একাদশের ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

একাদশের ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি শিক্ষাবর্ষেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে, এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
চলতি বছর সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে যা ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এছাড়া, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এদিকে, ফল প্রকাশের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। কলেজে ভর্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পুরনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতে এবছরও একাদশে ভর্তি হবে।’
এসএসসির ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চলতি শিক্ষাবর্ষেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে, এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
চলতি বছর সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে যা ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এছাড়া, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এদিকে, ফল প্রকাশের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। কলেজে ভর্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পুরনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতে এবছরও একাদশে ভর্তি হবে।’
এসএসসির ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

একাদশের ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি শিক্ষাবর্ষেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে, এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
চলতি বছর সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে যা ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এছাড়া, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এদিকে, ফল প্রকাশের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। কলেজে ভর্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পুরনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতে এবছরও একাদশে ভর্তি হবে।’
এসএসসির ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি







