ওমরাহ পালনে মক্কা যাওয়ার পথে ৩ বাংলাদেশি নিহত

ওমরাহ পালনে মক্কা যাওয়ার পথে ৩ বাংলাদেশি নিহত
ফরিদপুর সংবাদদাতা

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে মক্কা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নাজিমুদ্দিন মোল্লার মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার ২০ বছর বয়সী ছেলে তাসবিক এবং ১৫ বছর বয়সী মেয়ে জারা। আহত হয়েছেন রিনার স্বামী কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল। তাদেরকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তারা প্রাইভেট কারে করে রিয়াদ থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ভারী যানবাহন তাদের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মা, মেয়ে ও এক ছেলে নিহত হন।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদ। তিনি বলেন, শফিকুল ইসলাম প্রায় ২৬ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বর্তমানে একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত। তিনি রিয়াদ শহরে পরিবার নিয়ে থাকেন। বৃহস্পতিবার একটি প্রাইভেটকারে করে মক্কা যাওয়ার পথে পেছন থেকে আরেকটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে তানিয়া, তার এক ছেলে ও মেয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সামনে বসার কারণে শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল বেঁচে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দুজনই আশঙ্কামুক্ত।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিহতদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
সালথা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, নিহতের বিষয়টি শুনেছি। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে মক্কা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নাজিমুদ্দিন মোল্লার মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার ২০ বছর বয়সী ছেলে তাসবিক এবং ১৫ বছর বয়সী মেয়ে জারা। আহত হয়েছেন রিনার স্বামী কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল। তাদেরকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তারা প্রাইভেট কারে করে রিয়াদ থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ভারী যানবাহন তাদের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মা, মেয়ে ও এক ছেলে নিহত হন।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদ। তিনি বলেন, শফিকুল ইসলাম প্রায় ২৬ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বর্তমানে একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত। তিনি রিয়াদ শহরে পরিবার নিয়ে থাকেন। বৃহস্পতিবার একটি প্রাইভেটকারে করে মক্কা যাওয়ার পথে পেছন থেকে আরেকটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে তানিয়া, তার এক ছেলে ও মেয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সামনে বসার কারণে শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল বেঁচে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দুজনই আশঙ্কামুক্ত।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিহতদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
সালথা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, নিহতের বিষয়টি শুনেছি। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

ওমরাহ পালনে মক্কা যাওয়ার পথে ৩ বাংলাদেশি নিহত
ফরিদপুর সংবাদদাতা

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে মক্কা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নাজিমুদ্দিন মোল্লার মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার ২০ বছর বয়সী ছেলে তাসবিক এবং ১৫ বছর বয়সী মেয়ে জারা। আহত হয়েছেন রিনার স্বামী কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল। তাদেরকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তারা প্রাইভেট কারে করে রিয়াদ থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ভারী যানবাহন তাদের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মা, মেয়ে ও এক ছেলে নিহত হন।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদ। তিনি বলেন, শফিকুল ইসলাম প্রায় ২৬ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বর্তমানে একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত। তিনি রিয়াদ শহরে পরিবার নিয়ে থাকেন। বৃহস্পতিবার একটি প্রাইভেটকারে করে মক্কা যাওয়ার পথে পেছন থেকে আরেকটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে তানিয়া, তার এক ছেলে ও মেয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সামনে বসার কারণে শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল বেঁচে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দুজনই আশঙ্কামুক্ত।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিহতদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
সালথা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, নিহতের বিষয়টি শুনেছি। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত






