মমেক হাসপাতালে অচল সিটি স্ক্যান, এমআরআই ও এক্স-রে মেশিন, ভোগান্তিতে রোগীরা

মমেক হাসপাতালে অচল সিটি স্ক্যান, এমআরআই ও এক্স-রে মেশিন, ভোগান্তিতে রোগীরা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেশিন দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ১১ কোটি টাকা দাম কেনা হাসপাতালে একমাত্র সিটি স্ক্যান মেশিনটি প্রায় পাঁচ মাস ধরে অচল। দুটি এমআরআই মেশিনের একটিও দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি অচল থাকায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
অভিযোগ উঠেছে, বাধ্য হয়ে রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা দিয়ে এসব পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। তবে অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো দরিদ্র রোগী।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরের একাংশ এবং সুনামগঞ্জ জেলার মানুষ মমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী আসেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার। তাদের বড় একটি অংশ নিম্নবিত্ত পরিবারের। তবে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ মেশিনগুলো অচল থাকায় দুর্ভোগে পড়ছেন এসব রোগী ও তাদের স্বজনরা।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে চালু করা হয় সিটি স্ক্যান মেশিনটি। জাপান থেকে আমদানি করা মেশিনটির মূল্য ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা। এর ওয়ারেন্টি ছিল সাত বছর। চালু থাকার সময় প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০টি সিটি স্ক্যান করা হতো। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস আগে হঠাৎ মেশিনটি বিকল হয়ে যায়।
এদিকে, দুটি এমআরআই মেশিনের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে অচল রয়েছে। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি পুরোপুরি নষ্ট। তবে বাকি দুটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয়সংখ্যক যন্ত্রপাতি না থাকায় হাসপাতালে এক্স-রে ও এমআরআই করাতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের লম্বা সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় ধাক্কাধাক্কি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঝে মাঝে ফিল্ম সংকটের কারণে এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করার প্রয়োজন হলেও হাসপাতালের মেশিন নষ্ট থাকায় বাইরে যেতে হচ্ছে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসব পরীক্ষা করাতে হাসপাতালের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
রোগী ও স্বজনদের দাবি, শুধু যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকাই নয়, যন্ত্র সচল থাকলেও বিভিন্ন জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায় না। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের প্রধান ডা. বদরুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন যন্ত্রপাতি সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মেশিন স্থাপনের আশা করছি। পাশাপাশি বিকল যন্ত্রপাতিগুলো দ্রুত সচল করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, অচল যন্ত্রপাতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেশিন দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ১১ কোটি টাকা দাম কেনা হাসপাতালে একমাত্র সিটি স্ক্যান মেশিনটি প্রায় পাঁচ মাস ধরে অচল। দুটি এমআরআই মেশিনের একটিও দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি অচল থাকায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
অভিযোগ উঠেছে, বাধ্য হয়ে রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা দিয়ে এসব পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। তবে অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো দরিদ্র রোগী।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরের একাংশ এবং সুনামগঞ্জ জেলার মানুষ মমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী আসেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার। তাদের বড় একটি অংশ নিম্নবিত্ত পরিবারের। তবে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ মেশিনগুলো অচল থাকায় দুর্ভোগে পড়ছেন এসব রোগী ও তাদের স্বজনরা।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে চালু করা হয় সিটি স্ক্যান মেশিনটি। জাপান থেকে আমদানি করা মেশিনটির মূল্য ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা। এর ওয়ারেন্টি ছিল সাত বছর। চালু থাকার সময় প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০টি সিটি স্ক্যান করা হতো। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস আগে হঠাৎ মেশিনটি বিকল হয়ে যায়।
এদিকে, দুটি এমআরআই মেশিনের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে অচল রয়েছে। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি পুরোপুরি নষ্ট। তবে বাকি দুটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয়সংখ্যক যন্ত্রপাতি না থাকায় হাসপাতালে এক্স-রে ও এমআরআই করাতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের লম্বা সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় ধাক্কাধাক্কি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঝে মাঝে ফিল্ম সংকটের কারণে এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করার প্রয়োজন হলেও হাসপাতালের মেশিন নষ্ট থাকায় বাইরে যেতে হচ্ছে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসব পরীক্ষা করাতে হাসপাতালের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
রোগী ও স্বজনদের দাবি, শুধু যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকাই নয়, যন্ত্র সচল থাকলেও বিভিন্ন জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায় না। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের প্রধান ডা. বদরুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন যন্ত্রপাতি সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মেশিন স্থাপনের আশা করছি। পাশাপাশি বিকল যন্ত্রপাতিগুলো দ্রুত সচল করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, অচল যন্ত্রপাতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

মমেক হাসপাতালে অচল সিটি স্ক্যান, এমআরআই ও এক্স-রে মেশিন, ভোগান্তিতে রোগীরা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেশিন দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ১১ কোটি টাকা দাম কেনা হাসপাতালে একমাত্র সিটি স্ক্যান মেশিনটি প্রায় পাঁচ মাস ধরে অচল। দুটি এমআরআই মেশিনের একটিও দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি অচল থাকায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
অভিযোগ উঠেছে, বাধ্য হয়ে রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা দিয়ে এসব পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। তবে অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো দরিদ্র রোগী।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরের একাংশ এবং সুনামগঞ্জ জেলার মানুষ মমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী আসেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার। তাদের বড় একটি অংশ নিম্নবিত্ত পরিবারের। তবে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ মেশিনগুলো অচল থাকায় দুর্ভোগে পড়ছেন এসব রোগী ও তাদের স্বজনরা।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে চালু করা হয় সিটি স্ক্যান মেশিনটি। জাপান থেকে আমদানি করা মেশিনটির মূল্য ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা। এর ওয়ারেন্টি ছিল সাত বছর। চালু থাকার সময় প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০টি সিটি স্ক্যান করা হতো। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস আগে হঠাৎ মেশিনটি বিকল হয়ে যায়।
এদিকে, দুটি এমআরআই মেশিনের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে অচল রয়েছে। তিনটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে একটি পুরোপুরি নষ্ট। তবে বাকি দুটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয়সংখ্যক যন্ত্রপাতি না থাকায় হাসপাতালে এক্স-রে ও এমআরআই করাতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের লম্বা সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় ধাক্কাধাক্কি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঝে মাঝে ফিল্ম সংকটের কারণে এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করার প্রয়োজন হলেও হাসপাতালের মেশিন নষ্ট থাকায় বাইরে যেতে হচ্ছে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসব পরীক্ষা করাতে হাসপাতালের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
রোগী ও স্বজনদের দাবি, শুধু যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকাই নয়, যন্ত্র সচল থাকলেও বিভিন্ন জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায় না। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের প্রধান ডা. বদরুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন যন্ত্রপাতি সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মেশিন স্থাপনের আশা করছি। পাশাপাশি বিকল যন্ত্রপাতিগুলো দ্রুত সচল করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, অচল যন্ত্রপাতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

মমেক ছাত্রাবাসে সংঘর্ষ: ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার







