রিজেন্টের সেই সাহেদের কারাদণ্ড

রিজেন্টের সেই সাহেদের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বলেন, গত ৩ মে আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আজ তাকে ওই মামলায় সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই একই ঘটনায় বাদী আরেকটি মামলা সিএমএম আদালতে দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার বিষয়ে আমরা অবগত থাকলেও চেক-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতাম না। এ কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা হয়েছে। আজ এ মামলায় তার জামিন আবেদন করা হলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগ আনা হয়।
এতে বলা হয়েছে, বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসামির সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রথমে কিছু টাকা নগদ পরিশোধ করলেও পরে তিনি চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বাবদ আসামি ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ফেরত দেয়। একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়।
এদিকে, গত ৩০ জুলাই প্রতারণার এক মামলায় বাদীর সঙ্গে আপোষের শর্তে পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় ১০ দিনের জন্য জামিন পেয়েছিলেন আসামি সাহেদ।
গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।

২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বলেন, গত ৩ মে আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আজ তাকে ওই মামলায় সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই একই ঘটনায় বাদী আরেকটি মামলা সিএমএম আদালতে দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার বিষয়ে আমরা অবগত থাকলেও চেক-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতাম না। এ কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা হয়েছে। আজ এ মামলায় তার জামিন আবেদন করা হলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগ আনা হয়।
এতে বলা হয়েছে, বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসামির সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রথমে কিছু টাকা নগদ পরিশোধ করলেও পরে তিনি চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বাবদ আসামি ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ফেরত দেয়। একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়।
এদিকে, গত ৩০ জুলাই প্রতারণার এক মামলায় বাদীর সঙ্গে আপোষের শর্তে পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় ১০ দিনের জন্য জামিন পেয়েছিলেন আসামি সাহেদ।
গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।

রিজেন্টের সেই সাহেদের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বলেন, গত ৩ মে আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আজ তাকে ওই মামলায় সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই একই ঘটনায় বাদী আরেকটি মামলা সিএমএম আদালতে দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার বিষয়ে আমরা অবগত থাকলেও চেক-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতাম না। এ কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা হয়েছে। আজ এ মামলায় তার জামিন আবেদন করা হলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগ আনা হয়।
এতে বলা হয়েছে, বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসামির সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রথমে কিছু টাকা নগদ পরিশোধ করলেও পরে তিনি চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বাবদ আসামি ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ফেরত দেয়। একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়।
এদিকে, গত ৩০ জুলাই প্রতারণার এক মামলায় বাদীর সঙ্গে আপোষের শর্তে পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় ১০ দিনের জন্য জামিন পেয়েছিলেন আসামি সাহেদ।
গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।

প্রতারণার মামলায় রিজেন্টের সেই সাহেদের জামিন

-CznNewsLab-64e260.jpg)

-CznNewsLab-ecd1fc.jpg)



