যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পরীক্ষা সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন সকাল ১০টা ৩ মিনিটে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও অভিযান চালিয়ে ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের একটি সেট, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, ১০০ ও ৫০ টাকার স্ট্যাম্প, ব্যাংকের চেক, সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, আটটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
এবার মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হলো। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে আদালতে প্রেরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পরীক্ষা সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন সকাল ১০টা ৩ মিনিটে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও অভিযান চালিয়ে ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের একটি সেট, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, ১০০ ও ৫০ টাকার স্ট্যাম্প, ব্যাংকের চেক, সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, আটটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
এবার মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হলো। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে আদালতে প্রেরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পরীক্ষা সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন সকাল ১০টা ৩ মিনিটে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও অভিযান চালিয়ে ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের একটি সেট, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, ১০০ ও ৫০ টাকার স্ট্যাম্প, ব্যাংকের চেক, সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, আটটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
এবার মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হলো। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে আদালতে প্রেরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭







