জার্মানির এইচকেজি-থ্রি রাইফেল কীভাবে দেশে এলো

জার্মানির এইচকেজি-থ্রি রাইফেল কীভাবে দেশে এলো
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া জার্মানির তৈরি সামরিক গ্রেডের একটি এইচকেজি-থ্রি সিরিজের রাইফেল নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। একমাস পরও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্ত্রটি বেশ পুরনো, তেমন সক্রিয়ও নয়। তবুও এ ধরনের ভারী সামরিক অস্ত্র আন্ডারওয়ার্ল্ডে আরো থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা।
গত ২৪ জুন র্যাব-৭ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার হাজীরপুল ফেদা পুকুর পাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করে। র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এএসপি এ আর এম মোজাফফর হোসেন তখন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, বাট ও ম্যাগাজিনবিহীন অবস্থায় অস্ত্রটি জলিল নামে এক ব্যক্তির সীমানা প্রাচীর দেওয়া খালি জায়গায় পড়ে ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া সংবাদে সেটি উদ্ধারের পর চান্দগাঁও থানায় জমা দেওয়া হয়। মামলাটি তদন্ত করছে র্যাব।
জানা গেছে, জার্মানির হেকলার অ্যান্ড কক কোম্পানি যুদ্ধকালীন রাইফেল হিসেবে ১৯৫০-এর দশকে আগ্নেয়াস্ত্রটি তৈরি করে। অতি মাত্রায় ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ও নিখুঁত নিশানার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। শক্তিশালী অস্ত্রটি প্রতি মিনিটে ৫০০ থেকে ৬০০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে সক্ষম। প্রায় এক কিলোমিটার দূরের নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম রাইফেলটি স্নাইপার বা মেশিনগানের মতোও কাজ করতে পারে। প্রায় ৭০টি দেশের সশস্ত্র বাহিনী এটি ব্যবহার করে।
মিয়ানমারের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাবেক হেড অব মিশন মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম জানান, ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কোথাও এই অস্ত্রের সচরাচর ব্যবহার নেই। চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের যেসব অস্ত্র আমাদের দেশের বিভিন্ন বাহিনী ব্যবহার করে সেগুলোর চেয়ে জি-থ্রি রাইফেল বেশি মারাত্মক নয়। স্নাইপার হিসেবে সেটি ব্যবহার হয়।
র্যাব কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোয় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হয় না, ব্যবহারও হয় না। বাংলাদেশের সমরাস্ত্র কারখানায় একসময় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হতো। পরে এর ব্যবহার কমানো হয়েছে। যে রাইফেলটি পাওয়া গেছে সেটি এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেউই এই ক্যালিবারের অস্ত্র ব্যবহার করে না। সরকারিভাবেও আমদানি হয় না।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে এর আগে ২০১১ সালে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়ার কাছ থেকে জার্মানির তৈরি এইচকেজি-থ্রি রাইফেল উদ্ধার হয়েছিল। গত ১৫ বছরে এ ধরনের অস্ত্র আর দেখা যায়নি। উদ্ধারের তথ্যও নেই।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগ্নেয়াস্ত্রটি মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছ থেকে সীমান্তপথে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকতে পারে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তপথ প্রায় ২৭০ কিলোমিটারের। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপসহ ৮০ শতাংশ এলাকা দেড় বছর ধরে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে।

চট্টগ্রাম নগরীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া জার্মানির তৈরি সামরিক গ্রেডের একটি এইচকেজি-থ্রি সিরিজের রাইফেল নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। একমাস পরও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্ত্রটি বেশ পুরনো, তেমন সক্রিয়ও নয়। তবুও এ ধরনের ভারী সামরিক অস্ত্র আন্ডারওয়ার্ল্ডে আরো থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা।
গত ২৪ জুন র্যাব-৭ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার হাজীরপুল ফেদা পুকুর পাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করে। র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এএসপি এ আর এম মোজাফফর হোসেন তখন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, বাট ও ম্যাগাজিনবিহীন অবস্থায় অস্ত্রটি জলিল নামে এক ব্যক্তির সীমানা প্রাচীর দেওয়া খালি জায়গায় পড়ে ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া সংবাদে সেটি উদ্ধারের পর চান্দগাঁও থানায় জমা দেওয়া হয়। মামলাটি তদন্ত করছে র্যাব।
জানা গেছে, জার্মানির হেকলার অ্যান্ড কক কোম্পানি যুদ্ধকালীন রাইফেল হিসেবে ১৯৫০-এর দশকে আগ্নেয়াস্ত্রটি তৈরি করে। অতি মাত্রায় ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ও নিখুঁত নিশানার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। শক্তিশালী অস্ত্রটি প্রতি মিনিটে ৫০০ থেকে ৬০০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে সক্ষম। প্রায় এক কিলোমিটার দূরের নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম রাইফেলটি স্নাইপার বা মেশিনগানের মতোও কাজ করতে পারে। প্রায় ৭০টি দেশের সশস্ত্র বাহিনী এটি ব্যবহার করে।
মিয়ানমারের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাবেক হেড অব মিশন মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম জানান, ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কোথাও এই অস্ত্রের সচরাচর ব্যবহার নেই। চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের যেসব অস্ত্র আমাদের দেশের বিভিন্ন বাহিনী ব্যবহার করে সেগুলোর চেয়ে জি-থ্রি রাইফেল বেশি মারাত্মক নয়। স্নাইপার হিসেবে সেটি ব্যবহার হয়।
র্যাব কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোয় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হয় না, ব্যবহারও হয় না। বাংলাদেশের সমরাস্ত্র কারখানায় একসময় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হতো। পরে এর ব্যবহার কমানো হয়েছে। যে রাইফেলটি পাওয়া গেছে সেটি এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেউই এই ক্যালিবারের অস্ত্র ব্যবহার করে না। সরকারিভাবেও আমদানি হয় না।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে এর আগে ২০১১ সালে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়ার কাছ থেকে জার্মানির তৈরি এইচকেজি-থ্রি রাইফেল উদ্ধার হয়েছিল। গত ১৫ বছরে এ ধরনের অস্ত্র আর দেখা যায়নি। উদ্ধারের তথ্যও নেই।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগ্নেয়াস্ত্রটি মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছ থেকে সীমান্তপথে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকতে পারে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তপথ প্রায় ২৭০ কিলোমিটারের। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপসহ ৮০ শতাংশ এলাকা দেড় বছর ধরে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে।

জার্মানির এইচকেজি-থ্রি রাইফেল কীভাবে দেশে এলো
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া জার্মানির তৈরি সামরিক গ্রেডের একটি এইচকেজি-থ্রি সিরিজের রাইফেল নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। একমাস পরও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্ত্রটি বেশ পুরনো, তেমন সক্রিয়ও নয়। তবুও এ ধরনের ভারী সামরিক অস্ত্র আন্ডারওয়ার্ল্ডে আরো থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা।
গত ২৪ জুন র্যাব-৭ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার হাজীরপুল ফেদা পুকুর পাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করে। র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এএসপি এ আর এম মোজাফফর হোসেন তখন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, বাট ও ম্যাগাজিনবিহীন অবস্থায় অস্ত্রটি জলিল নামে এক ব্যক্তির সীমানা প্রাচীর দেওয়া খালি জায়গায় পড়ে ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া সংবাদে সেটি উদ্ধারের পর চান্দগাঁও থানায় জমা দেওয়া হয়। মামলাটি তদন্ত করছে র্যাব।
জানা গেছে, জার্মানির হেকলার অ্যান্ড কক কোম্পানি যুদ্ধকালীন রাইফেল হিসেবে ১৯৫০-এর দশকে আগ্নেয়াস্ত্রটি তৈরি করে। অতি মাত্রায় ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ও নিখুঁত নিশানার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। শক্তিশালী অস্ত্রটি প্রতি মিনিটে ৫০০ থেকে ৬০০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে সক্ষম। প্রায় এক কিলোমিটার দূরের নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম রাইফেলটি স্নাইপার বা মেশিনগানের মতোও কাজ করতে পারে। প্রায় ৭০টি দেশের সশস্ত্র বাহিনী এটি ব্যবহার করে।
মিয়ানমারের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাবেক হেড অব মিশন মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম জানান, ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কোথাও এই অস্ত্রের সচরাচর ব্যবহার নেই। চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের যেসব অস্ত্র আমাদের দেশের বিভিন্ন বাহিনী ব্যবহার করে সেগুলোর চেয়ে জি-থ্রি রাইফেল বেশি মারাত্মক নয়। স্নাইপার হিসেবে সেটি ব্যবহার হয়।
র্যাব কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোয় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হয় না, ব্যবহারও হয় না। বাংলাদেশের সমরাস্ত্র কারখানায় একসময় জি-থ্রি রাইফেল তৈরি হতো। পরে এর ব্যবহার কমানো হয়েছে। যে রাইফেলটি পাওয়া গেছে সেটি এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেউই এই ক্যালিবারের অস্ত্র ব্যবহার করে না। সরকারিভাবেও আমদানি হয় না।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে এর আগে ২০১১ সালে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়ার কাছ থেকে জার্মানির তৈরি এইচকেজি-থ্রি রাইফেল উদ্ধার হয়েছিল। গত ১৫ বছরে এ ধরনের অস্ত্র আর দেখা যায়নি। উদ্ধারের তথ্যও নেই।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগ্নেয়াস্ত্রটি মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছ থেকে সীমান্তপথে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকতে পারে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তপথ প্রায় ২৭০ কিলোমিটারের। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপসহ ৮০ শতাংশ এলাকা দেড় বছর ধরে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর







