ঢাকায় আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

ঢাকায় আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুরু হতে যাওয়া এ মেলায় ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত মেলার ১৪তম আসর চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এআইনির্ভর পর্যটন, টেকসই গন্তব্য’।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
তিনি বলেন, পর্যটন সেবায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণে উৎসাহ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই এ মেলার লক্ষ্য।
তিনি জানান, ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস, আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের প্রতিনিধিরা এ আয়োজনে অংশ নেবেন।
এ বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে– নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান।
তিনি আরও বলেন, মেলায় ২০০টিরও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনেরও বেশি উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন ক্রেতা এবং প্রায় আড়াই হাজার দর্শনার্থী অংশ নেবেন।
তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর এ মেলায় অংশ নেবে।
আয়োজকরা জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিজেদের সেবা ও পণ্য তুলে ধরা, বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ (বিটুবি) প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে এ আয়োজনটি।
টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, আগের ১৩টি আসর সফলভাবে আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মেলা ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যটন খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আগের ১৩টি আসরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ মেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যটন ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মেলার মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ভ্রমণ ও পর্যটনশিল্পে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মেলার আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন, পর্যটন গন্তব্যের প্রচার এবং ভ্রমণকারীদের সঙ্গে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে সহায়তা করতে সক্ষম।
একই সঙ্গে টেকসই পর্যটন গন্তব্যের ওপর গুরুত্বারোপের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশবান্ধব পর্যটনচর্চায় উৎসাহ দেওয়া এবং বাংলাদেশের পর্যটনসম্পদের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
এ মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটরদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, ট্রাভেল এজেন্সি, এয়ারলাইনস এবং আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলা আয়োজন করা হচ্ছে।
টোয়াব জানায়, স্থানীয় পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীজনদের সংযোগ স্থাপন এবং দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এ মেলা দারুণ ভূমিকা রাখবে।
এ আয়োজন নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি, উদ্ভাবনে উৎসাহ এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে আশা করে টোয়াব।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুরু হতে যাওয়া এ মেলায় ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত মেলার ১৪তম আসর চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এআইনির্ভর পর্যটন, টেকসই গন্তব্য’।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
তিনি বলেন, পর্যটন সেবায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণে উৎসাহ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই এ মেলার লক্ষ্য।
তিনি জানান, ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস, আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের প্রতিনিধিরা এ আয়োজনে অংশ নেবেন।
এ বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে– নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান।
তিনি আরও বলেন, মেলায় ২০০টিরও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনেরও বেশি উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন ক্রেতা এবং প্রায় আড়াই হাজার দর্শনার্থী অংশ নেবেন।
তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর এ মেলায় অংশ নেবে।
আয়োজকরা জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিজেদের সেবা ও পণ্য তুলে ধরা, বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ (বিটুবি) প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে এ আয়োজনটি।
টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, আগের ১৩টি আসর সফলভাবে আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মেলা ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যটন খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আগের ১৩টি আসরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ মেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যটন ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মেলার মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ভ্রমণ ও পর্যটনশিল্পে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মেলার আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন, পর্যটন গন্তব্যের প্রচার এবং ভ্রমণকারীদের সঙ্গে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে সহায়তা করতে সক্ষম।
একই সঙ্গে টেকসই পর্যটন গন্তব্যের ওপর গুরুত্বারোপের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশবান্ধব পর্যটনচর্চায় উৎসাহ দেওয়া এবং বাংলাদেশের পর্যটনসম্পদের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
এ মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটরদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, ট্রাভেল এজেন্সি, এয়ারলাইনস এবং আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলা আয়োজন করা হচ্ছে।
টোয়াব জানায়, স্থানীয় পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীজনদের সংযোগ স্থাপন এবং দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এ মেলা দারুণ ভূমিকা রাখবে।
এ আয়োজন নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি, উদ্ভাবনে উৎসাহ এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে আশা করে টোয়াব।

ঢাকায় আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুরু হতে যাওয়া এ মেলায় ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত মেলার ১৪তম আসর চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এআইনির্ভর পর্যটন, টেকসই গন্তব্য’।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
তিনি বলেন, পর্যটন সেবায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণে উৎসাহ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই এ মেলার লক্ষ্য।
তিনি জানান, ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস, আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের প্রতিনিধিরা এ আয়োজনে অংশ নেবেন।
এ বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে– নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান।
তিনি আরও বলেন, মেলায় ২০০টিরও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনেরও বেশি উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন ক্রেতা এবং প্রায় আড়াই হাজার দর্শনার্থী অংশ নেবেন।
তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর এ মেলায় অংশ নেবে।
আয়োজকরা জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিজেদের সেবা ও পণ্য তুলে ধরা, বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ (বিটুবি) প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে এ আয়োজনটি।
টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, আগের ১৩টি আসর সফলভাবে আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মেলা ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যটন খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আগের ১৩টি আসরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ মেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যটন ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মেলার মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ভ্রমণ ও পর্যটনশিল্পে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মেলার আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন, পর্যটন গন্তব্যের প্রচার এবং ভ্রমণকারীদের সঙ্গে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে সহায়তা করতে সক্ষম।
একই সঙ্গে টেকসই পর্যটন গন্তব্যের ওপর গুরুত্বারোপের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশবান্ধব পর্যটনচর্চায় উৎসাহ দেওয়া এবং বাংলাদেশের পর্যটনসম্পদের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
এ মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটরদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, ট্রাভেল এজেন্সি, এয়ারলাইনস এবং আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলা আয়োজন করা হচ্ছে।
টোয়াব জানায়, স্থানীয় পর্যটন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীজনদের সংযোগ স্থাপন এবং দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এ মেলা দারুণ ভূমিকা রাখবে।
এ আয়োজন নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি, উদ্ভাবনে উৎসাহ এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে আশা করে টোয়াব।

২০২৭ একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি







