দীর্ঘ ৮ মাস পর উৎপাদনে যমুনা সার কারখানা

দীর্ঘ ৮ মাস পর উৎপাদনে যমুনা সার কারখানা
জামালপুর সংবাদদাতা

গ্যাস সংকটে দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন।
এর আগে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটে কারখানাটিতে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়।
কারখানা সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে উৎপাদন বন্ধ ছিল। ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে, ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে স্টার্ট-আপ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ না থাকায় এতদিন উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
কারখানার কর্মচারীরা জানান, উৎপাদন শুরু না হলেও স্টার্ট-আপ কার্যক্রমে প্রতিদিন প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন বলেন, ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদন শুরুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিসিআইসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কারখানার সবকিছু সচল রয়েছে। আশা করছি, প্রতিদিন এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টন সার উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কারখানাটি ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সার কারখানার দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেট্রিকটন। তবে যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব।
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহে কারখানাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গ্যাস সংকটে দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন।
এর আগে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটে কারখানাটিতে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়।
কারখানা সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে উৎপাদন বন্ধ ছিল। ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে, ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে স্টার্ট-আপ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ না থাকায় এতদিন উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
কারখানার কর্মচারীরা জানান, উৎপাদন শুরু না হলেও স্টার্ট-আপ কার্যক্রমে প্রতিদিন প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন বলেন, ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদন শুরুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিসিআইসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কারখানার সবকিছু সচল রয়েছে। আশা করছি, প্রতিদিন এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টন সার উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কারখানাটি ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সার কারখানার দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেট্রিকটন। তবে যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব।
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহে কারখানাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দীর্ঘ ৮ মাস পর উৎপাদনে যমুনা সার কারখানা
জামালপুর সংবাদদাতা

গ্যাস সংকটে দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন।
এর আগে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটে কারখানাটিতে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়।
কারখানা সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে উৎপাদন বন্ধ ছিল। ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে, ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে স্টার্ট-আপ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ না থাকায় এতদিন উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
কারখানার কর্মচারীরা জানান, উৎপাদন শুরু না হলেও স্টার্ট-আপ কার্যক্রমে প্রতিদিন প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন বলেন, ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদন শুরুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিসিআইসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কারখানার সবকিছু সচল রয়েছে। আশা করছি, প্রতিদিন এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টন সার উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কারখানাটি ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সার কারখানার দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেট্রিকটন। তবে যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব।
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহে কারখানাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানি করবে সরকার







