ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি, ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি, ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬
সিজেডএন ডেস্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মারধর ও ১০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য ও আনসার বাহিনীর একজন সদস্য রয়েছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শেরেবাংলা নগর এলাকায় ওই ব্যবসায়ী পুলিশের সহায়তা চাইলে ঘটনাটি সামনে আসে। পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে ঢাকা মহানগর হাকিম আশরাফুল হক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ডিজিএফআই সদর দপ্তরের সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯) ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য সোহেল রানা (৩২), বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী মুকুল গাজী (২৬), নেত্রকোনার কলমাকান্দার মাহফুজুর রহমান (২২) এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের জিয়াউল ইসলাম (৩৫)। এ মামলায় সোনিয়া (৩০) ও ফনিরুল ওরফে মনিরুল (৪৫) নামের আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফ এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, পাশাপাশি বাসায় থাকার সুবাদে আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শনিবার মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে সোহেল তাকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যান।
সেখানে সোনিয়া নামের এক নারীকে নিজের বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন সোহেল। পরে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা সেখানে গিয়ে শরীফকে মারধর করেন এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শরীফের অভিযোগ, তিনি ঘটনাস্থলেই ৭০ হাজার টাকা দেন। তবে ওই টাকায় সন্তুষ্ট না হয়ে তাকে আবারও মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে আরও টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তাকে ওই বাসায় আটকে রাখা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, রোববার ভোর ৩টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শরীফকে বাসা থেকে নামিয়ে একটি টয়োটা গাড়িতে তোলেন। পরে গাড়িটি শেরেবাংলা নগরে শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে রাখা হয়। অভিযুক্তরা চা পান করতে গাড়ি থেকে নামলে শরীফ কাছেই পুলিশের একটি টহল গাড়ি দেখতে পান। এরপর তিনি দৌড়ে গিয়ে পুলিশের কাছে সাহায্য চান।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, শিশু হাসপাতালের কাছে তাদের পুলিশের চেকপোস্ট ছিল। সেখানে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারেন তারা। পরে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে গাড়িসহ মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য থাকায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে সেনাসদরের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। এরপর তাদেরও মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে মামলার এজাহারের বরাতে তারা ঘটনার বিবরণ জানিয়েছেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মারধর ও ১০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য ও আনসার বাহিনীর একজন সদস্য রয়েছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শেরেবাংলা নগর এলাকায় ওই ব্যবসায়ী পুলিশের সহায়তা চাইলে ঘটনাটি সামনে আসে। পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে ঢাকা মহানগর হাকিম আশরাফুল হক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ডিজিএফআই সদর দপ্তরের সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯) ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য সোহেল রানা (৩২), বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী মুকুল গাজী (২৬), নেত্রকোনার কলমাকান্দার মাহফুজুর রহমান (২২) এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের জিয়াউল ইসলাম (৩৫)। এ মামলায় সোনিয়া (৩০) ও ফনিরুল ওরফে মনিরুল (৪৫) নামের আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফ এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, পাশাপাশি বাসায় থাকার সুবাদে আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শনিবার মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে সোহেল তাকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যান।
সেখানে সোনিয়া নামের এক নারীকে নিজের বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন সোহেল। পরে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা সেখানে গিয়ে শরীফকে মারধর করেন এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শরীফের অভিযোগ, তিনি ঘটনাস্থলেই ৭০ হাজার টাকা দেন। তবে ওই টাকায় সন্তুষ্ট না হয়ে তাকে আবারও মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে আরও টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তাকে ওই বাসায় আটকে রাখা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, রোববার ভোর ৩টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শরীফকে বাসা থেকে নামিয়ে একটি টয়োটা গাড়িতে তোলেন। পরে গাড়িটি শেরেবাংলা নগরে শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে রাখা হয়। অভিযুক্তরা চা পান করতে গাড়ি থেকে নামলে শরীফ কাছেই পুলিশের একটি টহল গাড়ি দেখতে পান। এরপর তিনি দৌড়ে গিয়ে পুলিশের কাছে সাহায্য চান।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, শিশু হাসপাতালের কাছে তাদের পুলিশের চেকপোস্ট ছিল। সেখানে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারেন তারা। পরে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে গাড়িসহ মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য থাকায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে সেনাসদরের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। এরপর তাদেরও মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে মামলার এজাহারের বরাতে তারা ঘটনার বিবরণ জানিয়েছেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি, ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬
সিজেডএন ডেস্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মারধর ও ১০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য ও আনসার বাহিনীর একজন সদস্য রয়েছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শেরেবাংলা নগর এলাকায় ওই ব্যবসায়ী পুলিশের সহায়তা চাইলে ঘটনাটি সামনে আসে। পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে ঢাকা মহানগর হাকিম আশরাফুল হক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ডিজিএফআই সদর দপ্তরের সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯) ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য সোহেল রানা (৩২), বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী মুকুল গাজী (২৬), নেত্রকোনার কলমাকান্দার মাহফুজুর রহমান (২২) এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের জিয়াউল ইসলাম (৩৫)। এ মামলায় সোনিয়া (৩০) ও ফনিরুল ওরফে মনিরুল (৪৫) নামের আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফ এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, পাশাপাশি বাসায় থাকার সুবাদে আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শনিবার মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে সোহেল তাকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যান।
সেখানে সোনিয়া নামের এক নারীকে নিজের বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন সোহেল। পরে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা সেখানে গিয়ে শরীফকে মারধর করেন এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শরীফের অভিযোগ, তিনি ঘটনাস্থলেই ৭০ হাজার টাকা দেন। তবে ওই টাকায় সন্তুষ্ট না হয়ে তাকে আবারও মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে আরও টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তাকে ওই বাসায় আটকে রাখা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, রোববার ভোর ৩টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শরীফকে বাসা থেকে নামিয়ে একটি টয়োটা গাড়িতে তোলেন। পরে গাড়িটি শেরেবাংলা নগরে শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে রাখা হয়। অভিযুক্তরা চা পান করতে গাড়ি থেকে নামলে শরীফ কাছেই পুলিশের একটি টহল গাড়ি দেখতে পান। এরপর তিনি দৌড়ে গিয়ে পুলিশের কাছে সাহায্য চান।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, শিশু হাসপাতালের কাছে তাদের পুলিশের চেকপোস্ট ছিল। সেখানে ওই ব্যবসায়ী সহায়তা চাইলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারেন তারা। পরে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে গাড়িসহ মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্য থাকায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে সেনাসদরের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। এরপর তাদেরও মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে মামলার এজাহারের বরাতে তারা ঘটনার বিবরণ জানিয়েছেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।









