নানা পাটেকরের জনপ্রিয় ৫ সিনেমা

নানা পাটেকরের জনপ্রিয় ৫ সিনেমা
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের জনপ্রিয় ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অভিনেতা নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বৈচিত্র্যময় চরিত্র এবং নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অনন্য এক স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ৭৫ বয়সি এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
ক্যারিয়ারে শতাধিক সিনেমায় কাজ করা এই অভিনেতার স্মরণীয় ও দর্শকনন্দিত ৫টি সিনেমা নিচে তুলে ধরা হলো:
পরিন্দা
১৯৮৯ সালে পরিন্দা মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেন বিধু বিনোদ চোপড়া। অপরাধবিষয়ক এই ক্রাইম ড্রামা সিনেমাটি নানা পাটেকরের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দুই ভাই কিষাণ ও কারানের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে গল্প এগিয়ে গেছে। এতে মুম্বাইয়ের নির্মম গ্যাংস্টার ‘আন্না’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পান নানা পাটেকর। তার সাবলীল অথচ শক্তিশালী প্রকাশভঙ্গি আন্না চরিত্রটিকে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় খলনায়কে পরিণত করেছে।
ক্রান্তিবীর
মেহুল কুমার পরিচালি সিনেমাটি ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এতে ‘প্রতাপ’ নামের এক লক্ষ্যহীন ও মদ্যপ যুবকের চরিত্র অভিনয় করেন তিনি। যে পরবর্তীতে সমাজের অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
হিন্দু ও মুসলিমের রক্তের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই- সিনেমাটিতে নানা পাটেকরের দেওয়া এই ঐতিহাসিক ডায়ালগটি আজও দর্শকের মুখে মুখে ফেরে।
অগ্নি সাক্ষী
পার্থ ঘোষ পরিচালিত সিনেমাটি ১৯৯৬ সাল মুক্তি পায়। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমায় মনিশা কৈরালা এবং জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন নানা পাটেকর। বিয়ের পর এক নারীর অতীত কীভাবে তার নতুন জীবনে আতঙ্ক ডেকে আনে, তা নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। এতে এক জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রে দেখা যায় পাটেকরকে। তার রূপায়ণ সিনেমাটির রহস্য ও টানটান উত্তেজনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।
অব তাক ছাপ্পান
শিমিত আমিন পরিচালিত সিনেমাটি ২০০৪ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এই ক্রাইম ড্রামায় এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট পুলিশ অফিসার ‘সাধু আগাশে’র চারিত্রে দেখা যায় নানা পাটেকরকে। এটি কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক পুলিশ সিনেমা নয়; বরং অপরাধ দমন করতে গিয়ে একজন পুলিশ অফিসারের ব্যক্তিগত জীবনের নির্মম বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নানা পাটেকরের বাস্তবসম্মত অভিনয় সিনেমাটিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।
ওয়েলকাম
যারা নানা পাটেকরকে শুধু গম্ভীর বা রাগী চরিত্রেই দেখে অভ্যস্ত, সিনেমাটি তাদের ধারণা বদলে দেবে। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাকে গ্যাংস্টার-কাম কমেডিয়ান চরিত্রে দেখা যায়। আনিস বাজমি পরিচালিত এই ক্লাসিক কমেডি সিনেমায় ডন ‘উদয় শেঠি’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। অনিল কাপুরের (মজনু ভাই) সঙ্গে তার কমেডি টাইমিং এবং হাস্যরসাত্মক সংলাপ আজও মিম সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে।
এছাড়া ‘রাজনীতি’, ‘ওয়েলকাম টু জঙ্গল’ এবং ‘ও রোমিও’-র মতো সিনেমাগুলোতেও তার উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভারতের জনপ্রিয় ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অভিনেতা নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বৈচিত্র্যময় চরিত্র এবং নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অনন্য এক স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ৭৫ বয়সি এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
ক্যারিয়ারে শতাধিক সিনেমায় কাজ করা এই অভিনেতার স্মরণীয় ও দর্শকনন্দিত ৫টি সিনেমা নিচে তুলে ধরা হলো:
পরিন্দা
১৯৮৯ সালে পরিন্দা মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেন বিধু বিনোদ চোপড়া। অপরাধবিষয়ক এই ক্রাইম ড্রামা সিনেমাটি নানা পাটেকরের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দুই ভাই কিষাণ ও কারানের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে গল্প এগিয়ে গেছে। এতে মুম্বাইয়ের নির্মম গ্যাংস্টার ‘আন্না’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পান নানা পাটেকর। তার সাবলীল অথচ শক্তিশালী প্রকাশভঙ্গি আন্না চরিত্রটিকে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় খলনায়কে পরিণত করেছে।
ক্রান্তিবীর
মেহুল কুমার পরিচালি সিনেমাটি ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এতে ‘প্রতাপ’ নামের এক লক্ষ্যহীন ও মদ্যপ যুবকের চরিত্র অভিনয় করেন তিনি। যে পরবর্তীতে সমাজের অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
হিন্দু ও মুসলিমের রক্তের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই- সিনেমাটিতে নানা পাটেকরের দেওয়া এই ঐতিহাসিক ডায়ালগটি আজও দর্শকের মুখে মুখে ফেরে।
অগ্নি সাক্ষী
পার্থ ঘোষ পরিচালিত সিনেমাটি ১৯৯৬ সাল মুক্তি পায়। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমায় মনিশা কৈরালা এবং জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন নানা পাটেকর। বিয়ের পর এক নারীর অতীত কীভাবে তার নতুন জীবনে আতঙ্ক ডেকে আনে, তা নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। এতে এক জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রে দেখা যায় পাটেকরকে। তার রূপায়ণ সিনেমাটির রহস্য ও টানটান উত্তেজনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।
অব তাক ছাপ্পান
শিমিত আমিন পরিচালিত সিনেমাটি ২০০৪ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এই ক্রাইম ড্রামায় এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট পুলিশ অফিসার ‘সাধু আগাশে’র চারিত্রে দেখা যায় নানা পাটেকরকে। এটি কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক পুলিশ সিনেমা নয়; বরং অপরাধ দমন করতে গিয়ে একজন পুলিশ অফিসারের ব্যক্তিগত জীবনের নির্মম বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নানা পাটেকরের বাস্তবসম্মত অভিনয় সিনেমাটিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।
ওয়েলকাম
যারা নানা পাটেকরকে শুধু গম্ভীর বা রাগী চরিত্রেই দেখে অভ্যস্ত, সিনেমাটি তাদের ধারণা বদলে দেবে। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাকে গ্যাংস্টার-কাম কমেডিয়ান চরিত্রে দেখা যায়। আনিস বাজমি পরিচালিত এই ক্লাসিক কমেডি সিনেমায় ডন ‘উদয় শেঠি’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। অনিল কাপুরের (মজনু ভাই) সঙ্গে তার কমেডি টাইমিং এবং হাস্যরসাত্মক সংলাপ আজও মিম সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে।
এছাড়া ‘রাজনীতি’, ‘ওয়েলকাম টু জঙ্গল’ এবং ‘ও রোমিও’-র মতো সিনেমাগুলোতেও তার উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

নানা পাটেকরের জনপ্রিয় ৫ সিনেমা
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের জনপ্রিয় ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অভিনেতা নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বৈচিত্র্যময় চরিত্র এবং নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অনন্য এক স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ৭৫ বয়সি এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
ক্যারিয়ারে শতাধিক সিনেমায় কাজ করা এই অভিনেতার স্মরণীয় ও দর্শকনন্দিত ৫টি সিনেমা নিচে তুলে ধরা হলো:
পরিন্দা
১৯৮৯ সালে পরিন্দা মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেন বিধু বিনোদ চোপড়া। অপরাধবিষয়ক এই ক্রাইম ড্রামা সিনেমাটি নানা পাটেকরের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দুই ভাই কিষাণ ও কারানের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে গল্প এগিয়ে গেছে। এতে মুম্বাইয়ের নির্মম গ্যাংস্টার ‘আন্না’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পান নানা পাটেকর। তার সাবলীল অথচ শক্তিশালী প্রকাশভঙ্গি আন্না চরিত্রটিকে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় খলনায়কে পরিণত করেছে।
ক্রান্তিবীর
মেহুল কুমার পরিচালি সিনেমাটি ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এতে ‘প্রতাপ’ নামের এক লক্ষ্যহীন ও মদ্যপ যুবকের চরিত্র অভিনয় করেন তিনি। যে পরবর্তীতে সমাজের অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
হিন্দু ও মুসলিমের রক্তের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই- সিনেমাটিতে নানা পাটেকরের দেওয়া এই ঐতিহাসিক ডায়ালগটি আজও দর্শকের মুখে মুখে ফেরে।
অগ্নি সাক্ষী
পার্থ ঘোষ পরিচালিত সিনেমাটি ১৯৯৬ সাল মুক্তি পায়। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমায় মনিশা কৈরালা এবং জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন নানা পাটেকর। বিয়ের পর এক নারীর অতীত কীভাবে তার নতুন জীবনে আতঙ্ক ডেকে আনে, তা নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। এতে এক জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রে দেখা যায় পাটেকরকে। তার রূপায়ণ সিনেমাটির রহস্য ও টানটান উত্তেজনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।
অব তাক ছাপ্পান
শিমিত আমিন পরিচালিত সিনেমাটি ২০০৪ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এই ক্রাইম ড্রামায় এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট পুলিশ অফিসার ‘সাধু আগাশে’র চারিত্রে দেখা যায় নানা পাটেকরকে। এটি কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক পুলিশ সিনেমা নয়; বরং অপরাধ দমন করতে গিয়ে একজন পুলিশ অফিসারের ব্যক্তিগত জীবনের নির্মম বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নানা পাটেকরের বাস্তবসম্মত অভিনয় সিনেমাটিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।
ওয়েলকাম
যারা নানা পাটেকরকে শুধু গম্ভীর বা রাগী চরিত্রেই দেখে অভ্যস্ত, সিনেমাটি তাদের ধারণা বদলে দেবে। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাকে গ্যাংস্টার-কাম কমেডিয়ান চরিত্রে দেখা যায়। আনিস বাজমি পরিচালিত এই ক্লাসিক কমেডি সিনেমায় ডন ‘উদয় শেঠি’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। অনিল কাপুরের (মজনু ভাই) সঙ্গে তার কমেডি টাইমিং এবং হাস্যরসাত্মক সংলাপ আজও মিম সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে।
এছাড়া ‘রাজনীতি’, ‘ওয়েলকাম টু জঙ্গল’ এবং ‘ও রোমিও’-র মতো সিনেমাগুলোতেও তার উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

নানা পাটেকর অভিনীত শেষ দুই সিনেমা মুক্তি পাবে কবে
শেষ বক্তব্যে যা বলেছিলেন নানা পাটেকর







