অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যের বিচার সেনা আইনে

অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যের বিচার সেনা আইনে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

রাজধানীতে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে অপহরণ, আটকে রেখে মারধর এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যের বিচার হবে সেনা আইনে। তাদের সেনা হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার আদালতের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেনা আইনে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে দুই সদস্যকে হস্তান্তরের আবেদন করেছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন।
ডিজিএফআই সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলার আসামি সার্জেন্ট আল মামুন ও সৈনিক নুরুজ্জামান সামরিক বাহিনীর সদস্য। তাঁরা বর্তমানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে সেনা আইনের আওতায় তদন্ত আদালত গঠন করা হবে। এ জন্য তাদের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা প্রয়োজন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সেনা আইনে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতকে এ বিষয়ে জানানো হবে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা আইন অনুযায়ী, কর্মরত সামরিক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলে তদন্ত বা কোর্ট মার্শালের প্রয়োজনে সামরিক কর্তৃপক্ষ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারে। এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।
তবে অভিযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যাতে ন্যায়বিচার পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
ব্যবসায়ী শরীফের অভিযোগ, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল রানা নামের এক আনসার সদস্য মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে তাকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

রাজধানীতে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে অপহরণ, আটকে রেখে মারধর এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যের বিচার হবে সেনা আইনে। তাদের সেনা হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার আদালতের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেনা আইনে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে দুই সদস্যকে হস্তান্তরের আবেদন করেছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন।
ডিজিএফআই সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলার আসামি সার্জেন্ট আল মামুন ও সৈনিক নুরুজ্জামান সামরিক বাহিনীর সদস্য। তাঁরা বর্তমানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে সেনা আইনের আওতায় তদন্ত আদালত গঠন করা হবে। এ জন্য তাদের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা প্রয়োজন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সেনা আইনে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতকে এ বিষয়ে জানানো হবে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা আইন অনুযায়ী, কর্মরত সামরিক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলে তদন্ত বা কোর্ট মার্শালের প্রয়োজনে সামরিক কর্তৃপক্ষ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারে। এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।
তবে অভিযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যাতে ন্যায়বিচার পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
ব্যবসায়ী শরীফের অভিযোগ, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল রানা নামের এক আনসার সদস্য মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে তাকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যের বিচার সেনা আইনে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

রাজধানীতে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে অপহরণ, আটকে রেখে মারধর এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যের বিচার হবে সেনা আইনে। তাদের সেনা হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার আদালতের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেনা আইনে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে দুই সদস্যকে হস্তান্তরের আবেদন করেছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন।
ডিজিএফআই সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলার আসামি সার্জেন্ট আল মামুন ও সৈনিক নুরুজ্জামান সামরিক বাহিনীর সদস্য। তাঁরা বর্তমানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে সেনা আইনের আওতায় তদন্ত আদালত গঠন করা হবে। এ জন্য তাদের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা প্রয়োজন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সেনা আইনে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতকে এ বিষয়ে জানানো হবে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা আইন অনুযায়ী, কর্মরত সামরিক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলে তদন্ত বা কোর্ট মার্শালের প্রয়োজনে সামরিক কর্তৃপক্ষ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারে। এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।
তবে অভিযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যাতে ন্যায়বিচার পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
ব্যবসায়ী শরীফের অভিযোগ, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল রানা নামের এক আনসার সদস্য মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে তাকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি, ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬







