ঘুষ হিসেবে জমি, দুদকের জালে উপ-সচিবসহ ৫ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘুষ হিসেবে জমি, দুদকের জালে উপ-সচিবসহ ৫ জন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) লোগো

ঘুষ হিসেবে জমি দাবি এবং তা নিজ স্বজনদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার অভিযোগে কক্সবাজার সদরের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বর্তমান উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

মামলার আসামিরা হলেন– কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়া, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূর, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের শ্যালক মফিজুর রহমান, সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের শ্যালক ইফতেখারুল হাসান এবং পঙ্কজ বড়ুয়ার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়া।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিজ্ঞ আদালত থেকে ডিক্রি পেয়ে কক্সবাজার মৌজার ৩০ শতক জমির নামজারি খতিয়ান করার জন্য রেকর্ডপত্র জমা দেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক। কিন্তু নামজারি করে দেওয়ার নামে তার কাছে ঘুষ হিসেবে জমি দাবি করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল বাধ্য হয়ে জমি মালিক একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে ৯ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন।

জানা গেছে, রেজিস্ট্রিকৃত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের পক্ষে তার শ্যালক মফিজুর রহমানের নামে ৩ শতক, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের পক্ষে তার শ্যালক ইফতেখারুল হাসানের নামে ৩ শতক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়ার পক্ষে তার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়ার নামে ৩ শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। অনুসন্ধানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছ।

/এসবি/