স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এছাড়া, ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নড়িয়া থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামীকে পূর্বপরিচিত কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর স্বামীকে উপজেলার একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে স্ত্রীকে সেখানে ডেকে আনেন ওই ব্যক্তিরা। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারীকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে ছুটে যান। তারা ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে জানান।
স্থানীয় মানুষের সহায়তায় ভোরে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় নড়িয়া থানার পুলিশ। তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নারী সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– রাব্বি, হজরত আলী খন্দকার ও ইমন খন্দকার।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জানতে পেরেছি, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় একটি পক্ষের মাদক বিক্রির কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিলো। পুলিশ তদন্ত করে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে। ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এছাড়া, ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নড়িয়া থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামীকে পূর্বপরিচিত কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর স্বামীকে উপজেলার একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে স্ত্রীকে সেখানে ডেকে আনেন ওই ব্যক্তিরা। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারীকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে ছুটে যান। তারা ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে জানান।
স্থানীয় মানুষের সহায়তায় ভোরে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় নড়িয়া থানার পুলিশ। তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নারী সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– রাব্বি, হজরত আলী খন্দকার ও ইমন খন্দকার।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জানতে পেরেছি, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় একটি পক্ষের মাদক বিক্রির কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিলো। পুলিশ তদন্ত করে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে। ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এছাড়া, ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নড়িয়া থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামীকে পূর্বপরিচিত কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর স্বামীকে উপজেলার একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে স্ত্রীকে সেখানে ডেকে আনেন ওই ব্যক্তিরা। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারীকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে ছুটে যান। তারা ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে জানান।
স্থানীয় মানুষের সহায়তায় ভোরে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় নড়িয়া থানার পুলিশ। তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নারী সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– রাব্বি, হজরত আলী খন্দকার ও ইমন খন্দকার।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জানতে পেরেছি, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় একটি পক্ষের মাদক বিক্রির কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিলো। পুলিশ তদন্ত করে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে। ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’









