এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক

এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এখন থেকে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১০ বছরের বেশি পুরোনো সরকারি গাড়ি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রেও এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত ৮ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ নির্দেশনা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শওকত আলী।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনায় বরাদ্দ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওঅ্যান্ডইভুক্ত (টেবিল অব অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট) যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে যানবাহন কেনা যাবে।
এক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত মোটরযান ছাড়া জিপ ও কার অবশ্যই ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) হতে হবে। অর্থাৎ পুরোনো গাড়ি বদলালেও সাধারণ জ্বালানিচালিত জিপ বা কার কেনার সুযোগ থাকছে না।
উন্নয়ন বাজেটের আওতায়ও মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ৮ জুলাইয়ের আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।
সরকারি গাড়ির দামও নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ৫ জানুয়ারির পরিপত্র অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ অনূর্ধ্ব ১ হাজার ৬০০ সিসির কার, এসইউভি ও ক্রসওভারের সর্বোচ্চ মূল্য ৫৬ লাখ টাকা।
গ্রেড-১ ও গ্রেড-২ কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার ৭০০ সিসির জীপের সর্বোচ্চ মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। গ্রেড-৩ বা তার নিচের কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার সিসির জীপের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা।
এছাড়া সিঙ্গেল কেবিন পিকআপ ৫২ লাখ, ডাবল কেবিন পিকআপ ৮৬ লাখ, মাইক্রোবাস ৫২ লাখ এবং অ্যাম্বুলেন্স ৫৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসি কোস্টার/মিনিবাস ৮০ লাখ, নন-এসি মিনিবাস ৪৫ লাখ এবং বড় নন-এসি বাস ৫৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। ৫ টনের ট্রাক ৪৭ লাখ ১০ হাজার, ৩ টনের ট্রাক ৪২ লাখ এবং অনূর্ধ্ব ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের মূল্য ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
এদিকে নতুন ভবন নির্মাণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে চলমান কোনো নির্মাণকাজ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি শেষ হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে তা চালানো যাবে। ভূমি অধিগ্রহণ এবং সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম দেওয়াও বন্ধ থাকবে।
সরকারি অর্থায়নে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে স্কলারশিপ বা ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি এবং বিদেশি সরকার, প্রতিষ্ঠান বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ যাওয়া যাবে।
এছাড়া সব ধরনের ব্যয়ে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এখন থেকে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১০ বছরের বেশি পুরোনো সরকারি গাড়ি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রেও এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত ৮ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ নির্দেশনা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শওকত আলী।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনায় বরাদ্দ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওঅ্যান্ডইভুক্ত (টেবিল অব অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট) যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে যানবাহন কেনা যাবে।
এক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত মোটরযান ছাড়া জিপ ও কার অবশ্যই ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) হতে হবে। অর্থাৎ পুরোনো গাড়ি বদলালেও সাধারণ জ্বালানিচালিত জিপ বা কার কেনার সুযোগ থাকছে না।
উন্নয়ন বাজেটের আওতায়ও মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ৮ জুলাইয়ের আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।
সরকারি গাড়ির দামও নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ৫ জানুয়ারির পরিপত্র অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ অনূর্ধ্ব ১ হাজার ৬০০ সিসির কার, এসইউভি ও ক্রসওভারের সর্বোচ্চ মূল্য ৫৬ লাখ টাকা।
গ্রেড-১ ও গ্রেড-২ কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার ৭০০ সিসির জীপের সর্বোচ্চ মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। গ্রেড-৩ বা তার নিচের কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার সিসির জীপের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা।
এছাড়া সিঙ্গেল কেবিন পিকআপ ৫২ লাখ, ডাবল কেবিন পিকআপ ৮৬ লাখ, মাইক্রোবাস ৫২ লাখ এবং অ্যাম্বুলেন্স ৫৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসি কোস্টার/মিনিবাস ৮০ লাখ, নন-এসি মিনিবাস ৪৫ লাখ এবং বড় নন-এসি বাস ৫৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। ৫ টনের ট্রাক ৪৭ লাখ ১০ হাজার, ৩ টনের ট্রাক ৪২ লাখ এবং অনূর্ধ্ব ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের মূল্য ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
এদিকে নতুন ভবন নির্মাণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে চলমান কোনো নির্মাণকাজ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি শেষ হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে তা চালানো যাবে। ভূমি অধিগ্রহণ এবং সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম দেওয়াও বন্ধ থাকবে।
সরকারি অর্থায়নে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে স্কলারশিপ বা ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি এবং বিদেশি সরকার, প্রতিষ্ঠান বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ যাওয়া যাবে।
এছাড়া সব ধরনের ব্যয়ে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এখন থেকে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১০ বছরের বেশি পুরোনো সরকারি গাড়ি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রেও এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত ৮ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ নির্দেশনা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শওকত আলী।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনায় বরাদ্দ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওঅ্যান্ডইভুক্ত (টেবিল অব অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট) যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে যানবাহন কেনা যাবে।
এক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত মোটরযান ছাড়া জিপ ও কার অবশ্যই ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) হতে হবে। অর্থাৎ পুরোনো গাড়ি বদলালেও সাধারণ জ্বালানিচালিত জিপ বা কার কেনার সুযোগ থাকছে না।
উন্নয়ন বাজেটের আওতায়ও মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ৮ জুলাইয়ের আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।
সরকারি গাড়ির দামও নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ৫ জানুয়ারির পরিপত্র অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ অনূর্ধ্ব ১ হাজার ৬০০ সিসির কার, এসইউভি ও ক্রসওভারের সর্বোচ্চ মূল্য ৫৬ লাখ টাকা।
গ্রেড-১ ও গ্রেড-২ কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার ৭০০ সিসির জীপের সর্বোচ্চ মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। গ্রেড-৩ বা তার নিচের কর্মকর্তাদের জন্য অনূর্ধ্ব ২ হাজার সিসির জীপের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা।
এছাড়া সিঙ্গেল কেবিন পিকআপ ৫২ লাখ, ডাবল কেবিন পিকআপ ৮৬ লাখ, মাইক্রোবাস ৫২ লাখ এবং অ্যাম্বুলেন্স ৫৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসি কোস্টার/মিনিবাস ৮০ লাখ, নন-এসি মিনিবাস ৪৫ লাখ এবং বড় নন-এসি বাস ৫৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। ৫ টনের ট্রাক ৪৭ লাখ ১০ হাজার, ৩ টনের ট্রাক ৪২ লাখ এবং অনূর্ধ্ব ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের মূল্য ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
এদিকে নতুন ভবন নির্মাণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে চলমান কোনো নির্মাণকাজ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি শেষ হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে তা চালানো যাবে। ভূমি অধিগ্রহণ এবং সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম দেওয়াও বন্ধ থাকবে।
সরকারি অর্থায়নে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে স্কলারশিপ বা ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি এবং বিদেশি সরকার, প্রতিষ্ঠান বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ যাওয়া যাবে।
এছাড়া সব ধরনের ব্যয়ে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

ঋণসুবিধা নিয়েও রাজউকের ৫ আমলার দখলে সরকারি গাড়ি 







