেয়ে নিয়মিত হাঁটা, সাইক্লিং বা হালকা দৌড়ের মতো সহজ অভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

বারবার কিছু ভুলে যাচ্ছেন? দৈনন্দিন ব্যস্ততায় এটি এখন অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। তবে নতুন গবেষণা বলছে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাড়তি চাপ নয় উল্টো অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই হতে পারে কার্যকর উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যারোবিক ব্যায়াম– যেমন ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইক্লিং বা হালকা দৌড় মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এমনকি স্বল্প সময়ের ব্যায়ামের পরই মস্তিষ্কের সেই অংশ বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শেখা ও মনে রাখার সঙ্গে জড়িত।
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের পর মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিপোক্যাম্পাসে স্নায়বিক কার্যকলাপ বেড়ে যায়। এই অংশটি নতুন স্মৃতি গঠন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, শরীর সচল রাখলে মস্তিষ্কও তথ্য ধরে রাখতে আরও প্রস্তুত থাকে।

তবে সব ধরনের ব্যায়াম সমানভাবে কার্যকর নয়। গবেষকেরা বলছেন, স্মৃতিশক্তির জন্য সবচেয়ে উপকারী মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক বা কার্ডিও ব্যায়াম। অর্থাৎ, দীর্ঘ সময় জিমে কাটানোর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই যথেষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া ব্যায়ামের আরও কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি ঘুমের মান উন্নত করে, মনোযোগ বাড়ায়, মানসিক চাপ কমায় এবং মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই সবকিছু মিলেই স্মৃতিশক্তি উন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।
তাই স্মৃতি বাড়াতে শর্টকাট খোঁজার চেয়ে নিয়মিত হাঁটা, সাইক্লিং বা হালকা দৌড়ের মতো সহজ অভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

স্মৃতি বাড়াতে চান? ব্যায়ামেই মিলতে পারে সহজ সমাধান
সিটিজেন ডেস্ক

বারবার কিছু ভুলে যাচ্ছেন? দৈনন্দিন ব্যস্ততায় এটি এখন অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। তবে নতুন গবেষণা বলছে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাড়তি চাপ নয় উল্টো অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই হতে পারে কার্যকর উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যারোবিক ব্যায়াম– যেমন ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইক্লিং বা হালকা দৌড় মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এমনকি স্বল্প সময়ের ব্যায়ামের পরই মস্তিষ্কের সেই অংশ বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শেখা ও মনে রাখার সঙ্গে জড়িত।
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের পর মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিপোক্যাম্পাসে স্নায়বিক কার্যকলাপ বেড়ে যায়। এই অংশটি নতুন স্মৃতি গঠন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, শরীর সচল রাখলে মস্তিষ্কও তথ্য ধরে রাখতে আরও প্রস্তুত থাকে।

তবে সব ধরনের ব্যায়াম সমানভাবে কার্যকর নয়। গবেষকেরা বলছেন, স্মৃতিশক্তির জন্য সবচেয়ে উপকারী মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক বা কার্ডিও ব্যায়াম। অর্থাৎ, দীর্ঘ সময় জিমে কাটানোর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত অল্প সময়ের সঠিক ব্যায়ামই যথেষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া ব্যায়ামের আরও কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি ঘুমের মান উন্নত করে, মনোযোগ বাড়ায়, মানসিক চাপ কমায় এবং মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই সবকিছু মিলেই স্মৃতিশক্তি উন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।
তাই স্মৃতি বাড়াতে শর্টকাট খোঁজার চেয়ে নিয়মিত হাঁটা, সাইক্লিং বা হালকা দৌড়ের মতো সহজ অভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়।




