চুয়েটে আজও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি

চুয়েটে আজও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো এই কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কসূচি থেকে দাবি মেনে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি পাঠ করা হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করা হয়। এই কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমকে অব্যাহতি এবং নতুন উপাচার্য নিয়োগসংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস আরিয়ান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা একটি খোলা চিঠি পাঠ করেন।
ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘আমরা দিনের পর দিন ক্লাস, পরীক্ষা ও ল্যাব থেকে দূরে আছি। যে সময়টুকু আমাদের পড়ার টেবিলে, গবেষণাগারে কিংবা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাটানোর কথা, সেই সময়টুকু এখন কাটছে অনিশ্চয়তা, অবস্থান আর অপেক্ষার মধ্যে। এই সংগ্রামের প্রতিটি দিন আমাদের কাছ থেকে কিছু না কিছু কেড়ে নিচ্ছে।’
উপাচার্য পরিবর্তনের প্রজ্ঞাপনে ‘আকস্মিক পরিবর্তনের’ কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি দাবি করে চিঠিতে বলা হয়, ‘আমাদের আপত্তি নতুন উপাচার্যের ব্যক্তি বা যোগ্যতা নিয়ে নয়। এই অল্প সময়েই অধ্যাপক সায়েম স্যারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যে আস্থা তৈরি হয়েছিল এবং শিক্ষা, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ নিয়ে যে কাজ ও পরিকল্পনাগুলো শুরু হয়েছিল, আমরা সেই আস্থা ও ধারাবাহিকতা হারাতে চাই না।’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এই দাবির জন্য আমরা যে মূল্য দিচ্ছি, সেটিও ছোটো নয়। আমাদের ক্লাস থেমে আছে, ল্যাব থেমে আছে, পরীক্ষা অনিশ্চিত। একেকটি দিন চলে যাওয়ার অর্থ একেকটি ব্যাচের একাডেমিক ক্যালেন্ডার আরও পিছিয়ে যাওয়া; কারও ইন্টার্নশিপ, কারও স্কলারশিপের আবেদন, কারও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, কারও চাকরির পরিকল্পনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়া।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, “আমাদের অবস্থান তাই স্পষ্ট এবং সীমিত। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত অবস্থান নেই। আমরা অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহাল চাই। একই সঙ্গে চাই এই সংকটের দ্রুত সমাধান, যাতে আর একটি দিনও অকারণে নষ্ট না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রমে আমরা ফিরে যেতে পারি।”
খোলা চিঠিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা আমাদের দাবি পূরণ হতে দেখতে চাই, আবার ক্লাসে ফিরতে চাই, ল্যাবে ফিরতে চাই, পরীক্ষার হলে ফিরতে চাই।
গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া শাটডাউন কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের মূল ফটক বন্ধ রেখে ভেতরে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো এই কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কসূচি থেকে দাবি মেনে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি পাঠ করা হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করা হয়। এই কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমকে অব্যাহতি এবং নতুন উপাচার্য নিয়োগসংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস আরিয়ান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা একটি খোলা চিঠি পাঠ করেন।
ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘আমরা দিনের পর দিন ক্লাস, পরীক্ষা ও ল্যাব থেকে দূরে আছি। যে সময়টুকু আমাদের পড়ার টেবিলে, গবেষণাগারে কিংবা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাটানোর কথা, সেই সময়টুকু এখন কাটছে অনিশ্চয়তা, অবস্থান আর অপেক্ষার মধ্যে। এই সংগ্রামের প্রতিটি দিন আমাদের কাছ থেকে কিছু না কিছু কেড়ে নিচ্ছে।’
উপাচার্য পরিবর্তনের প্রজ্ঞাপনে ‘আকস্মিক পরিবর্তনের’ কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি দাবি করে চিঠিতে বলা হয়, ‘আমাদের আপত্তি নতুন উপাচার্যের ব্যক্তি বা যোগ্যতা নিয়ে নয়। এই অল্প সময়েই অধ্যাপক সায়েম স্যারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যে আস্থা তৈরি হয়েছিল এবং শিক্ষা, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ নিয়ে যে কাজ ও পরিকল্পনাগুলো শুরু হয়েছিল, আমরা সেই আস্থা ও ধারাবাহিকতা হারাতে চাই না।’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এই দাবির জন্য আমরা যে মূল্য দিচ্ছি, সেটিও ছোটো নয়। আমাদের ক্লাস থেমে আছে, ল্যাব থেমে আছে, পরীক্ষা অনিশ্চিত। একেকটি দিন চলে যাওয়ার অর্থ একেকটি ব্যাচের একাডেমিক ক্যালেন্ডার আরও পিছিয়ে যাওয়া; কারও ইন্টার্নশিপ, কারও স্কলারশিপের আবেদন, কারও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, কারও চাকরির পরিকল্পনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়া।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, “আমাদের অবস্থান তাই স্পষ্ট এবং সীমিত। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত অবস্থান নেই। আমরা অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহাল চাই। একই সঙ্গে চাই এই সংকটের দ্রুত সমাধান, যাতে আর একটি দিনও অকারণে নষ্ট না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রমে আমরা ফিরে যেতে পারি।”
খোলা চিঠিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা আমাদের দাবি পূরণ হতে দেখতে চাই, আবার ক্লাসে ফিরতে চাই, ল্যাবে ফিরতে চাই, পরীক্ষার হলে ফিরতে চাই।
গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া শাটডাউন কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের মূল ফটক বন্ধ রেখে ভেতরে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

চুয়েটে আজও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো এই কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কসূচি থেকে দাবি মেনে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি পাঠ করা হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করা হয়। এই কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমকে অব্যাহতি এবং নতুন উপাচার্য নিয়োগসংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস আরিয়ান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা একটি খোলা চিঠি পাঠ করেন।
ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘আমরা দিনের পর দিন ক্লাস, পরীক্ষা ও ল্যাব থেকে দূরে আছি। যে সময়টুকু আমাদের পড়ার টেবিলে, গবেষণাগারে কিংবা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাটানোর কথা, সেই সময়টুকু এখন কাটছে অনিশ্চয়তা, অবস্থান আর অপেক্ষার মধ্যে। এই সংগ্রামের প্রতিটি দিন আমাদের কাছ থেকে কিছু না কিছু কেড়ে নিচ্ছে।’
উপাচার্য পরিবর্তনের প্রজ্ঞাপনে ‘আকস্মিক পরিবর্তনের’ কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি দাবি করে চিঠিতে বলা হয়, ‘আমাদের আপত্তি নতুন উপাচার্যের ব্যক্তি বা যোগ্যতা নিয়ে নয়। এই অল্প সময়েই অধ্যাপক সায়েম স্যারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যে আস্থা তৈরি হয়েছিল এবং শিক্ষা, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ নিয়ে যে কাজ ও পরিকল্পনাগুলো শুরু হয়েছিল, আমরা সেই আস্থা ও ধারাবাহিকতা হারাতে চাই না।’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এই দাবির জন্য আমরা যে মূল্য দিচ্ছি, সেটিও ছোটো নয়। আমাদের ক্লাস থেমে আছে, ল্যাব থেমে আছে, পরীক্ষা অনিশ্চিত। একেকটি দিন চলে যাওয়ার অর্থ একেকটি ব্যাচের একাডেমিক ক্যালেন্ডার আরও পিছিয়ে যাওয়া; কারও ইন্টার্নশিপ, কারও স্কলারশিপের আবেদন, কারও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, কারও চাকরির পরিকল্পনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়া।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, “আমাদের অবস্থান তাই স্পষ্ট এবং সীমিত। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত অবস্থান নেই। আমরা অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহাল চাই। একই সঙ্গে চাই এই সংকটের দ্রুত সমাধান, যাতে আর একটি দিনও অকারণে নষ্ট না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রমে আমরা ফিরে যেতে পারি।”
খোলা চিঠিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা আমাদের দাবি পূরণ হতে দেখতে চাই, আবার ক্লাসে ফিরতে চাই, ল্যাবে ফিরতে চাই, পরীক্ষার হলে ফিরতে চাই।
গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া শাটডাউন কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের মূল ফটক বন্ধ রেখে ভেতরে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।









