এলসি সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলো প্রিমিয়ার ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

এলসি সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলো প্রিমিয়ার ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৯: ১১

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির নারায়ণগঞ্জ শাখার এলসি লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) প্রিমিয়ার ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো মূলত ২০১৭-২০২৩ সালে নারায়ণগঞ্জ শাখায় সংঘটিত হয়েছে। তা তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং পরিচালনা পর্ষদের সময়ে হয়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংক এ ধরনের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে যেন একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন হয়।
অতীতে কোনো অনিয়ম ঘটলেও (যা বর্তমানে তদন্তাধীন) তা ব্যাংকের নীতি বা বর্তমান ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন নয়। ব্যাংক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এলসি লেনদেন পরিচালনা করছে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, আমাদের অডিটে দায়গুলো সংশ্লিষ্ট ২৬ প্রতিষ্ঠানের কারখানা মালিকদের নামে শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে একটি স্বাধীন ফরেনসিক অডিট পরিচালিত হচ্ছে, যাতে পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা আসে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা যায়।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মনজুর মফিজ বলেন, গ্রাহক ও অংশীদারদের আশ্বস্ত করতে চাই যে প্রিমিয়ার ব্যাংক আর্থিকভাবে সুদৃঢ় এবং পরিচালনাগতভাবে স্থিতিশীল। বর্তমানে যেসব অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সুনাম ও কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির নারায়ণগঞ্জ শাখার এলসি লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) প্রিমিয়ার ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো মূলত ২০১৭-২০২৩ সালে নারায়ণগঞ্জ শাখায় সংঘটিত হয়েছে। তা তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং পরিচালনা পর্ষদের সময়ে হয়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংক এ ধরনের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে যেন একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন হয়।
অতীতে কোনো অনিয়ম ঘটলেও (যা বর্তমানে তদন্তাধীন) তা ব্যাংকের নীতি বা বর্তমান ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন নয়। ব্যাংক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এলসি লেনদেন পরিচালনা করছে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, আমাদের অডিটে দায়গুলো সংশ্লিষ্ট ২৬ প্রতিষ্ঠানের কারখানা মালিকদের নামে শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে একটি স্বাধীন ফরেনসিক অডিট পরিচালিত হচ্ছে, যাতে পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা আসে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা যায়।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মনজুর মফিজ বলেন, গ্রাহক ও অংশীদারদের আশ্বস্ত করতে চাই যে প্রিমিয়ার ব্যাংক আর্থিকভাবে সুদৃঢ় এবং পরিচালনাগতভাবে স্থিতিশীল। বর্তমানে যেসব অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সুনাম ও কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।

এলসি সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলো প্রিমিয়ার ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৯: ১১

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির নারায়ণগঞ্জ শাখার এলসি লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) প্রিমিয়ার ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো মূলত ২০১৭-২০২৩ সালে নারায়ণগঞ্জ শাখায় সংঘটিত হয়েছে। তা তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং পরিচালনা পর্ষদের সময়ে হয়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংক এ ধরনের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে যেন একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন হয়।
অতীতে কোনো অনিয়ম ঘটলেও (যা বর্তমানে তদন্তাধীন) তা ব্যাংকের নীতি বা বর্তমান ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন নয়। ব্যাংক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এলসি লেনদেন পরিচালনা করছে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, আমাদের অডিটে দায়গুলো সংশ্লিষ্ট ২৬ প্রতিষ্ঠানের কারখানা মালিকদের নামে শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে একটি স্বাধীন ফরেনসিক অডিট পরিচালিত হচ্ছে, যাতে পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা আসে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা যায়।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মনজুর মফিজ বলেন, গ্রাহক ও অংশীদারদের আশ্বস্ত করতে চাই যে প্রিমিয়ার ব্যাংক আর্থিকভাবে সুদৃঢ় এবং পরিচালনাগতভাবে স্থিতিশীল। বর্তমানে যেসব অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সুনাম ও কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।
/এফসি/

প্রিমিয়ার ব্যাংকের জালিয়াতির কারণে সংকটে ২৬ কারখানা


