লংমার্চ-রোডমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী

লংমার্চ-রোডমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

লংমার্চ ও রোডমার্চের নামে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছে। কিন্তু সরকারকে সহযোগিতা না করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী তিতারকান্দি এলাকায় মহিলা দলের পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর দেশের মানুষ অনেক কষ্টে ছিলেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেননি তারা। এখন আবার লংমার্চ ও রোডমার্চের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। দেশের মানুষ এসব কর্মসূচি পছন্দ করেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ্যানি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের কাজ শুধু মিছিল-মিটিং করা নয়। দেশের উন্নয়ন, সমাজের অগ্রগতি ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও নেতা-কর্মীদের যুক্ত হতে হবে।
দেশে মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদক বা অন্য কোনো অপকর্মের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সে যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা ও পারস্পরিক ঐক্য প্রয়োজন। গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার সুমি।

লংমার্চ ও রোডমার্চের নামে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছে। কিন্তু সরকারকে সহযোগিতা না করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী তিতারকান্দি এলাকায় মহিলা দলের পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর দেশের মানুষ অনেক কষ্টে ছিলেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেননি তারা। এখন আবার লংমার্চ ও রোডমার্চের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। দেশের মানুষ এসব কর্মসূচি পছন্দ করেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ্যানি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের কাজ শুধু মিছিল-মিটিং করা নয়। দেশের উন্নয়ন, সমাজের অগ্রগতি ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও নেতা-কর্মীদের যুক্ত হতে হবে।
দেশে মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদক বা অন্য কোনো অপকর্মের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সে যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা ও পারস্পরিক ঐক্য প্রয়োজন। গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার সুমি।

লংমার্চ-রোডমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

লংমার্চ ও রোডমার্চের নামে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছে। কিন্তু সরকারকে সহযোগিতা না করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী তিতারকান্দি এলাকায় মহিলা দলের পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর দেশের মানুষ অনেক কষ্টে ছিলেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেননি তারা। এখন আবার লংমার্চ ও রোডমার্চের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। দেশের মানুষ এসব কর্মসূচি পছন্দ করেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ্যানি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের কাজ শুধু মিছিল-মিটিং করা নয়। দেশের উন্নয়ন, সমাজের অগ্রগতি ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও নেতা-কর্মীদের যুক্ত হতে হবে।
দেশে মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদক বা অন্য কোনো অপকর্মের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সে যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা ও পারস্পরিক ঐক্য প্রয়োজন। গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার সুমি।









