ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ’। একইসঙ্গে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত নিয়োগ সুপারিশ কমিটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মহাসচিব মো. কামরুল খান এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশের যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, তা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছিল। কর্মচারী সমাজও এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল।
নেতারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছে, যা উদ্বেগজনক। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং এ কারণে নানা ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ঘুষ ও অনিয়ম বন্ধে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের নতুন পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আগের পরিপত্র বহাল রাখবে বলে তারা আশা করছেন। অন্যথায়, কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে বৃহত্তর আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।
এদিকে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে অনেক শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ ব্যবহারকারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরে যাওয়ায় আগের মতো অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ বাড়তে পারে।
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মাহবুবুর রহমান লেখেন, ‘যোগ্যতার চেয়ে যদি টাকার মূল্য বেশি হয়, তাহলে মেধাবীরা কখনোই ন্যায্য সুযোগ পাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমে অশিক্ষক নিয়োগে টাকার খেলা বাতিল করুন।’
এ বিষয়ে এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব কামরুল খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘এতদিন সরকারের প্রতিনিধিরা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের দায়িত্বে ছিল। এতে সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির হাতে এই দায়িত্ব গেলে নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যাবে। এছাড়া এভাবে যারা নিয়োগ পাবে তাদের দ্বারাও দুর্নীতি হবে। তাই আমরা সরকারকে বিষয়টি পুনর্মুল্যায়নের দাবি জানাচ্ছি।’

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ’। একইসঙ্গে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত নিয়োগ সুপারিশ কমিটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মহাসচিব মো. কামরুল খান এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশের যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, তা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছিল। কর্মচারী সমাজও এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল।
নেতারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছে, যা উদ্বেগজনক। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং এ কারণে নানা ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ঘুষ ও অনিয়ম বন্ধে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের নতুন পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আগের পরিপত্র বহাল রাখবে বলে তারা আশা করছেন। অন্যথায়, কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে বৃহত্তর আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।
এদিকে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে অনেক শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ ব্যবহারকারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরে যাওয়ায় আগের মতো অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ বাড়তে পারে।
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মাহবুবুর রহমান লেখেন, ‘যোগ্যতার চেয়ে যদি টাকার মূল্য বেশি হয়, তাহলে মেধাবীরা কখনোই ন্যায্য সুযোগ পাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমে অশিক্ষক নিয়োগে টাকার খেলা বাতিল করুন।’
এ বিষয়ে এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব কামরুল খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘এতদিন সরকারের প্রতিনিধিরা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের দায়িত্বে ছিল। এতে সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির হাতে এই দায়িত্ব গেলে নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যাবে। এছাড়া এভাবে যারা নিয়োগ পাবে তাদের দ্বারাও দুর্নীতি হবে। তাই আমরা সরকারকে বিষয়টি পুনর্মুল্যায়নের দাবি জানাচ্ছি।’

ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ’। একইসঙ্গে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত নিয়োগ সুপারিশ কমিটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মহাসচিব মো. কামরুল খান এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশের যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, তা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছিল। কর্মচারী সমাজও এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল।
নেতারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছে, যা উদ্বেগজনক। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং এ কারণে নানা ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ঘুষ ও অনিয়ম বন্ধে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের নতুন পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আগের পরিপত্র বহাল রাখবে বলে তারা আশা করছেন। অন্যথায়, কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে বৃহত্তর আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।
এদিকে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে অনেক শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ ব্যবহারকারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরে যাওয়ায় আগের মতো অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ বাড়তে পারে।
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মাহবুবুর রহমান লেখেন, ‘যোগ্যতার চেয়ে যদি টাকার মূল্য বেশি হয়, তাহলে মেধাবীরা কখনোই ন্যায্য সুযোগ পাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমে অশিক্ষক নিয়োগে টাকার খেলা বাতিল করুন।’
এ বিষয়ে এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব কামরুল খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘এতদিন সরকারের প্রতিনিধিরা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের দায়িত্বে ছিল। এতে সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির হাতে এই দায়িত্ব গেলে নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যাবে। এছাড়া এভাবে যারা নিয়োগ পাবে তাদের দ্বারাও দুর্নীতি হবে। তাই আমরা সরকারকে বিষয়টি পুনর্মুল্যায়নের দাবি জানাচ্ছি।’

৩য়-৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা ফিরলো গভর্নিং বডির হাতে







