চুরির অভিযোগে তরুণীকে গাছে বেঁধে মারধর

চুরির অভিযোগে তরুণীকে গাছে বেঁধে মারধর
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
গত মঙ্গলবার ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের কয়েকটি ভিডিও গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন–আফসানা বেগম ও আমির। তারাসহ এ মামলায় মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তরুণীকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় কয়েকজনকে মারধর করতে দেখা যায়। কয়েকজন নারী তার চুল কাটছেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। পাশে একটি খুঁটির সঙ্গে তার ছোট বোনকেও বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুরে নদীভাঙনে গৃহহীন হওয়ায় পরিবারটি ভেদরগঞ্জে চলে আসে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে তাঁরা উপজেলার একটি গ্রামে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। বাড়ির পাশের মুদিদোকানের মালিক মনির হোসেন মোল্যা প্রায়ই ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন।
মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী তার ছোট বোন ও আট বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে যান। সেখানে মনির তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেন। বিষয়টি মা-বাবাকে না জানাতে তরুণীকে সতর্ক করেন। এরপর চুরির অভিযোগ তুলে তিন ভাই-বোনকে পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে মনির হোসেন, বাড়ির মালিক ফৌজিয়া সরদার, তার আত্মীয় নিশি আক্তার ও আফসানা বেগম ওই তরুণী ও তার ছোট বোনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে পরিবারের অভিযোগ। তরুণীর গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং তাঁর মাথার কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে তিনি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ আটক করলেও গভীর রাতে মনিরকে ছেড়ে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে অন্য গ্রামে আশ্রয় নেন। পরে গতকাল রাতে মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। প্রতিবাদ করায় মেয়েকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য আমরা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তরুণী আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছে। এ কারণে তাকে পাশের একটি ক্যান্টিনে বসিয়ে রাখা হয়েছিলো।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, ‘তরুণীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে তারা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
গত মঙ্গলবার ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের কয়েকটি ভিডিও গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন–আফসানা বেগম ও আমির। তারাসহ এ মামলায় মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তরুণীকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় কয়েকজনকে মারধর করতে দেখা যায়। কয়েকজন নারী তার চুল কাটছেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। পাশে একটি খুঁটির সঙ্গে তার ছোট বোনকেও বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুরে নদীভাঙনে গৃহহীন হওয়ায় পরিবারটি ভেদরগঞ্জে চলে আসে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে তাঁরা উপজেলার একটি গ্রামে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। বাড়ির পাশের মুদিদোকানের মালিক মনির হোসেন মোল্যা প্রায়ই ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন।
মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী তার ছোট বোন ও আট বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে যান। সেখানে মনির তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেন। বিষয়টি মা-বাবাকে না জানাতে তরুণীকে সতর্ক করেন। এরপর চুরির অভিযোগ তুলে তিন ভাই-বোনকে পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে মনির হোসেন, বাড়ির মালিক ফৌজিয়া সরদার, তার আত্মীয় নিশি আক্তার ও আফসানা বেগম ওই তরুণী ও তার ছোট বোনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে পরিবারের অভিযোগ। তরুণীর গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং তাঁর মাথার কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে তিনি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ আটক করলেও গভীর রাতে মনিরকে ছেড়ে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে অন্য গ্রামে আশ্রয় নেন। পরে গতকাল রাতে মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। প্রতিবাদ করায় মেয়েকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য আমরা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তরুণী আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছে। এ কারণে তাকে পাশের একটি ক্যান্টিনে বসিয়ে রাখা হয়েছিলো।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, ‘তরুণীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে তারা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

চুরির অভিযোগে তরুণীকে গাছে বেঁধে মারধর
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
গত মঙ্গলবার ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের কয়েকটি ভিডিও গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন–আফসানা বেগম ও আমির। তারাসহ এ মামলায় মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তরুণীকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় কয়েকজনকে মারধর করতে দেখা যায়। কয়েকজন নারী তার চুল কাটছেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। পাশে একটি খুঁটির সঙ্গে তার ছোট বোনকেও বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুরে নদীভাঙনে গৃহহীন হওয়ায় পরিবারটি ভেদরগঞ্জে চলে আসে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে তাঁরা উপজেলার একটি গ্রামে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। বাড়ির পাশের মুদিদোকানের মালিক মনির হোসেন মোল্যা প্রায়ই ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন।
মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী তার ছোট বোন ও আট বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে যান। সেখানে মনির তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেন। বিষয়টি মা-বাবাকে না জানাতে তরুণীকে সতর্ক করেন। এরপর চুরির অভিযোগ তুলে তিন ভাই-বোনকে পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে মনির হোসেন, বাড়ির মালিক ফৌজিয়া সরদার, তার আত্মীয় নিশি আক্তার ও আফসানা বেগম ওই তরুণী ও তার ছোট বোনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে পরিবারের অভিযোগ। তরুণীর গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং তাঁর মাথার কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে তিনি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ আটক করলেও গভীর রাতে মনিরকে ছেড়ে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে অন্য গ্রামে আশ্রয় নেন। পরে গতকাল রাতে মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। প্রতিবাদ করায় মেয়েকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য আমরা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তরুণী আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছে। এ কারণে তাকে পাশের একটি ক্যান্টিনে বসিয়ে রাখা হয়েছিলো।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, ‘তরুণীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে তারা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’









