রংপুরে আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার অভিযোগ, পুনঃস্থাপনের দাবি

রংপুরে আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার অভিযোগ, পুনঃস্থাপনের দাবি
রংপুর সংবাদদাতা

দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ঐতিহাসিক ছবি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করছিল ছবিটি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’-এ থাকা সেই স্মারক বিলবোর্ডটি এখন আর নেই। এটি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে এ অভিযোগ জানান শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন। একই সঙ্গে তিনি বিলবোর্ডটির পূর্বের ও বর্তমান খালি স্থানের দুটি ছবিও যুক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে আবু হোসেন লেখেন, ‘এভাবেই চলছে জুলাই শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার কাজ। তা আবার শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে আবু সাঈদ এর স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলা হচ্ছে। জুলাইয়ের প্রথম শহীদের স্মৃতি চিহ্ন যদি এভাবে মুছে ফেলা হয় তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের কি অবস্থা আল্লাই ভাল জানে। স্টান্ডটি কারও ব্যক্তি মালিকানাধীন হতে পারে তো সরকারি জায়গার উপর স্থাপিত।’
পোস্টে তিনি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে থাকা স্মৃতিসংবলিত ব্যানারটি অবিলম্বে পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন পার্কের মোড় (শহীদ আবু সাঈদ চত্বর) থেকে স্মৃতিচিহ্ন অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা যায়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তার আত্মত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কোনো স্থাপনা বা স্মৃতিচিহ্ন অপসারণ কিংবা পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত ছিল।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুততম সময়ে স্মারক বিলবোর্ডটি সসম্মানে পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ঐতিহাসিক ছবি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করছিল ছবিটি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’-এ থাকা সেই স্মারক বিলবোর্ডটি এখন আর নেই। এটি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে এ অভিযোগ জানান শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন। একই সঙ্গে তিনি বিলবোর্ডটির পূর্বের ও বর্তমান খালি স্থানের দুটি ছবিও যুক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে আবু হোসেন লেখেন, ‘এভাবেই চলছে জুলাই শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার কাজ। তা আবার শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে আবু সাঈদ এর স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলা হচ্ছে। জুলাইয়ের প্রথম শহীদের স্মৃতি চিহ্ন যদি এভাবে মুছে ফেলা হয় তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের কি অবস্থা আল্লাই ভাল জানে। স্টান্ডটি কারও ব্যক্তি মালিকানাধীন হতে পারে তো সরকারি জায়গার উপর স্থাপিত।’
পোস্টে তিনি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে থাকা স্মৃতিসংবলিত ব্যানারটি অবিলম্বে পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন পার্কের মোড় (শহীদ আবু সাঈদ চত্বর) থেকে স্মৃতিচিহ্ন অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা যায়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তার আত্মত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কোনো স্থাপনা বা স্মৃতিচিহ্ন অপসারণ কিংবা পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত ছিল।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুততম সময়ে স্মারক বিলবোর্ডটি সসম্মানে পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

রংপুরে আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার অভিযোগ, পুনঃস্থাপনের দাবি
রংপুর সংবাদদাতা

দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ঐতিহাসিক ছবি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করছিল ছবিটি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’-এ থাকা সেই স্মারক বিলবোর্ডটি এখন আর নেই। এটি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে এ অভিযোগ জানান শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন। একই সঙ্গে তিনি বিলবোর্ডটির পূর্বের ও বর্তমান খালি স্থানের দুটি ছবিও যুক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে আবু হোসেন লেখেন, ‘এভাবেই চলছে জুলাই শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার কাজ। তা আবার শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে আবু সাঈদ এর স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলা হচ্ছে। জুলাইয়ের প্রথম শহীদের স্মৃতি চিহ্ন যদি এভাবে মুছে ফেলা হয় তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের কি অবস্থা আল্লাই ভাল জানে। স্টান্ডটি কারও ব্যক্তি মালিকানাধীন হতে পারে তো সরকারি জায়গার উপর স্থাপিত।’
পোস্টে তিনি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে থাকা স্মৃতিসংবলিত ব্যানারটি অবিলম্বে পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন পার্কের মোড় (শহীদ আবু সাঈদ চত্বর) থেকে স্মৃতিচিহ্ন অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা যায়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তার আত্মত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কোনো স্থাপনা বা স্মৃতিচিহ্ন অপসারণ কিংবা পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত ছিল।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুততম সময়ে স্মারক বিলবোর্ডটি সসম্মানে পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শহীদ আবু সাঈদের বাড়ি-কবরস্থানের উন্নয়নে ১ কোটি টাকা দেবে সরকার







