মোবাইল ফোনে আসক্তি কমাবেন যেভাবে

মোবাইল ফোনে আসক্তি কমাবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নয়নের যুগে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। তবে শুধু যে হাতে চলে এসেছে তা নয়, অনেকেই মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারেন না। এর ফলে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, ঘুম এমনকি সম্পর্কেরও ক্ষতি হচ্ছে। অনেকে চাইলেও এই আসক্তি দূর করতে পারছেন না। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বিস্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই গবেষণার আলোকে কিছু কৌশলের তালিকা তুলে ধরা হলো।
ঘুমের সময় মুঠোফোন দূরে রাখুন
ঘুমের সময় অনেকেই মোবাইল কাছাকাছি রাখেন। এ অভ্যাস বদলাতে হবে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুঠোফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন বন্ধ করে দূরে কোথাও রাখতে হবে।
মুঠোফোনের পর্দা গ্রেস্কেল
মুঠোফোনে গ্রেস্কেল মোডে সুইচ অন করে রাখতে পারেন। এতে পর্দা সাদা-কালো হয়ে যায়- যা মুঠোফোনের আকর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ
মুঠোফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন (শব্দ, ব্যানার, ভাইব্রেশন) বাদ দিতে হবে।
কিছু অ্যাপ লুকিয়ে রাখুন
বেশিরভাগ মানুষই সামাজিকমাধ্যম যেমন- টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই এটার ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাইলেও পারছেন না। সেক্ষেত্রে অ্যাপগুলো মুঠোফোনের হোম স্ক্রিন থেকে সরিয়ে আলাদা ফোল্ডার রাখতে পারেন।
মুঠোফোন থেকে দূরত্ব বজায় রুখুন
অফিসে কাজ করার সময় বা অন্য কোনো সময়ও মুঠোফোনের দিকে চোখ চলে যায়? যদি এমন হয়, সেক্ষেত্রে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন দৃষ্টিসীমার বাইরে রাখতে পারেন।
কঠিন আনলক
আসক্তি দূর করতে হলে মুঠোফোনের আনলক কঠিন করতে হবে। প্রয়োজনে মুঠোফোনের টাচ আইডি বা ফেইস আইডি সুবিধা বন্ধ রাখা যেতে পারে। লক কঠিন হলে বারবার আনলক করে মুঠোফোন ব্যবহার করতে মন চাইবে না।
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা যেতে পারে। এতে মুঠোফোনের ব্যবহার ও আসক্তি কমবে।
মুঠোফোন সঙ্গে না রাখা
খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন রেখে বাইরে যেতে পারেন। এই অভ্যাস করতে পারলে আসক্তি কিছুটা কমতে পারে।

প্রযুক্তির উন্নয়নের যুগে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। তবে শুধু যে হাতে চলে এসেছে তা নয়, অনেকেই মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারেন না। এর ফলে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, ঘুম এমনকি সম্পর্কেরও ক্ষতি হচ্ছে। অনেকে চাইলেও এই আসক্তি দূর করতে পারছেন না। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বিস্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই গবেষণার আলোকে কিছু কৌশলের তালিকা তুলে ধরা হলো।
ঘুমের সময় মুঠোফোন দূরে রাখুন
ঘুমের সময় অনেকেই মোবাইল কাছাকাছি রাখেন। এ অভ্যাস বদলাতে হবে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুঠোফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন বন্ধ করে দূরে কোথাও রাখতে হবে।
মুঠোফোনের পর্দা গ্রেস্কেল
মুঠোফোনে গ্রেস্কেল মোডে সুইচ অন করে রাখতে পারেন। এতে পর্দা সাদা-কালো হয়ে যায়- যা মুঠোফোনের আকর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ
মুঠোফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন (শব্দ, ব্যানার, ভাইব্রেশন) বাদ দিতে হবে।
কিছু অ্যাপ লুকিয়ে রাখুন
বেশিরভাগ মানুষই সামাজিকমাধ্যম যেমন- টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই এটার ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাইলেও পারছেন না। সেক্ষেত্রে অ্যাপগুলো মুঠোফোনের হোম স্ক্রিন থেকে সরিয়ে আলাদা ফোল্ডার রাখতে পারেন।
মুঠোফোন থেকে দূরত্ব বজায় রুখুন
অফিসে কাজ করার সময় বা অন্য কোনো সময়ও মুঠোফোনের দিকে চোখ চলে যায়? যদি এমন হয়, সেক্ষেত্রে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন দৃষ্টিসীমার বাইরে রাখতে পারেন।
কঠিন আনলক
আসক্তি দূর করতে হলে মুঠোফোনের আনলক কঠিন করতে হবে। প্রয়োজনে মুঠোফোনের টাচ আইডি বা ফেইস আইডি সুবিধা বন্ধ রাখা যেতে পারে। লক কঠিন হলে বারবার আনলক করে মুঠোফোন ব্যবহার করতে মন চাইবে না।
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা যেতে পারে। এতে মুঠোফোনের ব্যবহার ও আসক্তি কমবে।
মুঠোফোন সঙ্গে না রাখা
খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন রেখে বাইরে যেতে পারেন। এই অভ্যাস করতে পারলে আসক্তি কিছুটা কমতে পারে।

মোবাইল ফোনে আসক্তি কমাবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নয়নের যুগে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। তবে শুধু যে হাতে চলে এসেছে তা নয়, অনেকেই মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারেন না। এর ফলে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, ঘুম এমনকি সম্পর্কেরও ক্ষতি হচ্ছে। অনেকে চাইলেও এই আসক্তি দূর করতে পারছেন না। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বিস্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই গবেষণার আলোকে কিছু কৌশলের তালিকা তুলে ধরা হলো।
ঘুমের সময় মুঠোফোন দূরে রাখুন
ঘুমের সময় অনেকেই মোবাইল কাছাকাছি রাখেন। এ অভ্যাস বদলাতে হবে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুঠোফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন বন্ধ করে দূরে কোথাও রাখতে হবে।
মুঠোফোনের পর্দা গ্রেস্কেল
মুঠোফোনে গ্রেস্কেল মোডে সুইচ অন করে রাখতে পারেন। এতে পর্দা সাদা-কালো হয়ে যায়- যা মুঠোফোনের আকর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ
মুঠোফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন (শব্দ, ব্যানার, ভাইব্রেশন) বাদ দিতে হবে।
কিছু অ্যাপ লুকিয়ে রাখুন
বেশিরভাগ মানুষই সামাজিকমাধ্যম যেমন- টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই এটার ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাইলেও পারছেন না। সেক্ষেত্রে অ্যাপগুলো মুঠোফোনের হোম স্ক্রিন থেকে সরিয়ে আলাদা ফোল্ডার রাখতে পারেন।
মুঠোফোন থেকে দূরত্ব বজায় রুখুন
অফিসে কাজ করার সময় বা অন্য কোনো সময়ও মুঠোফোনের দিকে চোখ চলে যায়? যদি এমন হয়, সেক্ষেত্রে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন দৃষ্টিসীমার বাইরে রাখতে পারেন।
কঠিন আনলক
আসক্তি দূর করতে হলে মুঠোফোনের আনলক কঠিন করতে হবে। প্রয়োজনে মুঠোফোনের টাচ আইডি বা ফেইস আইডি সুবিধা বন্ধ রাখা যেতে পারে। লক কঠিন হলে বারবার আনলক করে মুঠোফোন ব্যবহার করতে মন চাইবে না।
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা
মুঠোফোনের কাজ কম্পিউটারে করা যেতে পারে। এতে মুঠোফোনের ব্যবহার ও আসক্তি কমবে।
মুঠোফোন সঙ্গে না রাখা
খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মুঠোফোন রেখে বাইরে যেতে পারেন। এই অভ্যাস করতে পারলে আসক্তি কিছুটা কমতে পারে।

বৃষ্টিতে মোবাইল ভিজে গেলে যা করবেন







