সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া কোটি টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগ

সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া কোটি টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২০-২১ অর্থবছরে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগে পাওয়া গেছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্তে এ আয়কর ফাঁকির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন-২০২৩ এর ২৭২ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে আরোও ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আইটি-৩০ ধারা অনুযায়ী দাবি নামা ও আইটি-৮৮ এর ধারায় করদাতাকে তা জানানোর হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে ফাঁকিকৃত আয়কর ও জরিমানাসহ সর্বমোট ১ কোটি ৭৯ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৩ টাকা প্রদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আরোও জানা গেছে, ২০২০-২১ করবর্ষে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে স্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে আয়কর প্রদান করেছে। কিন্তু করদাতার আয়কর নথি পর্যালোচনা করে করযোগ্য আয়, বিনিয়োগ ও অন্যান্য তথ্য গোপনের মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রমাণ পায় এনবিআর। ২০২৪ এর ২৭ মে এনবিআরের আয়কর মামলায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের মোট আয় ১১ কোটি ৩১ লাখ ১১ হাজার টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ওই করবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২১২/১৮৩(৩) ধারায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ১০৯ টাকা আয়কর প্রদান করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৬১৬ টাকা প্রদান করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি আয়কর ফাঁকি দিয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা।
কেন করফাঁকির অভিযোগে তাদেরকে জরিমানা করা হবে না এমন প্রশ্নের উত্তরে এনবিআর জানায়, গত বছরের ২৩ নভেম্বর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৮০ ধারায় চিঠির মাধ্যমে শুনানিতে অংশ গ্রহন করতে বলা হয়। তবে ৪ ডিসেম্বর এনবিআর কর্তৃক শুনানিতে প্রতিষ্ঠানের কেউ হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেননি বলে জানা যায়। ফলে, এনবিআরের আইনে ফাঁকিকৃত আয়করের উপর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৭২ ধারায় জরিমানা আরোপের জন্য ‘ক’ ধারায় ১৮ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ‘খ’ ধারায় ৩ বছরের জরিমানা হিসেবে ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭ টাকাসহ মোট ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমান করা হয়েছে।
করফাঁকির বিষয়ে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নকিবুর রহমান খান সিটিজেল জার্নালকে বলেন, তিনি সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সে কয়েক মাস আগে জয়েন করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য তিনি কোম্পানি সেক্রেটারির সাথে কথা বলতে অনুরোধ করেন।
তবে কোম্পানি সেক্রেটারি মো. নুর-ইল-আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিনিধির ফোন ধরেননি।
বিমা খাতের সুশাসনের নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিমা খাত আজ একবারে নাজুক অবস্থায় আছে। এ খাতে সুশাসন না থাকায় আজ পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায়ও জিডিপিতে তার অবদান কম। ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে দুই- একটি কোম্পানি ছাড়া কেউ বিমা খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে নি। ভ্যাট, ট্যাক্স ফাঁকির পাশাপাশি তারা ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও এজেন্ট কমিশনের নামে ব্যাপক অনিয়ম করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ এর শেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (দক্ষিণ) মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) নিবন্ধন নেওয়া ১৫টি বীমা কোম্পানির মূসক কার্যক্রম নিরীক্ষা শুরু করে। মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১-এর ধারা ২৬ক এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৯০-এর ক্ষমতাবলে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স কোম্পানিও রয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগে পাওয়া গেছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্তে এ আয়কর ফাঁকির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন-২০২৩ এর ২৭২ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে আরোও ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আইটি-৩০ ধারা অনুযায়ী দাবি নামা ও আইটি-৮৮ এর ধারায় করদাতাকে তা জানানোর হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে ফাঁকিকৃত আয়কর ও জরিমানাসহ সর্বমোট ১ কোটি ৭৯ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৩ টাকা প্রদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আরোও জানা গেছে, ২০২০-২১ করবর্ষে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে স্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে আয়কর প্রদান করেছে। কিন্তু করদাতার আয়কর নথি পর্যালোচনা করে করযোগ্য আয়, বিনিয়োগ ও অন্যান্য তথ্য গোপনের মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রমাণ পায় এনবিআর। ২০২৪ এর ২৭ মে এনবিআরের আয়কর মামলায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের মোট আয় ১১ কোটি ৩১ লাখ ১১ হাজার টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ওই করবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২১২/১৮৩(৩) ধারায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ১০৯ টাকা আয়কর প্রদান করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৬১৬ টাকা প্রদান করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি আয়কর ফাঁকি দিয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা।
কেন করফাঁকির অভিযোগে তাদেরকে জরিমানা করা হবে না এমন প্রশ্নের উত্তরে এনবিআর জানায়, গত বছরের ২৩ নভেম্বর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৮০ ধারায় চিঠির মাধ্যমে শুনানিতে অংশ গ্রহন করতে বলা হয়। তবে ৪ ডিসেম্বর এনবিআর কর্তৃক শুনানিতে প্রতিষ্ঠানের কেউ হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেননি বলে জানা যায়। ফলে, এনবিআরের আইনে ফাঁকিকৃত আয়করের উপর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৭২ ধারায় জরিমানা আরোপের জন্য ‘ক’ ধারায় ১৮ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ‘খ’ ধারায় ৩ বছরের জরিমানা হিসেবে ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭ টাকাসহ মোট ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমান করা হয়েছে।
করফাঁকির বিষয়ে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নকিবুর রহমান খান সিটিজেল জার্নালকে বলেন, তিনি সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সে কয়েক মাস আগে জয়েন করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য তিনি কোম্পানি সেক্রেটারির সাথে কথা বলতে অনুরোধ করেন।
তবে কোম্পানি সেক্রেটারি মো. নুর-ইল-আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিনিধির ফোন ধরেননি।
বিমা খাতের সুশাসনের নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিমা খাত আজ একবারে নাজুক অবস্থায় আছে। এ খাতে সুশাসন না থাকায় আজ পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায়ও জিডিপিতে তার অবদান কম। ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে দুই- একটি কোম্পানি ছাড়া কেউ বিমা খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে নি। ভ্যাট, ট্যাক্স ফাঁকির পাশাপাশি তারা ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও এজেন্ট কমিশনের নামে ব্যাপক অনিয়ম করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ এর শেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (দক্ষিণ) মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) নিবন্ধন নেওয়া ১৫টি বীমা কোম্পানির মূসক কার্যক্রম নিরীক্ষা শুরু করে। মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১-এর ধারা ২৬ক এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৯০-এর ক্ষমতাবলে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স কোম্পানিও রয়েছে।

সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া কোটি টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২০-২১ অর্থবছরে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগে পাওয়া গেছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্তে এ আয়কর ফাঁকির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন-২০২৩ এর ২৭২ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে আরোও ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আইটি-৩০ ধারা অনুযায়ী দাবি নামা ও আইটি-৮৮ এর ধারায় করদাতাকে তা জানানোর হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে ফাঁকিকৃত আয়কর ও জরিমানাসহ সর্বমোট ১ কোটি ৭৯ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৩ টাকা প্রদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আরোও জানা গেছে, ২০২০-২১ করবর্ষে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে স্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে আয়কর প্রদান করেছে। কিন্তু করদাতার আয়কর নথি পর্যালোচনা করে করযোগ্য আয়, বিনিয়োগ ও অন্যান্য তথ্য গোপনের মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রমাণ পায় এনবিআর। ২০২৪ এর ২৭ মে এনবিআরের আয়কর মামলায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের মোট আয় ১১ কোটি ৩১ লাখ ১১ হাজার টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ওই করবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২১২/১৮৩(৩) ধারায় সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ১০৯ টাকা আয়কর প্রদান করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৬১৬ টাকা প্রদান করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি আয়কর ফাঁকি দিয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯৩ টাকা।
কেন করফাঁকির অভিযোগে তাদেরকে জরিমানা করা হবে না এমন প্রশ্নের উত্তরে এনবিআর জানায়, গত বছরের ২৩ নভেম্বর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৮০ ধারায় চিঠির মাধ্যমে শুনানিতে অংশ গ্রহন করতে বলা হয়। তবে ৪ ডিসেম্বর এনবিআর কর্তৃক শুনানিতে প্রতিষ্ঠানের কেউ হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেননি বলে জানা যায়। ফলে, এনবিআরের আইনে ফাঁকিকৃত আয়করের উপর আয়কর আইনের ২০২৩ এর ২৭২ ধারায় জরিমানা আরোপের জন্য ‘ক’ ধারায় ১৮ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ‘খ’ ধারায় ৩ বছরের জরিমানা হিসেবে ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭ টাকাসহ মোট ৫৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ টাকা জরিমান করা হয়েছে।
করফাঁকির বিষয়ে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নকিবুর রহমান খান সিটিজেল জার্নালকে বলেন, তিনি সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সে কয়েক মাস আগে জয়েন করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য তিনি কোম্পানি সেক্রেটারির সাথে কথা বলতে অনুরোধ করেন।
তবে কোম্পানি সেক্রেটারি মো. নুর-ইল-আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিনিধির ফোন ধরেননি।
বিমা খাতের সুশাসনের নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিমা খাত আজ একবারে নাজুক অবস্থায় আছে। এ খাতে সুশাসন না থাকায় আজ পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায়ও জিডিপিতে তার অবদান কম। ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে দুই- একটি কোম্পানি ছাড়া কেউ বিমা খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে নি। ভ্যাট, ট্যাক্স ফাঁকির পাশাপাশি তারা ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও এজেন্ট কমিশনের নামে ব্যাপক অনিয়ম করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ এর শেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (দক্ষিণ) মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) নিবন্ধন নেওয়া ১৫টি বীমা কোম্পানির মূসক কার্যক্রম নিরীক্ষা শুরু করে। মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১-এর ধারা ২৬ক এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৯০-এর ক্ষমতাবলে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স কোম্পানিও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা চায় ইসলামী ব্যাংক


