এসএসসির প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪
সিটিজেন ডেস্ক

এসএসসির প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ৫৯

প্রতীকী ছবি
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
গ্রেপ্তার ৪ জন হলেন– সিফাত আহমেদ, মোহাম্মদ সালমান, মেজবাউল আলম ও মোহাম্মদ মহিউজ্জামান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান। এসএসসিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে অনলাইন প্রতারণার বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সিটিটিসি জানায়, ২০ এপ্রিল সিটিটিসির অনলাইন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির সময় একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে। পেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার তাজপুরে অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, সিফাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ এপ্রিল বগুড়ার ধুনট থেকে সালমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের দাদনপুর মালিপাড়া এলাকা থেকে মেজবাউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশের নওগাঁ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মহিউজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিল। তাদের দেওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো মিল নেই।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
গ্রেপ্তার ৪ জন হলেন– সিফাত আহমেদ, মোহাম্মদ সালমান, মেজবাউল আলম ও মোহাম্মদ মহিউজ্জামান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান। এসএসসিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে অনলাইন প্রতারণার বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সিটিটিসি জানায়, ২০ এপ্রিল সিটিটিসির অনলাইন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির সময় একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে। পেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার তাজপুরে অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, সিফাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ এপ্রিল বগুড়ার ধুনট থেকে সালমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের দাদনপুর মালিপাড়া এলাকা থেকে মেজবাউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশের নওগাঁ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মহিউজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিল। তাদের দেওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো মিল নেই।

এসএসসির প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ৫৯

প্রতীকী ছবি
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
গ্রেপ্তার ৪ জন হলেন– সিফাত আহমেদ, মোহাম্মদ সালমান, মেজবাউল আলম ও মোহাম্মদ মহিউজ্জামান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান। এসএসসিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে অনলাইন প্রতারণার বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সিটিটিসি জানায়, ২০ এপ্রিল সিটিটিসির অনলাইন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির সময় একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে। পেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার তাজপুরে অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, সিফাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ এপ্রিল বগুড়ার ধুনট থেকে সালমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের দাদনপুর মালিপাড়া এলাকা থেকে মেজবাউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশের নওগাঁ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মহিউজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিল। তাদের দেওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো মিল নেই।
/এসআর/




