অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে মামলা

অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে মামলা
সিজেডএন ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তার খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার।
এর আগে, গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তার ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন।
মামলায় আরও বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি তার ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তার খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার।
এর আগে, গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তার ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন।
মামলায় আরও বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি তার ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে মামলা
সিজেডএন ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তার খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার।
এর আগে, গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তার ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন।
মামলায় আরও বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি তার ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

মমতাজের নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে ডিপজল বললেন ‘সানডে মানডে ক্লোজ’







