মুখ খোলা রেখে ঘুমিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

মুখ খোলা রেখে ঘুমিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
সিজেডএন ডেস্ক

অনেকের মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস আছে। সর্দি বা নাক বন্ধ হয়ে গেলে তো কথাই নেই। যদিও এটি স্বাভাবিক। ঘুম থেকে উঠে যদি আপনি সুস্থ বোধ করেন, তবে এটিকে কোনো সমস্যা মনে নাও হতে পারে। তবে এই অভ্যাস আরও কিছুকে প্রভাবিত করে। এর ফলে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে, মুখের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এটি আপনার নাক বা ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন এটি একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কেন ঘটছে তা খুঁজে বের করা।
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ভালো
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক ভালো। শ্বাস ফুসফুসে পৌঁছানোর আগে নাক বাতাসকে ফিল্টার, উষ্ণ এবং আর্দ্র করতে সাহায্য করে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে এই কাজগুলোর কিছু অংশ এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে শীতল ও শুষ্ক বাতাস মুখ এবং গলা দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফুসফুসের জন্য বাতাস প্রস্তুত করার জন্যই নাকের গঠন। এটি ধুলা এবং জীবাণু ফিল্টার করে। সেইসঙ্গে বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র করে। এছাড়া শরীরকে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করতে সাহায্য করে। এই গ্যাস রক্তনালী খুলতে এবং অক্সিজেনের ব্যবহার উন্নত করতে সাহায্য করে।
সর্দির সময় নাক বন্ধ হয়ে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ায় সাধারণত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। তবে নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া নাক বন্ধ থাকা, অ্যালার্জি বা শ্বাসনালীর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে কী হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
মুখ শুষ্ক এবং গলা ব্যথা হয়
মুখের মধ্যে দিয়ে বাতাস যাওয়ার ফলে ভেতরের টিস্যুগুলি শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর অস্বস্তি হয়।
দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস
শুষ্ক মুখে লালা কম থাকে। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠলে অপেক্ষাকৃত বেশি দুর্গন্ধ ছড়ায়। লালা খাবারের কণা এবং ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির সমস্যা
খোলা রাখার ফলে লালা শুকিয়ে যায়, যেটা দাঁত এবং মুখের ভেতরের টিস্যুকে রক্ষা করে। আর্দ্রতা কমে গেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির প্রদাহের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
ফাটা ঠোঁট এবং জিহ্বায় আস্তরণ
সারারাতের শুষ্কতার কারণে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। সেইসঙ্গে জিহ্বায় আস্তরণ পড়তে পারে। লালা দাঁতকেও রক্ষা করে। এটি কমে গেলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির প্রদাহ এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
নাক ডাকা এবং ঘুমের ব্যাঘাত
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস নাক ডাকার কারণ হতে পারে। এর ফলে নিজের ও অন্যের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
আরও যেসব সমস্যা সৃষ্টি করে
শ্বাসনালীর সমস্যার সঙ্গে যদি মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বিছানায় যথেষ্ট সময় কাটানোর পরেও ক্লান্তিবোধ কাজ করে। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই অবস্থায় ঘুমের সময় শ্বাসনালীর উপরের অংশ বারবার সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়। এটি স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করে। জোরে নাক ডাকা, হাঁপানো, সকালের মাথাব্যথা এবং দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব এর অন্যতম লক্ষণ।
আমেরিকান থোরাসিক সোসাইটির একটি পর্যালোচনায় স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে শুধু মুখ দিয়ে শ্বাস নিলেই যে আপনার স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তা প্রমাণ হয় না। অন্যান্য উপসর্গ এবং আপনার চিকিৎসার ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।

অনেকের মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস আছে। সর্দি বা নাক বন্ধ হয়ে গেলে তো কথাই নেই। যদিও এটি স্বাভাবিক। ঘুম থেকে উঠে যদি আপনি সুস্থ বোধ করেন, তবে এটিকে কোনো সমস্যা মনে নাও হতে পারে। তবে এই অভ্যাস আরও কিছুকে প্রভাবিত করে। এর ফলে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে, মুখের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এটি আপনার নাক বা ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন এটি একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কেন ঘটছে তা খুঁজে বের করা।
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ভালো
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক ভালো। শ্বাস ফুসফুসে পৌঁছানোর আগে নাক বাতাসকে ফিল্টার, উষ্ণ এবং আর্দ্র করতে সাহায্য করে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে এই কাজগুলোর কিছু অংশ এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে শীতল ও শুষ্ক বাতাস মুখ এবং গলা দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফুসফুসের জন্য বাতাস প্রস্তুত করার জন্যই নাকের গঠন। এটি ধুলা এবং জীবাণু ফিল্টার করে। সেইসঙ্গে বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র করে। এছাড়া শরীরকে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করতে সাহায্য করে। এই গ্যাস রক্তনালী খুলতে এবং অক্সিজেনের ব্যবহার উন্নত করতে সাহায্য করে।
সর্দির সময় নাক বন্ধ হয়ে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ায় সাধারণত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। তবে নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া নাক বন্ধ থাকা, অ্যালার্জি বা শ্বাসনালীর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে কী হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
মুখ শুষ্ক এবং গলা ব্যথা হয়
মুখের মধ্যে দিয়ে বাতাস যাওয়ার ফলে ভেতরের টিস্যুগুলি শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর অস্বস্তি হয়।
দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস
শুষ্ক মুখে লালা কম থাকে। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠলে অপেক্ষাকৃত বেশি দুর্গন্ধ ছড়ায়। লালা খাবারের কণা এবং ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির সমস্যা
খোলা রাখার ফলে লালা শুকিয়ে যায়, যেটা দাঁত এবং মুখের ভেতরের টিস্যুকে রক্ষা করে। আর্দ্রতা কমে গেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির প্রদাহের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
ফাটা ঠোঁট এবং জিহ্বায় আস্তরণ
সারারাতের শুষ্কতার কারণে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। সেইসঙ্গে জিহ্বায় আস্তরণ পড়তে পারে। লালা দাঁতকেও রক্ষা করে। এটি কমে গেলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির প্রদাহ এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
নাক ডাকা এবং ঘুমের ব্যাঘাত
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস নাক ডাকার কারণ হতে পারে। এর ফলে নিজের ও অন্যের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
আরও যেসব সমস্যা সৃষ্টি করে
শ্বাসনালীর সমস্যার সঙ্গে যদি মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বিছানায় যথেষ্ট সময় কাটানোর পরেও ক্লান্তিবোধ কাজ করে। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই অবস্থায় ঘুমের সময় শ্বাসনালীর উপরের অংশ বারবার সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়। এটি স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করে। জোরে নাক ডাকা, হাঁপানো, সকালের মাথাব্যথা এবং দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব এর অন্যতম লক্ষণ।
আমেরিকান থোরাসিক সোসাইটির একটি পর্যালোচনায় স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে শুধু মুখ দিয়ে শ্বাস নিলেই যে আপনার স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তা প্রমাণ হয় না। অন্যান্য উপসর্গ এবং আপনার চিকিৎসার ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।

মুখ খোলা রেখে ঘুমিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
সিজেডএন ডেস্ক

অনেকের মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস আছে। সর্দি বা নাক বন্ধ হয়ে গেলে তো কথাই নেই। যদিও এটি স্বাভাবিক। ঘুম থেকে উঠে যদি আপনি সুস্থ বোধ করেন, তবে এটিকে কোনো সমস্যা মনে নাও হতে পারে। তবে এই অভ্যাস আরও কিছুকে প্রভাবিত করে। এর ফলে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে, মুখের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এটি আপনার নাক বা ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন এটি একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কেন ঘটছে তা খুঁজে বের করা।
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ভালো
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক ভালো। শ্বাস ফুসফুসে পৌঁছানোর আগে নাক বাতাসকে ফিল্টার, উষ্ণ এবং আর্দ্র করতে সাহায্য করে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে এই কাজগুলোর কিছু অংশ এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে শীতল ও শুষ্ক বাতাস মুখ এবং গলা দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফুসফুসের জন্য বাতাস প্রস্তুত করার জন্যই নাকের গঠন। এটি ধুলা এবং জীবাণু ফিল্টার করে। সেইসঙ্গে বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র করে। এছাড়া শরীরকে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করতে সাহায্য করে। এই গ্যাস রক্তনালী খুলতে এবং অক্সিজেনের ব্যবহার উন্নত করতে সাহায্য করে।
সর্দির সময় নাক বন্ধ হয়ে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ায় সাধারণত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। তবে নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া নাক বন্ধ থাকা, অ্যালার্জি বা শ্বাসনালীর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
মুখ খোলা রেখে ঘুমালে কী হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
মুখ শুষ্ক এবং গলা ব্যথা হয়
মুখের মধ্যে দিয়ে বাতাস যাওয়ার ফলে ভেতরের টিস্যুগুলি শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর অস্বস্তি হয়।
দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস
শুষ্ক মুখে লালা কম থাকে। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠলে অপেক্ষাকৃত বেশি দুর্গন্ধ ছড়ায়। লালা খাবারের কণা এবং ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির সমস্যা
খোলা রাখার ফলে লালা শুকিয়ে যায়, যেটা দাঁত এবং মুখের ভেতরের টিস্যুকে রক্ষা করে। আর্দ্রতা কমে গেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ির প্রদাহের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
ফাটা ঠোঁট এবং জিহ্বায় আস্তরণ
সারারাতের শুষ্কতার কারণে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। সেইসঙ্গে জিহ্বায় আস্তরণ পড়তে পারে। লালা দাঁতকেও রক্ষা করে। এটি কমে গেলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির প্রদাহ এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
নাক ডাকা এবং ঘুমের ব্যাঘাত
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস নাক ডাকার কারণ হতে পারে। এর ফলে নিজের ও অন্যের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
আরও যেসব সমস্যা সৃষ্টি করে
শ্বাসনালীর সমস্যার সঙ্গে যদি মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বিছানায় যথেষ্ট সময় কাটানোর পরেও ক্লান্তিবোধ কাজ করে। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই অবস্থায় ঘুমের সময় শ্বাসনালীর উপরের অংশ বারবার সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়। এটি স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করে। জোরে নাক ডাকা, হাঁপানো, সকালের মাথাব্যথা এবং দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব এর অন্যতম লক্ষণ।
আমেরিকান থোরাসিক সোসাইটির একটি পর্যালোচনায় স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে শুধু মুখ দিয়ে শ্বাস নিলেই যে আপনার স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তা প্রমাণ হয় না। অন্যান্য উপসর্গ এবং আপনার চিকিৎসার ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।

বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমানো কতটা বিপজ্জনক?







