মতিঝিলে পুলিশের সামনেই চলছে মাদক ব্যবসা

মতিঝিলে পুলিশের সামনেই চলছে মাদক ব্যবসা
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সামনের ফুটপাত। এখানে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হয় মাদক। পুলিশকে চাঁদা দিয়ে এখানে স্থানীয় কয়েকজন মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে একটা পার্ক রয়েছে। এখানে কয়েকজন নারী ও পুরুষ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করছে। কিশোর, তরুণ, যুবক, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ এখানে এসে মাদক কিনছে।
মতিঝিলের এক চায়ের দোকানদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন , ‘ রাজউক অ্যাভিনিউয়ে ফুটপাতে ওপেনে মাদক বিক্রি হয়। ফুটপাতের পাশেই পুলিশ বক্স। কিন্তু সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যরা এগুলো দেখেও কিছু বলে না। আমরা সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। কিছু মহিলা ওড়নার নিচে মাদক রেখে বিক্রি করে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় মতিঝিলের কর্মসংস্থান ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনের ফুটপাতের বসে একজন নারী খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন যুবক সেখানে এসে তার কাছ থেকে গাঁজা কিনে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা হলেই এখানে মাদক কেনাবেচা অনেক বেড়ে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাত হলেই এই এলাকাসহ মতিঝিলের ছয় স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক এ্যাভিনিউ সড়কের তিনটি স্থান, সড়ক বিভাজকের দুই স্থান ও দিলকুশার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের পাশের গলিতে মাদক বিক্রি করা হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র, তরুণ, যুবক, বয়স্ক ব্যক্তিরাও এসব স্থানে মাদক কিনতে আসে।

এ বিষয়ে রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশের একটি ব্যাংকের বুথের এক নিরাপত্তা কর্মী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাত হলে এই রোডে উঠতি বয়সের তরুণরা চলে আসে। এদের মধ্যে দেশের আইনজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের সন্তানেরাও আসে। গত সপ্তাহে একদিন আমাদের ব্যাংকের বুথের সামনে একটি প্রাইভেট কার এসে থামে। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে গাড়িতে থাকা একজন বিশিষ্ট আইনজীবীর ছেলে বলে পরিচয় দেয়। পরে তার বাবাকে কল দিলে তার বাবা বুঝিয়ে চলে যেতে বললে সে চলে যায়। তবে কিছুক্ষন পর আবার ছেলেটাকে সেখানে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার এখানে চাকরি করতে ভয় হয়। এ জায়গায় সারা দিন মাদক বিক্রি হয়। ভোর বেলাতো আরও বেশি মাদক বিক্রি হয়।’
পার্কে ভাতের হোটেল চালান এক নারী। তিনি বলেন, ‘পার্কের অপর পাশে যে ফুটপাত আছে সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয়। এখানে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে। আমরা এখানে সবসময় থাকি। কিছু বললে আবার আমাদের সমস্যা হবে। ওদের অনেকেই আমার কাছে ভাত খেতে আসে। পুলিশ অভিযান চালালে ওরা পার্কে এসে আশ্রয় নেয়।’
পুলিশের বক্তব্য
অবাধে মাদক ব্যবসা চলার পরেও তা বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রেজওয়ানুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ মাদক ব্যবসা বন্ধে মতিঝিলের ওইখানে কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছ। এখানে নিয়মিত আমাদের ফোর্স থাকে।’
পুলিশ কর্মকর্তা রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে একটা গ্রুপ আছে। তারা সাবেক মানে স্বৈরাচারী সরকারের গ্রুপ। যখনই স্বৈরাচারী সরকারের কোনো মিছিল-মিটিং ধরা পড়ে বা তারা কার্যক্রম করতে চায়, তখন তারা এই গুজবগুলো ছড়িয়ে সবাইকে মাদক নিয়ে বিজি করে দেয়। হয়তো তারা এখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো অপকর্ম করার চেষ্টা করতে চায়। এজন্য তারা এখানে এখন নানান রকম গুজব ছড়িয়ে সবাইকে বলবে, পুলিশ তাহলে ওই দিকে এনগেজ হয়ে যাক। পুলিশকে সাংবাদিকেরা ব্যস্ত রাখুক, আমরা ফাঁকতাল দিয়ে একটা অপকর্ম করে ফেলি।’

রাজধানীর মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সামনের ফুটপাত। এখানে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হয় মাদক। পুলিশকে চাঁদা দিয়ে এখানে স্থানীয় কয়েকজন মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে একটা পার্ক রয়েছে। এখানে কয়েকজন নারী ও পুরুষ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করছে। কিশোর, তরুণ, যুবক, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ এখানে এসে মাদক কিনছে।
মতিঝিলের এক চায়ের দোকানদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন , ‘ রাজউক অ্যাভিনিউয়ে ফুটপাতে ওপেনে মাদক বিক্রি হয়। ফুটপাতের পাশেই পুলিশ বক্স। কিন্তু সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যরা এগুলো দেখেও কিছু বলে না। আমরা সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। কিছু মহিলা ওড়নার নিচে মাদক রেখে বিক্রি করে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় মতিঝিলের কর্মসংস্থান ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনের ফুটপাতের বসে একজন নারী খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন যুবক সেখানে এসে তার কাছ থেকে গাঁজা কিনে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা হলেই এখানে মাদক কেনাবেচা অনেক বেড়ে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাত হলেই এই এলাকাসহ মতিঝিলের ছয় স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক এ্যাভিনিউ সড়কের তিনটি স্থান, সড়ক বিভাজকের দুই স্থান ও দিলকুশার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের পাশের গলিতে মাদক বিক্রি করা হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র, তরুণ, যুবক, বয়স্ক ব্যক্তিরাও এসব স্থানে মাদক কিনতে আসে।

এ বিষয়ে রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশের একটি ব্যাংকের বুথের এক নিরাপত্তা কর্মী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাত হলে এই রোডে উঠতি বয়সের তরুণরা চলে আসে। এদের মধ্যে দেশের আইনজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের সন্তানেরাও আসে। গত সপ্তাহে একদিন আমাদের ব্যাংকের বুথের সামনে একটি প্রাইভেট কার এসে থামে। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে গাড়িতে থাকা একজন বিশিষ্ট আইনজীবীর ছেলে বলে পরিচয় দেয়। পরে তার বাবাকে কল দিলে তার বাবা বুঝিয়ে চলে যেতে বললে সে চলে যায়। তবে কিছুক্ষন পর আবার ছেলেটাকে সেখানে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার এখানে চাকরি করতে ভয় হয়। এ জায়গায় সারা দিন মাদক বিক্রি হয়। ভোর বেলাতো আরও বেশি মাদক বিক্রি হয়।’
পার্কে ভাতের হোটেল চালান এক নারী। তিনি বলেন, ‘পার্কের অপর পাশে যে ফুটপাত আছে সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয়। এখানে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে। আমরা এখানে সবসময় থাকি। কিছু বললে আবার আমাদের সমস্যা হবে। ওদের অনেকেই আমার কাছে ভাত খেতে আসে। পুলিশ অভিযান চালালে ওরা পার্কে এসে আশ্রয় নেয়।’
পুলিশের বক্তব্য
অবাধে মাদক ব্যবসা চলার পরেও তা বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রেজওয়ানুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ মাদক ব্যবসা বন্ধে মতিঝিলের ওইখানে কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছ। এখানে নিয়মিত আমাদের ফোর্স থাকে।’
পুলিশ কর্মকর্তা রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে একটা গ্রুপ আছে। তারা সাবেক মানে স্বৈরাচারী সরকারের গ্রুপ। যখনই স্বৈরাচারী সরকারের কোনো মিছিল-মিটিং ধরা পড়ে বা তারা কার্যক্রম করতে চায়, তখন তারা এই গুজবগুলো ছড়িয়ে সবাইকে মাদক নিয়ে বিজি করে দেয়। হয়তো তারা এখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো অপকর্ম করার চেষ্টা করতে চায়। এজন্য তারা এখানে এখন নানান রকম গুজব ছড়িয়ে সবাইকে বলবে, পুলিশ তাহলে ওই দিকে এনগেজ হয়ে যাক। পুলিশকে সাংবাদিকেরা ব্যস্ত রাখুক, আমরা ফাঁকতাল দিয়ে একটা অপকর্ম করে ফেলি।’

মতিঝিলে পুলিশের সামনেই চলছে মাদক ব্যবসা
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সামনের ফুটপাত। এখানে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হয় মাদক। পুলিশকে চাঁদা দিয়ে এখানে স্থানীয় কয়েকজন মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মতিঝিলের রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশে একটা পার্ক রয়েছে। এখানে কয়েকজন নারী ও পুরুষ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করছে। কিশোর, তরুণ, যুবক, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ এখানে এসে মাদক কিনছে।
মতিঝিলের এক চায়ের দোকানদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন , ‘ রাজউক অ্যাভিনিউয়ে ফুটপাতে ওপেনে মাদক বিক্রি হয়। ফুটপাতের পাশেই পুলিশ বক্স। কিন্তু সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যরা এগুলো দেখেও কিছু বলে না। আমরা সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। কিছু মহিলা ওড়নার নিচে মাদক রেখে বিক্রি করে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় মতিঝিলের কর্মসংস্থান ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনের ফুটপাতের বসে একজন নারী খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন যুবক সেখানে এসে তার কাছ থেকে গাঁজা কিনে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা হলেই এখানে মাদক কেনাবেচা অনেক বেড়ে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাত হলেই এই এলাকাসহ মতিঝিলের ছয় স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক এ্যাভিনিউ সড়কের তিনটি স্থান, সড়ক বিভাজকের দুই স্থান ও দিলকুশার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের পাশের গলিতে মাদক বিক্রি করা হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র, তরুণ, যুবক, বয়স্ক ব্যক্তিরাও এসব স্থানে মাদক কিনতে আসে।

এ বিষয়ে রাজউক অ্যাভিনিউ সড়কের পাশের একটি ব্যাংকের বুথের এক নিরাপত্তা কর্মী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাত হলে এই রোডে উঠতি বয়সের তরুণরা চলে আসে। এদের মধ্যে দেশের আইনজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের সন্তানেরাও আসে। গত সপ্তাহে একদিন আমাদের ব্যাংকের বুথের সামনে একটি প্রাইভেট কার এসে থামে। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে গাড়িতে থাকা একজন বিশিষ্ট আইনজীবীর ছেলে বলে পরিচয় দেয়। পরে তার বাবাকে কল দিলে তার বাবা বুঝিয়ে চলে যেতে বললে সে চলে যায়। তবে কিছুক্ষন পর আবার ছেলেটাকে সেখানে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার এখানে চাকরি করতে ভয় হয়। এ জায়গায় সারা দিন মাদক বিক্রি হয়। ভোর বেলাতো আরও বেশি মাদক বিক্রি হয়।’
পার্কে ভাতের হোটেল চালান এক নারী। তিনি বলেন, ‘পার্কের অপর পাশে যে ফুটপাত আছে সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয়। এখানে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে। আমরা এখানে সবসময় থাকি। কিছু বললে আবার আমাদের সমস্যা হবে। ওদের অনেকেই আমার কাছে ভাত খেতে আসে। পুলিশ অভিযান চালালে ওরা পার্কে এসে আশ্রয় নেয়।’
পুলিশের বক্তব্য
অবাধে মাদক ব্যবসা চলার পরেও তা বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রেজওয়ানুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ মাদক ব্যবসা বন্ধে মতিঝিলের ওইখানে কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছ। এখানে নিয়মিত আমাদের ফোর্স থাকে।’
পুলিশ কর্মকর্তা রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে একটা গ্রুপ আছে। তারা সাবেক মানে স্বৈরাচারী সরকারের গ্রুপ। যখনই স্বৈরাচারী সরকারের কোনো মিছিল-মিটিং ধরা পড়ে বা তারা কার্যক্রম করতে চায়, তখন তারা এই গুজবগুলো ছড়িয়ে সবাইকে মাদক নিয়ে বিজি করে দেয়। হয়তো তারা এখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো অপকর্ম করার চেষ্টা করতে চায়। এজন্য তারা এখানে এখন নানান রকম গুজব ছড়িয়ে সবাইকে বলবে, পুলিশ তাহলে ওই দিকে এনগেজ হয়ে যাক। পুলিশকে সাংবাদিকেরা ব্যস্ত রাখুক, আমরা ফাঁকতাল দিয়ে একটা অপকর্ম করে ফেলি।’








