শাবনূরকে সালমান শাহের মৃতদেহ দেখতে দেননি ডলি জহুর

শাবনূরকে সালমান শাহের মৃতদেহ দেখতে দেননি ডলি জহুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

নায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে শাবনূরকে সহযোগিতা করেছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী ডলি জহুর– এ অভিযোগ করে আসছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী। তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন প্রায় পাঁচ দশক ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এই অভিনয়শিল্পী। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আসলে কেন আমার বিরুদ্ধে সালমানের মা ভিত্তিহীন অভিযোগ করে যাচ্ছেন তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। যেদিন সালমান মারা যায় সেদিন শাবনূরের বাসায় থাকাটাই আমার বড় ভুল হয়ে গেছে।
সেদিন কেন শাবনূরের বাসায় ছিলেন জানতে চাইলে ডলি জহুর বলেন, অভিনয়শিল্পী যারা মেকআপ নেন তাদের সবার কমবেশি স্কিন এলার্জি হয়। আমার তো মুখ, কিন্তু শাবনূরের গলার কাছে যেহেতু খোলা থাকে, সেখানেও মেকআপ নিতে হয়। তাই ওর এলার্জিটা অনেক বেশি। ও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা করাতে গেলো। দুই দিন আগে ফিরেছে, আমার মনে হলো ওকে যে প্রেসক্রিপশনটা দিয়েছে সেটা দেখি। সেই ভেবে বাসা থেকে বলে বের হলাম। ওর বাসা কাছেই, সেদিন ছিল শুক্রবার। রাস্তাও ফাঁকা, আমি গ্রিন রোড ভূতের গলি থেকে বের হয়ে রিকশা নিয়ে ওর বাসায় গেলাম। আসলে এ কারণেই সেদিন ওর বাসায় আমার যাওয়া।
শাবনূরের বাসায় থাকা অবস্থাতেই সালমানের মৃত্যুর খবর পান ডলি জহুর। তিনি বলেন, একটা ফোন এলো। শাবনূর সেই ফোন আমাকে রিসিভ করতে বলেছিলো। ফোন দিয়েছে মণ্ডল নামে একজন ডিরেক্টর। সে আমার গলা শুনেই চিনে ফেলেছে। আসলে তখন আমরা এমনই ছিলাম, গলা শুনেই চিনে ফেলতাম। মণ্ডল বললো, ‘ভাবি আপনি জানেন, সালমানকে হলি ফ্যামিলিতে নিয়ে আসছে, ও অ্যাকসিডেন্ট করেছে।’
ডলি জহুর বলেন, শাবনূর পাশ থেকে শুনে বলল, কী হয়েছে? ও কেন অ্যাকসিডেন্ট করবে? এরপর ফোন করলেন দিলু ভাই। তিনি বললেন, খবর বেশি ভালো না। হলি ফ্যামিলি রাখেনি। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাচ্ছি। এ ঘটনা শুনে শাবনূর নার্ভাস হয়ে পড়ে, আমারও হাত কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে যায়। এদিকে শাবনূর চিল্লাচিল্লি শুরু করেছে। বারবার বলছে, যেতে হবে। আমি বলি, চুপ থাক, দেখি, শুনি। ওকে বকাও দিলাম। আমরা অপেক্ষা করছি। তারপর পরিচালক শাহ আলম কিরণ ফোন দিলো। ও ফোন রাখার পরই কে যেন ফোন দিয়ে বলল ‘ও নেই’।
সালমানের মৃতদেহ দেখতে গেলেন না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্মাতা এহতেশাম শাবনূরকে নিয়ে বের হতে নিষেধ করেন। তিনি আমাকে কড়া নির্দেশ দেন। শাবনূর অনেক কান্নাকাটি করছিলো, বাসা থেকে বের হতে চাইছিলো। কিন্তু ওর মা বাসায় নেই, আমি কীভাবে বের হই। শাবনূর পাগলামি শুরু করেছে। ওখানে যাওয়ার কথা ও বারবার বলছে। তখন আমার হাত পা অবশ হয়ে আসছে। ওর তো কো-আর্টিস্ট ছিল সালমান। সেদিন ওর বাসায় সারাদিন ছিলাম, রাত ১২টা পর্যন্ত ছিলাম।
শাবনূরকে নির্মাতারা কেন যেতে দিতে বারণ করেছিলেন– এমন প্রশ্নে ডলি জহুর বলেন, আসলে সালমান আর শাবনূর যখন জুটি বেঁধে অভিনয় করত তখন তাদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। সালমান অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টির নায়িকাই ছিল শাবনূর। আবার সালমানের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সন্দেহের তীর শাবনূরের দিকেই তাক করা ছিলো। তাই এত মানুষের মধ্যে শাবনূর যদি সালমানকে দেখতে যেত তাহলে হয়তোবা আবেগী হয়ে মানুষ শাবনূরের ওপর আক্রমণ করে বসতে পারত। এ কারণেই নির্মাতারা ওকে যেতে দিতে বারণ করেছিলেন। তাই এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রিয় সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি শাবনূরের পক্ষে।
ডলি জহুর বলেন, সালমান শাহের মৃত্যুর ৩০ বছর পর এসেও প্রমাণ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে যেসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন আমি সবাইকে বলব, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে এসব বাদ দিয়ে প্রকৃত আসামিদের দিকে নজর দিন। না হলে হয়তো এমন ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, যতই ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হোক না কেন মিথ্যা দিয়ে সত্যকে কখনো ঢাকা যাবে না।

নায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে শাবনূরকে সহযোগিতা করেছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী ডলি জহুর– এ অভিযোগ করে আসছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী। তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন প্রায় পাঁচ দশক ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এই অভিনয়শিল্পী। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আসলে কেন আমার বিরুদ্ধে সালমানের মা ভিত্তিহীন অভিযোগ করে যাচ্ছেন তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। যেদিন সালমান মারা যায় সেদিন শাবনূরের বাসায় থাকাটাই আমার বড় ভুল হয়ে গেছে।
সেদিন কেন শাবনূরের বাসায় ছিলেন জানতে চাইলে ডলি জহুর বলেন, অভিনয়শিল্পী যারা মেকআপ নেন তাদের সবার কমবেশি স্কিন এলার্জি হয়। আমার তো মুখ, কিন্তু শাবনূরের গলার কাছে যেহেতু খোলা থাকে, সেখানেও মেকআপ নিতে হয়। তাই ওর এলার্জিটা অনেক বেশি। ও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা করাতে গেলো। দুই দিন আগে ফিরেছে, আমার মনে হলো ওকে যে প্রেসক্রিপশনটা দিয়েছে সেটা দেখি। সেই ভেবে বাসা থেকে বলে বের হলাম। ওর বাসা কাছেই, সেদিন ছিল শুক্রবার। রাস্তাও ফাঁকা, আমি গ্রিন রোড ভূতের গলি থেকে বের হয়ে রিকশা নিয়ে ওর বাসায় গেলাম। আসলে এ কারণেই সেদিন ওর বাসায় আমার যাওয়া।
শাবনূরের বাসায় থাকা অবস্থাতেই সালমানের মৃত্যুর খবর পান ডলি জহুর। তিনি বলেন, একটা ফোন এলো। শাবনূর সেই ফোন আমাকে রিসিভ করতে বলেছিলো। ফোন দিয়েছে মণ্ডল নামে একজন ডিরেক্টর। সে আমার গলা শুনেই চিনে ফেলেছে। আসলে তখন আমরা এমনই ছিলাম, গলা শুনেই চিনে ফেলতাম। মণ্ডল বললো, ‘ভাবি আপনি জানেন, সালমানকে হলি ফ্যামিলিতে নিয়ে আসছে, ও অ্যাকসিডেন্ট করেছে।’
ডলি জহুর বলেন, শাবনূর পাশ থেকে শুনে বলল, কী হয়েছে? ও কেন অ্যাকসিডেন্ট করবে? এরপর ফোন করলেন দিলু ভাই। তিনি বললেন, খবর বেশি ভালো না। হলি ফ্যামিলি রাখেনি। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাচ্ছি। এ ঘটনা শুনে শাবনূর নার্ভাস হয়ে পড়ে, আমারও হাত কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে যায়। এদিকে শাবনূর চিল্লাচিল্লি শুরু করেছে। বারবার বলছে, যেতে হবে। আমি বলি, চুপ থাক, দেখি, শুনি। ওকে বকাও দিলাম। আমরা অপেক্ষা করছি। তারপর পরিচালক শাহ আলম কিরণ ফোন দিলো। ও ফোন রাখার পরই কে যেন ফোন দিয়ে বলল ‘ও নেই’।
সালমানের মৃতদেহ দেখতে গেলেন না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্মাতা এহতেশাম শাবনূরকে নিয়ে বের হতে নিষেধ করেন। তিনি আমাকে কড়া নির্দেশ দেন। শাবনূর অনেক কান্নাকাটি করছিলো, বাসা থেকে বের হতে চাইছিলো। কিন্তু ওর মা বাসায় নেই, আমি কীভাবে বের হই। শাবনূর পাগলামি শুরু করেছে। ওখানে যাওয়ার কথা ও বারবার বলছে। তখন আমার হাত পা অবশ হয়ে আসছে। ওর তো কো-আর্টিস্ট ছিল সালমান। সেদিন ওর বাসায় সারাদিন ছিলাম, রাত ১২টা পর্যন্ত ছিলাম।
শাবনূরকে নির্মাতারা কেন যেতে দিতে বারণ করেছিলেন– এমন প্রশ্নে ডলি জহুর বলেন, আসলে সালমান আর শাবনূর যখন জুটি বেঁধে অভিনয় করত তখন তাদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। সালমান অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টির নায়িকাই ছিল শাবনূর। আবার সালমানের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সন্দেহের তীর শাবনূরের দিকেই তাক করা ছিলো। তাই এত মানুষের মধ্যে শাবনূর যদি সালমানকে দেখতে যেত তাহলে হয়তোবা আবেগী হয়ে মানুষ শাবনূরের ওপর আক্রমণ করে বসতে পারত। এ কারণেই নির্মাতারা ওকে যেতে দিতে বারণ করেছিলেন। তাই এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রিয় সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি শাবনূরের পক্ষে।
ডলি জহুর বলেন, সালমান শাহের মৃত্যুর ৩০ বছর পর এসেও প্রমাণ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে যেসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন আমি সবাইকে বলব, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে এসব বাদ দিয়ে প্রকৃত আসামিদের দিকে নজর দিন। না হলে হয়তো এমন ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, যতই ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হোক না কেন মিথ্যা দিয়ে সত্যকে কখনো ঢাকা যাবে না।

শাবনূরকে সালমান শাহের মৃতদেহ দেখতে দেননি ডলি জহুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

নায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে শাবনূরকে সহযোগিতা করেছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী ডলি জহুর– এ অভিযোগ করে আসছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী। তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন প্রায় পাঁচ দশক ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এই অভিনয়শিল্পী। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আসলে কেন আমার বিরুদ্ধে সালমানের মা ভিত্তিহীন অভিযোগ করে যাচ্ছেন তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। যেদিন সালমান মারা যায় সেদিন শাবনূরের বাসায় থাকাটাই আমার বড় ভুল হয়ে গেছে।
সেদিন কেন শাবনূরের বাসায় ছিলেন জানতে চাইলে ডলি জহুর বলেন, অভিনয়শিল্পী যারা মেকআপ নেন তাদের সবার কমবেশি স্কিন এলার্জি হয়। আমার তো মুখ, কিন্তু শাবনূরের গলার কাছে যেহেতু খোলা থাকে, সেখানেও মেকআপ নিতে হয়। তাই ওর এলার্জিটা অনেক বেশি। ও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা করাতে গেলো। দুই দিন আগে ফিরেছে, আমার মনে হলো ওকে যে প্রেসক্রিপশনটা দিয়েছে সেটা দেখি। সেই ভেবে বাসা থেকে বলে বের হলাম। ওর বাসা কাছেই, সেদিন ছিল শুক্রবার। রাস্তাও ফাঁকা, আমি গ্রিন রোড ভূতের গলি থেকে বের হয়ে রিকশা নিয়ে ওর বাসায় গেলাম। আসলে এ কারণেই সেদিন ওর বাসায় আমার যাওয়া।
শাবনূরের বাসায় থাকা অবস্থাতেই সালমানের মৃত্যুর খবর পান ডলি জহুর। তিনি বলেন, একটা ফোন এলো। শাবনূর সেই ফোন আমাকে রিসিভ করতে বলেছিলো। ফোন দিয়েছে মণ্ডল নামে একজন ডিরেক্টর। সে আমার গলা শুনেই চিনে ফেলেছে। আসলে তখন আমরা এমনই ছিলাম, গলা শুনেই চিনে ফেলতাম। মণ্ডল বললো, ‘ভাবি আপনি জানেন, সালমানকে হলি ফ্যামিলিতে নিয়ে আসছে, ও অ্যাকসিডেন্ট করেছে।’
ডলি জহুর বলেন, শাবনূর পাশ থেকে শুনে বলল, কী হয়েছে? ও কেন অ্যাকসিডেন্ট করবে? এরপর ফোন করলেন দিলু ভাই। তিনি বললেন, খবর বেশি ভালো না। হলি ফ্যামিলি রাখেনি। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাচ্ছি। এ ঘটনা শুনে শাবনূর নার্ভাস হয়ে পড়ে, আমারও হাত কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে যায়। এদিকে শাবনূর চিল্লাচিল্লি শুরু করেছে। বারবার বলছে, যেতে হবে। আমি বলি, চুপ থাক, দেখি, শুনি। ওকে বকাও দিলাম। আমরা অপেক্ষা করছি। তারপর পরিচালক শাহ আলম কিরণ ফোন দিলো। ও ফোন রাখার পরই কে যেন ফোন দিয়ে বলল ‘ও নেই’।
সালমানের মৃতদেহ দেখতে গেলেন না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্মাতা এহতেশাম শাবনূরকে নিয়ে বের হতে নিষেধ করেন। তিনি আমাকে কড়া নির্দেশ দেন। শাবনূর অনেক কান্নাকাটি করছিলো, বাসা থেকে বের হতে চাইছিলো। কিন্তু ওর মা বাসায় নেই, আমি কীভাবে বের হই। শাবনূর পাগলামি শুরু করেছে। ওখানে যাওয়ার কথা ও বারবার বলছে। তখন আমার হাত পা অবশ হয়ে আসছে। ওর তো কো-আর্টিস্ট ছিল সালমান। সেদিন ওর বাসায় সারাদিন ছিলাম, রাত ১২টা পর্যন্ত ছিলাম।
শাবনূরকে নির্মাতারা কেন যেতে দিতে বারণ করেছিলেন– এমন প্রশ্নে ডলি জহুর বলেন, আসলে সালমান আর শাবনূর যখন জুটি বেঁধে অভিনয় করত তখন তাদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। সালমান অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টির নায়িকাই ছিল শাবনূর। আবার সালমানের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সন্দেহের তীর শাবনূরের দিকেই তাক করা ছিলো। তাই এত মানুষের মধ্যে শাবনূর যদি সালমানকে দেখতে যেত তাহলে হয়তোবা আবেগী হয়ে মানুষ শাবনূরের ওপর আক্রমণ করে বসতে পারত। এ কারণেই নির্মাতারা ওকে যেতে দিতে বারণ করেছিলেন। তাই এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রিয় সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি শাবনূরের পক্ষে।
ডলি জহুর বলেন, সালমান শাহের মৃত্যুর ৩০ বছর পর এসেও প্রমাণ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে যেসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন আমি সবাইকে বলব, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে এসব বাদ দিয়ে প্রকৃত আসামিদের দিকে নজর দিন। না হলে হয়তো এমন ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, যতই ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হোক না কেন মিথ্যা দিয়ে সত্যকে কখনো ঢাকা যাবে না।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডন কারাগারে







