‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য অনুচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য অনুচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে। তার ওই বক্তব্যের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আইজিপি আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতে গিয়ে অসতর্কতাবশত কথাটি বলেছেন। তার ভাষায়, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ক্রসফায়ার চায় না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও সরকার মেনে নেবে না। এসব বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ক্রসফায়ার বা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপির বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশপ্রধানের বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর।
রিজভী আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাদের ভাবিয়ে তুলছে।
আইজিপির বক্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন প্রতিক্রিয়া জানায়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এবি পার্টিসহ বিভিন্ন পক্ষ বক্তব্যটির সমালোচনা করে।
সমালোচনার মুখে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়। সেখানে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতেই তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।

ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে। তার ওই বক্তব্যের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আইজিপি আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতে গিয়ে অসতর্কতাবশত কথাটি বলেছেন। তার ভাষায়, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ক্রসফায়ার চায় না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও সরকার মেনে নেবে না। এসব বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ক্রসফায়ার বা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপির বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশপ্রধানের বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর।
রিজভী আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাদের ভাবিয়ে তুলছে।
আইজিপির বক্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন প্রতিক্রিয়া জানায়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এবি পার্টিসহ বিভিন্ন পক্ষ বক্তব্যটির সমালোচনা করে।
সমালোচনার মুখে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়। সেখানে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতেই তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য অনুচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে। তার ওই বক্তব্যের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আইজিপি আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতে গিয়ে অসতর্কতাবশত কথাটি বলেছেন। তার ভাষায়, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ক্রসফায়ার চায় না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও সরকার মেনে নেবে না। এসব বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ক্রসফায়ার বা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপির বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশপ্রধানের বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর।
রিজভী আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাদের ভাবিয়ে তুলছে।
আইজিপির বক্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন প্রতিক্রিয়া জানায়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এবি পার্টিসহ বিভিন্ন পক্ষ বক্তব্যটির সমালোচনা করে।
সমালোচনার মুখে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়। সেখানে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতেই তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।

আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করেছে: রিজভী
আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের পক্ষ নিলো পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন







