বিয়ে-বিচ্ছেদের পর কেমন আছেন মোনালিসা

বিয়ে-বিচ্ছেদের পর কেমন আছেন মোনালিসা
বিনোদন ডেস্ক

একসময় মডেলিং ও অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন মোজেজা আশরাফ মোনালিসা। তবে গত কয়েক বছর ধরে শোবিজ অঙ্গন থেকে দূরে আছেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এই অভিনেত্রী।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) ছিলো মোনালিসার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে জীবনের নানা উত্থান-পতন, পাওয়া-না পাওয়ার কথা তুলে ধরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সামাজিকমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে মোনালিসা লেখেন, ‘আজ জীবনের আরও একটি বছর পূর্ণ হওয়ার আনন্দ উদযাপন করছি। বছরটি নানা চ্যালেঞ্জ, শিক্ষা, উন্নতি ও আনন্দে ভরা ছিল। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের জন্য কৃতজ্ঞ। কারণ প্রতিটি অভিজ্ঞতা আজকের মানুষ হিসেবে আমাকে গড়ে তুলেছে।’
জীবনের নানা উত্থান-পতনের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন সত্ত্বেও কৃতজ্ঞ হওয়ার অসংখ্য কারণ খুঁজে পাই। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া। কারণ জীবনে আরও একটি বছর, সুস্বাস্থ্য, শক্তি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার মানসিক দৃঢ়তা দান করেছেন তিনি।’
জন্মদিনে নিজের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন দান করেন, প্রতিটি দিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উপভোগ করার তাওফিক দেন। আশীর্বাদ, সুন্দর মুহূর্ত ও নতুন নতুন অর্জনে ভরে উঠুক জীবনের আরও একটি বছর।’
২০১২ সালে মোনালিসা যখন ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছিলেন, তখন নিউইয়র্কপ্রবাসী ফাইয়াজ শরীফকে বিয়ে করেন তিনি। পরের বছর স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সংসার শুরু করেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলা চ্যানেল টাইম টিভির প্রোগ্রাম প্রধান হিসেবেও কাজ শুরু করেন।
তবে স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তাদের সংসার। বিয়ের বছরখানেকের মধ্যেই বিচ্ছেদ হয় এই জুটির। এরপর এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন করে আর সংসার বাঁধেননি মোনালিসা। তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন তিনি।
মোনালিসা ৫ অক্টোবর ১৯৮৪ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আশরাফ হোসেন এবং মাতা মমতাজ বেগম। তিন বোনের মধ্যে মোনালিসা সবার ছোট। তার বড় দুই বোন মুনিরা ও মারিয়া।
মোনালিসার সংস্কৃতি অঙ্গনে পদচারণা শুরু হয় ১০ বছর বয়সে নাচ ও মডেলিংয়ের মধ্য দিয়ে। নৃত্যশিল্পী হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক যান। মডেলিংয়ে তারিক আনাম খান নির্দেশিত ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির বিজ্ঞাপন দিয়ে তিনি প্রথম সকলের নজর কাড়েন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় শুরু করেন। গুণী এই অভিনয়শিল্পী ২০০০ সালে মিস ফটোজেনিক খেতাব লাভ করেন। ২০০২ এবং ২০০৭ সালে বাংলালিংক দেশ টু বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য তিনি দুই বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে তারকা জরিপে সেরা নারী মডেলের পুরস্কার লাভ করেন।
২১ বছর বয়সে তিনি ‘কাগজের ফুল’ নাটকে অভিনয় করেন। পরে হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘তৃষ্ণা’ নাটকেও দেখা যায় তাকে। এরপর একে একে ‘বাজি’, ‘একটু ভালোবাসা’, ‘বান্দুলুম’, ‘রোমিওরা’ ‘অল রাউন্ডার’ ‘ভালো থেকো ফুল মিষ্টি বকুল’সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন।

একসময় মডেলিং ও অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন মোজেজা আশরাফ মোনালিসা। তবে গত কয়েক বছর ধরে শোবিজ অঙ্গন থেকে দূরে আছেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এই অভিনেত্রী।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) ছিলো মোনালিসার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে জীবনের নানা উত্থান-পতন, পাওয়া-না পাওয়ার কথা তুলে ধরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সামাজিকমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে মোনালিসা লেখেন, ‘আজ জীবনের আরও একটি বছর পূর্ণ হওয়ার আনন্দ উদযাপন করছি। বছরটি নানা চ্যালেঞ্জ, শিক্ষা, উন্নতি ও আনন্দে ভরা ছিল। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের জন্য কৃতজ্ঞ। কারণ প্রতিটি অভিজ্ঞতা আজকের মানুষ হিসেবে আমাকে গড়ে তুলেছে।’
জীবনের নানা উত্থান-পতনের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন সত্ত্বেও কৃতজ্ঞ হওয়ার অসংখ্য কারণ খুঁজে পাই। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া। কারণ জীবনে আরও একটি বছর, সুস্বাস্থ্য, শক্তি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার মানসিক দৃঢ়তা দান করেছেন তিনি।’
জন্মদিনে নিজের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন দান করেন, প্রতিটি দিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উপভোগ করার তাওফিক দেন। আশীর্বাদ, সুন্দর মুহূর্ত ও নতুন নতুন অর্জনে ভরে উঠুক জীবনের আরও একটি বছর।’
২০১২ সালে মোনালিসা যখন ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছিলেন, তখন নিউইয়র্কপ্রবাসী ফাইয়াজ শরীফকে বিয়ে করেন তিনি। পরের বছর স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সংসার শুরু করেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলা চ্যানেল টাইম টিভির প্রোগ্রাম প্রধান হিসেবেও কাজ শুরু করেন।
তবে স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তাদের সংসার। বিয়ের বছরখানেকের মধ্যেই বিচ্ছেদ হয় এই জুটির। এরপর এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন করে আর সংসার বাঁধেননি মোনালিসা। তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন তিনি।
মোনালিসা ৫ অক্টোবর ১৯৮৪ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আশরাফ হোসেন এবং মাতা মমতাজ বেগম। তিন বোনের মধ্যে মোনালিসা সবার ছোট। তার বড় দুই বোন মুনিরা ও মারিয়া।
মোনালিসার সংস্কৃতি অঙ্গনে পদচারণা শুরু হয় ১০ বছর বয়সে নাচ ও মডেলিংয়ের মধ্য দিয়ে। নৃত্যশিল্পী হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক যান। মডেলিংয়ে তারিক আনাম খান নির্দেশিত ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির বিজ্ঞাপন দিয়ে তিনি প্রথম সকলের নজর কাড়েন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় শুরু করেন। গুণী এই অভিনয়শিল্পী ২০০০ সালে মিস ফটোজেনিক খেতাব লাভ করেন। ২০০২ এবং ২০০৭ সালে বাংলালিংক দেশ টু বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য তিনি দুই বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে তারকা জরিপে সেরা নারী মডেলের পুরস্কার লাভ করেন।
২১ বছর বয়সে তিনি ‘কাগজের ফুল’ নাটকে অভিনয় করেন। পরে হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘তৃষ্ণা’ নাটকেও দেখা যায় তাকে। এরপর একে একে ‘বাজি’, ‘একটু ভালোবাসা’, ‘বান্দুলুম’, ‘রোমিওরা’ ‘অল রাউন্ডার’ ‘ভালো থেকো ফুল মিষ্টি বকুল’সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন।

বিয়ে-বিচ্ছেদের পর কেমন আছেন মোনালিসা
বিনোদন ডেস্ক

একসময় মডেলিং ও অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন মোজেজা আশরাফ মোনালিসা। তবে গত কয়েক বছর ধরে শোবিজ অঙ্গন থেকে দূরে আছেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এই অভিনেত্রী।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) ছিলো মোনালিসার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে জীবনের নানা উত্থান-পতন, পাওয়া-না পাওয়ার কথা তুলে ধরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সামাজিকমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে মোনালিসা লেখেন, ‘আজ জীবনের আরও একটি বছর পূর্ণ হওয়ার আনন্দ উদযাপন করছি। বছরটি নানা চ্যালেঞ্জ, শিক্ষা, উন্নতি ও আনন্দে ভরা ছিল। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের জন্য কৃতজ্ঞ। কারণ প্রতিটি অভিজ্ঞতা আজকের মানুষ হিসেবে আমাকে গড়ে তুলেছে।’
জীবনের নানা উত্থান-পতনের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন সত্ত্বেও কৃতজ্ঞ হওয়ার অসংখ্য কারণ খুঁজে পাই। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া। কারণ জীবনে আরও একটি বছর, সুস্বাস্থ্য, শক্তি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার মানসিক দৃঢ়তা দান করেছেন তিনি।’
জন্মদিনে নিজের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন দান করেন, প্রতিটি দিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উপভোগ করার তাওফিক দেন। আশীর্বাদ, সুন্দর মুহূর্ত ও নতুন নতুন অর্জনে ভরে উঠুক জীবনের আরও একটি বছর।’
২০১২ সালে মোনালিসা যখন ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছিলেন, তখন নিউইয়র্কপ্রবাসী ফাইয়াজ শরীফকে বিয়ে করেন তিনি। পরের বছর স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সংসার শুরু করেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলা চ্যানেল টাইম টিভির প্রোগ্রাম প্রধান হিসেবেও কাজ শুরু করেন।
তবে স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তাদের সংসার। বিয়ের বছরখানেকের মধ্যেই বিচ্ছেদ হয় এই জুটির। এরপর এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন করে আর সংসার বাঁধেননি মোনালিসা। তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন তিনি।
মোনালিসা ৫ অক্টোবর ১৯৮৪ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আশরাফ হোসেন এবং মাতা মমতাজ বেগম। তিন বোনের মধ্যে মোনালিসা সবার ছোট। তার বড় দুই বোন মুনিরা ও মারিয়া।
মোনালিসার সংস্কৃতি অঙ্গনে পদচারণা শুরু হয় ১০ বছর বয়সে নাচ ও মডেলিংয়ের মধ্য দিয়ে। নৃত্যশিল্পী হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক যান। মডেলিংয়ে তারিক আনাম খান নির্দেশিত ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির বিজ্ঞাপন দিয়ে তিনি প্রথম সকলের নজর কাড়েন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় শুরু করেন। গুণী এই অভিনয়শিল্পী ২০০০ সালে মিস ফটোজেনিক খেতাব লাভ করেন। ২০০২ এবং ২০০৭ সালে বাংলালিংক দেশ টু বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য তিনি দুই বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে তারকা জরিপে সেরা নারী মডেলের পুরস্কার লাভ করেন।
২১ বছর বয়সে তিনি ‘কাগজের ফুল’ নাটকে অভিনয় করেন। পরে হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘তৃষ্ণা’ নাটকেও দেখা যায় তাকে। এরপর একে একে ‘বাজি’, ‘একটু ভালোবাসা’, ‘বান্দুলুম’, ‘রোমিওরা’ ‘অল রাউন্ডার’ ‘ভালো থেকো ফুল মিষ্টি বকুল’সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন।

প্রীতম-শেহতাজের বিচ্ছেদ, কেন আলোচনায় সাফা কবির
বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী







