সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপন নিয়ে আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটিতে ভ্রমণের পাশাপাশি রাতেও থাকতে পারবেন। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন পুরো সময়েই পর্যটকেরা দ্বীপে থাকতে পারবেন।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়। সেখানে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের বিধান বহাল রাখা হয়েছিল।
ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। একই দিন তাঁদের ফিরে আসতে হবে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বীপে রাতযাপনের অনুমতি রয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় রাতযাপনের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না থাকায় এবারও নভেম্বর মাসে পর্যটকদের দ্বীপে থাকতে না দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে যেতে পারবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।
সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ট্রাভেল পাসও নিতে হবে। গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, গতবারের মতো এবারও ট্রাভেল পাসের ব্যবস্থা থাকছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশ সংরক্ষণে যেসব বিধিনিষেধ
দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগের প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো হলো:
- রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো যাবে না।
- উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা নিষিদ্ধ।
- কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, কেনাবেচা করা যাবে না।
- সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি করা যাবে না।
- সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চালানো যাবে না।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপন নিয়ে আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটিতে ভ্রমণের পাশাপাশি রাতেও থাকতে পারবেন। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন পুরো সময়েই পর্যটকেরা দ্বীপে থাকতে পারবেন।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়। সেখানে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের বিধান বহাল রাখা হয়েছিল।
ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। একই দিন তাঁদের ফিরে আসতে হবে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বীপে রাতযাপনের অনুমতি রয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় রাতযাপনের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না থাকায় এবারও নভেম্বর মাসে পর্যটকদের দ্বীপে থাকতে না দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে যেতে পারবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।
সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ট্রাভেল পাসও নিতে হবে। গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, গতবারের মতো এবারও ট্রাভেল পাসের ব্যবস্থা থাকছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশ সংরক্ষণে যেসব বিধিনিষেধ
দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগের প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো হলো:
- রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো যাবে না।
- উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা নিষিদ্ধ।
- কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, কেনাবেচা করা যাবে না।
- সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি করা যাবে না।
- সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চালানো যাবে না।

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপন নিয়ে আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটিতে ভ্রমণের পাশাপাশি রাতেও থাকতে পারবেন। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন পুরো সময়েই পর্যটকেরা দ্বীপে থাকতে পারবেন।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়। সেখানে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের বিধান বহাল রাখা হয়েছিল।
ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। একই দিন তাঁদের ফিরে আসতে হবে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বীপে রাতযাপনের অনুমতি রয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় রাতযাপনের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না থাকায় এবারও নভেম্বর মাসে পর্যটকদের দ্বীপে থাকতে না দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে যেতে পারবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।
সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ট্রাভেল পাসও নিতে হবে। গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, গতবারের মতো এবারও ট্রাভেল পাসের ব্যবস্থা থাকছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশ সংরক্ষণে যেসব বিধিনিষেধ
দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগের প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো হলো:
- রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো যাবে না।
- উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা নিষিদ্ধ।
- কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, কেনাবেচা করা যাবে না।
- সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি করা যাবে না।
- সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চালানো যাবে না।









