বিসিএসে যোগ্য প্রার্থী সংকট, যেসব কারণে শূন্য থাকছে হাজারো পদ

বিসিএসে যোগ্য প্রার্থী সংকট, যেসব কারণে শূন্য থাকছে হাজারো পদ
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

লাখ লাখ প্রার্থীর তীব্র প্রতিযোগিতা, একের পর এক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ। তবু বিসিএসে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী পূরণ হচ্ছে না সব পদ। বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় প্রতিবছরই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্য থাকছে। ফলে একদিকে সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও কাঙ্ক্ষিত পদে নিয়োগ পাচ্ছেন না।
বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারগুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন, পরিসংখ্যান, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষা ক্যাডারের মতো বিশেষায়িত পদে শুধু বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই নিয়োগের সুযোগ থাকে না। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, একাডেমিক ফল, পেশাগত নিবন্ধনসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে বিপুলসংখ্যক পদ থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না।
৪৭তম বিসিএসের ফলাফলেই এর স্পষ্ট চিত্র দেখা যায়। সরকারি কলেজে বাংলা বিষয়ের প্রভাষক পদ ছিল ১৩২টি। সেখানে আবেদন করেছিলেন ১৫ হাজারের বেশি প্রার্থী। কিন্তু প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ১০ জন। অর্থাৎ হাজার হাজার আবেদনকারী থাকলেও নির্দিষ্ট ক্যাডারের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ন্যূনতম যোগ্যতা ও পাস নম্বর অর্জনকারী প্রার্থী না পাওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের এসব পদে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি। কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় পদগুলো শূন্য রাখা হয়।
আরেকটি সমস্যা দেখা যাচ্ছে শিক্ষা ক্যাডারে। ৪৭তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারে মোট ৯২৯টি পদের মধ্যে ৭১৩টি পদেই কাউকে সুপারিশ করা হয়নি। ৫০তম বিসিএসের প্রার্থীরা এখন এসব শূন্য পদ- পরবর্তী বিসিএসে যুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, একদিকে সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট থাকছে, অন্যদিকে যোগ্য প্রার্থীরাও চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিসিএসে পদ শূন্য থাকার পেছনে বিশেষায়িত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ঘাটতি, পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে প্রার্থী বাছাই, নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর, পেশাগত যোগ্যতার শর্ত, শিক্ষা ক্যাডারের পদ না যুক্ত করা এবং নন-ক্যাডার পদের সীমাবদ্ধতা সবগুলো কারণই কাজ করছে। ফলে একদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থীর প্রতিযোগিতার মধ্যেও বিপুলসংখ্যক পদ পূরণ হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিসিএসের মতো জায়গায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না, এটি আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা কারিকুলাম বা শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করছেন, তাদের বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে চাকরির বাজারের চাহিদার সামঞ্জস্য কতটা রয়েছে, সেটিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।’
পদগুলো শূন্য থাকার কারণ জানতে চাইলে পিএসসির সদস্য শাব্বির আহমদ চৌধুরী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বিসিএসের সুপারিশের পর দ্রুত গেজেট প্রকাশ না হলে একই প্রার্থী একাধিক বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত একটি পদে যোগ দেন। ফলে অন্য বিসিএসগুলোর পদ শূন্য থেকে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলা এবং প্রার্থীদের একাধিক বিসিএসে অংশ নেওয়াও পদ শূন্য থাকার অন্যতম কারণ। পিএসসি সুপারিশ করার পর নিয়োগ ও গেজেট প্রকাশের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। গেজেট দ্রুত প্রকাশ করা গেলে এ সংকট কমে যাবে।

লাখ লাখ প্রার্থীর তীব্র প্রতিযোগিতা, একের পর এক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ। তবু বিসিএসে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী পূরণ হচ্ছে না সব পদ। বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় প্রতিবছরই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্য থাকছে। ফলে একদিকে সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও কাঙ্ক্ষিত পদে নিয়োগ পাচ্ছেন না।
বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারগুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন, পরিসংখ্যান, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষা ক্যাডারের মতো বিশেষায়িত পদে শুধু বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই নিয়োগের সুযোগ থাকে না। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, একাডেমিক ফল, পেশাগত নিবন্ধনসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে বিপুলসংখ্যক পদ থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না।
৪৭তম বিসিএসের ফলাফলেই এর স্পষ্ট চিত্র দেখা যায়। সরকারি কলেজে বাংলা বিষয়ের প্রভাষক পদ ছিল ১৩২টি। সেখানে আবেদন করেছিলেন ১৫ হাজারের বেশি প্রার্থী। কিন্তু প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ১০ জন। অর্থাৎ হাজার হাজার আবেদনকারী থাকলেও নির্দিষ্ট ক্যাডারের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ন্যূনতম যোগ্যতা ও পাস নম্বর অর্জনকারী প্রার্থী না পাওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের এসব পদে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি। কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় পদগুলো শূন্য রাখা হয়।
আরেকটি সমস্যা দেখা যাচ্ছে শিক্ষা ক্যাডারে। ৪৭তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারে মোট ৯২৯টি পদের মধ্যে ৭১৩টি পদেই কাউকে সুপারিশ করা হয়নি। ৫০তম বিসিএসের প্রার্থীরা এখন এসব শূন্য পদ- পরবর্তী বিসিএসে যুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, একদিকে সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট থাকছে, অন্যদিকে যোগ্য প্রার্থীরাও চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিসিএসে পদ শূন্য থাকার পেছনে বিশেষায়িত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ঘাটতি, পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে প্রার্থী বাছাই, নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর, পেশাগত যোগ্যতার শর্ত, শিক্ষা ক্যাডারের পদ না যুক্ত করা এবং নন-ক্যাডার পদের সীমাবদ্ধতা সবগুলো কারণই কাজ করছে। ফলে একদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থীর প্রতিযোগিতার মধ্যেও বিপুলসংখ্যক পদ পূরণ হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিসিএসের মতো জায়গায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না, এটি আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা কারিকুলাম বা শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করছেন, তাদের বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে চাকরির বাজারের চাহিদার সামঞ্জস্য কতটা রয়েছে, সেটিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।’
পদগুলো শূন্য থাকার কারণ জানতে চাইলে পিএসসির সদস্য শাব্বির আহমদ চৌধুরী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বিসিএসের সুপারিশের পর দ্রুত গেজেট প্রকাশ না হলে একই প্রার্থী একাধিক বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত একটি পদে যোগ দেন। ফলে অন্য বিসিএসগুলোর পদ শূন্য থেকে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলা এবং প্রার্থীদের একাধিক বিসিএসে অংশ নেওয়াও পদ শূন্য থাকার অন্যতম কারণ। পিএসসি সুপারিশ করার পর নিয়োগ ও গেজেট প্রকাশের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। গেজেট দ্রুত প্রকাশ করা গেলে এ সংকট কমে যাবে।

বিসিএসে যোগ্য প্রার্থী সংকট, যেসব কারণে শূন্য থাকছে হাজারো পদ
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

লাখ লাখ প্রার্থীর তীব্র প্রতিযোগিতা, একের পর এক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ। তবু বিসিএসে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী পূরণ হচ্ছে না সব পদ। বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় প্রতিবছরই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্য থাকছে। ফলে একদিকে সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও কাঙ্ক্ষিত পদে নিয়োগ পাচ্ছেন না।
বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও পেশাগত ক্যাডারগুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন, পরিসংখ্যান, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষা ক্যাডারের মতো বিশেষায়িত পদে শুধু বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই নিয়োগের সুযোগ থাকে না। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, একাডেমিক ফল, পেশাগত নিবন্ধনসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে বিপুলসংখ্যক পদ থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না।
৪৭তম বিসিএসের ফলাফলেই এর স্পষ্ট চিত্র দেখা যায়। সরকারি কলেজে বাংলা বিষয়ের প্রভাষক পদ ছিল ১৩২টি। সেখানে আবেদন করেছিলেন ১৫ হাজারের বেশি প্রার্থী। কিন্তু প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ১০ জন। অর্থাৎ হাজার হাজার আবেদনকারী থাকলেও নির্দিষ্ট ক্যাডারের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ন্যূনতম যোগ্যতা ও পাস নম্বর অর্জনকারী প্রার্থী না পাওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের এসব পদে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি। কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় পদগুলো শূন্য রাখা হয়।
আরেকটি সমস্যা দেখা যাচ্ছে শিক্ষা ক্যাডারে। ৪৭তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারে মোট ৯২৯টি পদের মধ্যে ৭১৩টি পদেই কাউকে সুপারিশ করা হয়নি। ৫০তম বিসিএসের প্রার্থীরা এখন এসব শূন্য পদ- পরবর্তী বিসিএসে যুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, একদিকে সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট থাকছে, অন্যদিকে যোগ্য প্রার্থীরাও চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিসিএসে পদ শূন্য থাকার পেছনে বিশেষায়িত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ঘাটতি, পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে প্রার্থী বাছাই, নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর, পেশাগত যোগ্যতার শর্ত, শিক্ষা ক্যাডারের পদ না যুক্ত করা এবং নন-ক্যাডার পদের সীমাবদ্ধতা সবগুলো কারণই কাজ করছে। ফলে একদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকট থাকছে, অন্যদিকে লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থীর প্রতিযোগিতার মধ্যেও বিপুলসংখ্যক পদ পূরণ হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিসিএসের মতো জায়গায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না, এটি আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা কারিকুলাম বা শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করছেন, তাদের বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে চাকরির বাজারের চাহিদার সামঞ্জস্য কতটা রয়েছে, সেটিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।’
পদগুলো শূন্য থাকার কারণ জানতে চাইলে পিএসসির সদস্য শাব্বির আহমদ চৌধুরী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বিসিএসের সুপারিশের পর দ্রুত গেজেট প্রকাশ না হলে একই প্রার্থী একাধিক বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত একটি পদে যোগ দেন। ফলে অন্য বিসিএসগুলোর পদ শূন্য থেকে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলা এবং প্রার্থীদের একাধিক বিসিএসে অংশ নেওয়াও পদ শূন্য থাকার অন্যতম কারণ। পিএসসি সুপারিশ করার পর নিয়োগ ও গেজেট প্রকাশের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। গেজেট দ্রুত প্রকাশ করা গেলে এ সংকট কমে যাবে।









