শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব

শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগে করা মামলায় আগামী ৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র তলবের নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, তারিক সিদ্দিককে তার ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। তার অধীনস্থ কাউকেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে একজন নিরাপত্তাকর্মীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নোটিশটি সেখানে লটকিয়ে জারি করা হয়।
তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছে ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি। নোটিশে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন’ বলে অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-স্মারক দাখিলের জন্য সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্রকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি দেশের তিন বিমানবন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোট ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তারিক সিদ্দিকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আলাদা চারটি মামলা করেছিল দুদক। এর মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালের ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগের মামলাটি একটি। এ মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়।
তারিক সিদ্দিক ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মুহিবুল হক, সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ও সুপারিনটেনডেন্ট হাবিবুর রহমান।
এছাড়া অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মাকসুদুল ইসলাম ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে আসামি করা হয়।
২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক। গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তার পরিবারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।
এর আগে গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের তালিকায় শেখ হাসিনার সঙ্গে তারিক আহমেদের নামও রয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগে করা মামলায় আগামী ৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র তলবের নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, তারিক সিদ্দিককে তার ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। তার অধীনস্থ কাউকেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে একজন নিরাপত্তাকর্মীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নোটিশটি সেখানে লটকিয়ে জারি করা হয়।
তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছে ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি। নোটিশে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন’ বলে অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-স্মারক দাখিলের জন্য সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্রকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি দেশের তিন বিমানবন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোট ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তারিক সিদ্দিকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আলাদা চারটি মামলা করেছিল দুদক। এর মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালের ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগের মামলাটি একটি। এ মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়।
তারিক সিদ্দিক ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মুহিবুল হক, সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ও সুপারিনটেনডেন্ট হাবিবুর রহমান।
এছাড়া অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মাকসুদুল ইসলাম ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে আসামি করা হয়।
২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক। গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তার পরিবারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।
এর আগে গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের তালিকায় শেখ হাসিনার সঙ্গে তারিক আহমেদের নামও রয়েছে।

শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগে করা মামলায় আগামী ৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র তলবের নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, তারিক সিদ্দিককে তার ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। তার অধীনস্থ কাউকেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে একজন নিরাপত্তাকর্মীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নোটিশটি সেখানে লটকিয়ে জারি করা হয়।
তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছে ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি। নোটিশে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন’ বলে অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-স্মারক দাখিলের জন্য সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্রকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি দেশের তিন বিমানবন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোট ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তারিক সিদ্দিকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আলাদা চারটি মামলা করেছিল দুদক। এর মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালের ‘২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের’ অভিযোগের মামলাটি একটি। এ মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়।
তারিক সিদ্দিক ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মুহিবুল হক, সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ও সুপারিনটেনডেন্ট হাবিবুর রহমান।
এছাড়া অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মাকসুদুল ইসলাম ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে আসামি করা হয়।
২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক। গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তার পরিবারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।
এর আগে গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের তালিকায় শেখ হাসিনার সঙ্গে তারিক আহমেদের নামও রয়েছে।

সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব







